Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভোলায় ত্রাণ কার্যক্রম শুরু

ভোলায় ত্রাণ কার্যক্রম শুরু
লণ্ডভণ্ড পরিবারের বিধ্বস্ত বাড়ি, ছবি:
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ভোলা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভোলা সদর উপজেলার কোড়ালিয়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্তরা এখনো খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছেন।

সড়ক থেকে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর কাজ চলছে। এখনো বিদ্যুৎ চালু করা সম্ভব হয়নি। আহতরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছে না। আপদকালিন সময়ের জন্য অস্থায়ী আশ্রয় শিবির খোলা হলেও সেখানে যেতে আগ্রহী হচ্ছেনা ক্ষতিগ্রস্তরা। আশ্রয় শিবিরে থাকা খাওয়ার পরিবেশ না থাকায় আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে রাত কাটিয়েছে তারা। অনেকে খোলা আকাশের নীচে থেকে রাতভর বিধ্বস্ত ঘরগুলোর মালামাল পাহারা দিয়েছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/05/1557046097746.jpg

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মছি বেগম জানান, আমাদেরকে স্কুলে যাওয়ার জন্য বলে, আমরা যাই না। কারণ স্কুলে থাকা খাওয়ার অসুবিধা। এখন কষ্ট কইরা আমরা খোলা আকাশের নিচে থাকি।

মিজাজ চকিদার জানান, মানুষের বাড়িতে থাকি। খাওয়ার কষ্ট, থাকার কষ্ট। রাতেই বেশি কষ্ট হয়। এখন সরকারে কাছে দাবি আমাদেরকে যেন সাহায্য সহযোগিতা করে।

বার্তা২৪ barta24

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো ও রান্না করা খাবার এবং চাল, ডাল, লবণ, পেয়াজ, তেলসহ খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। খোলা আকাশের নীচে যারা আছে তাদের জন্য নিকটবর্তী একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় শিবির খুলে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারের জন্য নগদ ৬ হাজার টাকা ও ২ বান্ডিল ঢেউটিন বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আজ কালের মধ্যেই বিতরণ করা হবে। আগামীতে যাতে ঘর তুলে ক্ষতিগ্রস্তরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে সেজন্য সর্বাত্মক সহায়তা করার কর্মসূচি নেয়া হবে।

বার্তা২৪ barta24

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ভোলায় ৭২টি ঘর সম্পূর্ণরূপে এবং ১৭৪টি ঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সহস্রাধিক মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাবাজারের খালের উপর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাংলাবাজারের খালের উপর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
বাংলাবাজারের খালের উপর গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। ছবি: বার্তা২৪.কম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে খালের উপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজারের খালের উপর গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

জানা যায়, বাংলাবাজারের পশ্চিম পাশে কচ্ছপদের বাড়ি থেকে পূর্ব বাজার স্কুল গেইট পর্যন্ত ওই খালের উপর বেশ কয়েকটি স্থাপনা নির্মাণ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার দুপুরে বাজারের জিরোপয়েন্ট থেকে স্কুল গেইট পর্যন্ত অন্তত ১০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563278483803.jpg

এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে খালের উপর গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। যেগুলো বাকি রয়েছে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে উচ্ছেদের ব্যবস্থা করা হবে।

পাসপোর্ট করতে এসে ভুয়া বাবাসহ রোহিঙ্গা নারী আটক

পাসপোর্ট করতে এসে ভুয়া বাবাসহ রোহিঙ্গা নারী আটক
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

কক্সবাজারে পাসপোর্ট করতে এসে ভুয়া বাবাসহ এক রোহিঙ্গা নারীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- রোহিঙ্গা নারী ছেনুয়ারা বেগম (২১) ও আমির হোসেন। ছেনুয়ারা জামতলী রোহিঙ্গা শিবিরের কামাল উদ্দিনের মেয়ে। আর আমির চকরিয়ার খুটাখালীর পূর্ব হাজীপাড়ার বাক্কুম এলাকার ফজল আলীর ছেলে।

Cox's Bazar Rohinga

কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবু নঈম মাসুম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, আমির হোসেনের আসল মেয়ের নাম ফাতেমা খাতুন। ওই নামে ছেনুয়ারাকে ফাতেমার সব ডকুমেন্ট দিয়ে পাসপোর্ট করতে আনেন আমির। কিন্তু সন্দেহ হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে ছেনুয়ারা নিজেকে রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করেন। পরে দুইজনকে আটক করে পুলিশ।

এবিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র