Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মামলা

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মামলা
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম অন্তর, ছবি: সংগৃহীত
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় শহীদুল ইসলাম অন্তর নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগের জন্য ঘুষ হিসাবে দেয়া টাকা ফেরত চাওয়ায় তিনি এ মামলা করেছেন বলে দাবি করেছেন ওই ইউপি চেয়ারম্যান।

শহিদুল ইসলাম অন্তর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

বৃহস্পতিবার রাতে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। তবে চাঁদবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অন্তর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পৌর শহরের উত্তরবাজার এলাকায় একটি হোটেলে দুপুরের খাবার খেতে যান। এসময় ওই হোটেলে খাবার খেতে আসেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অন্তর। শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে তিনি বলেন স্যার কয়েকবার তারিখ করেও আমার পাওনা টাকাটা তো দিলেন না। টাকা আপনাকে ফেরত দিতেই হবে। আজকেই একটি তারিখ করেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান ঘটনাস্থলে  এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি যদি নিয়োগের জন্য টাকা নিয়ে থাকি তাহলে চেয়ারম্যান অন্তর প্রমাণ দেখাক। মূলত মিথ্যা একটি অভিযোগ চাপিয়ে দিয়ে চেয়ারম্যান আমার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার হোটেলে খাওয়ার সময় চেয়ারম্যান চাঁদা চাইলে ঝামেলা হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলা দিতে বাধ্য হই।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম অন্তরের দাবি, একজন চাকরি প্রার্থীর নিয়োগের জন্য সুপারিশ করলে শিক্ষা কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেয়। উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে ওই টাকা নেয়ার দৃশ্য সংরক্ষণ থাকতে পারে। বৃহস্পতিবার হোটেলে খাবার খাওয়ার সময় টাকা চাইলে শিক্ষা কর্মকর্তা আমাকে হুমকি দেয়। পরে ঘটনা ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে মামলা দায়ের করেন।

শুক্রবার বিকেলে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করেছে। 

আপনার মতামত লিখুন :

কৃষকের গুপ্তধন 'বইকচু'

কৃষকের গুপ্তধন 'বইকচু'
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সবজি ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত ধাপেরহাট এলাকা। এই এলাকার ফসলি জমিতে বিভিন্ন সবজির পাশাপাশি চাষ করা হয় 'বইকচু'। এবার বইকচুর অধিক ফলন ও আশানারূপ দাম পাওয়ায় এ কচু যেন গুপ্তধনে পরিণত হয়েছে। কৃষকের মাঝে দেখা গেছে হাসির ঝিলিক।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট)  সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ইসলামপুরস্থ গাছতলায় বসে ছকিনা বেওয়া, আজিরণ বিবি ও মরিয়ম বেগমসহ অনেকেই কচু পরিষ্কার করছেন।

তারা বলেন, আমরা সবাই শ্রমিক হিসেবে কাজ করছি। এক মণ কচু পরিষ্কার করলে ১৫০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়। প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই মণ কচু পরিষ্কার করে সন্তোষজনক হারে আয় করা যায়। তবে কচুর দাম কম হলে মজুরির দামও কম হয় বলে জানান তারা।

ছত্রগাছা গ্রামের কৃষক আকবর আলী জানায়, ধাপেরহাট এলাকায় আলু, পটল, করল্লা ও হলুদসহ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে চাষ করা হয়েছে বইকচু। গত বছরের তুলনা এবার কচুর চাষাবাদ অনেকটাই বেড়েছে। ফলনও হয়েছে বাম্পার। বাজারে বেড়ে গেছে কচুর কদর। এর ফলে কচু আবাদ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব হচ্ছে।

আলীনগর গ্রামের আরেক কচু চাষি ফরিদুল ইসলাম জানান, একবিঘা (৩৩ শতক) জমিতে কচু আবাদে খরচ হয় প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা। যা থেকে প্রায় ৬০-৬৫ মণ কচু উৎপাদন করা যায়। এবারে উৎপাদিত কচু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার টাকা মণ দামে। আশানারূপ দাম পাওয়ায় অনেকটাই লাভবান হচ্ছি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, কচুর মধ্যে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। তাই কচু চাষ করার জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা হয়। এবার কচুর দাম ভাল থাকায় কৃষকরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। 

স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা, স্বামী আটক

স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা, স্বামী আটক
আটক হওয়া স্বামী, ছবি: সংগৃহীত

সিদ্ধিরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশে পেটে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগে স্বামী সোহাগ (৩৫) কে আটক করে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে মিজমিজি পূর্বপাড়া পাগলাবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সোহাগকে আটক করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।

গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূ মুন্নি আক্তারকে (২৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই সন্তানের জননীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে স্বজনরা।

আটককৃত সোহাগ কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানা এলাকার ফজলুর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে হালিম মোল্লার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদশা আলম জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে সোহাগ তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের পেটে ছুরিকাঘাত করেছে। এ ঘটনায় স্বামী সোহাগকে আটক করা হয়েছে। উভয় পরিবারের সিদ্ধান্ত জেনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র