Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

সোমবার বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ

সোমবার বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বেনাপোল(যশোর)


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে নিরাপত্তা জনিত কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের সাথে সব ধরণের পণ্যের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকছে। তবে এ পথে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীর যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে বলে জানা গেছে।

সোমবার (৬ মে) সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দুই দেশের পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার সকাল থেকে যথারীতি বন্দরের কার্যক্রম আবার স্বাভাবিক হবে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক ভারতের নির্বাচন উপলক্ষে এ পথে বাণিজ্য বন্ধ থাকার বিষয়টি বার্তা২৪কে নিশ্চিত করে বলেন, এমন খবর ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আমাদের মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তবে এ পথে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল কাস্টমসে পণ্য খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকছে বলেও জানান তিনি।

ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরের রফতানিকারক রেজাউল ইসলাম বার্তা২৪কে জানান, ৬ মে ২৪পরগনার বনগাঁ ও ব্যারাকপুর কেন্দ্রের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই ভোট উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এদিন পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বেনাপোল বন্দরের সাথে আমদানি রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার(০৭মে) সকাল থেকে পুনরায় এপথে বাণিজ্য স্বাভাবিক হবে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানি-রফতানি বন্ধের পাশাপাশি সীমান্তের অবৈধ পথে যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সে দিকে সীমান্তরক্ষী বিএসএফ যেমন নিরাপত্তা জোরদার করেছে তেমনি বৈধ পথে যেন পাসপোর্ট যোগে কোন দ্বৈত নাগরিক ভোট প্রয়োগের জন্য প্রবেশ করতে না পারে সেদিকেও সতর্ক রয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, এমন অনেক বাংলাদেশি আছেন যারা সুবিধা ভোগ করতে একই সাথে ভারতীয় নাগরিকও হয়েছেন। নাগরিকতা ঠিক রাখতে নির্বাচন এলে তারা ভোট দিতে যায় ভারতে। ভারতীয় ইমিগ্রেশনের নজরদারির কারণে দ্বৈত নাগরিক প্রায়ই সেখানে আটক হচ্ছেন। এমন কেউ যাতে পাসপোর্ট নিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে না পারে এ জন্য ভারতীয় ইমিগ্রেশন আরও এক সপ্তাহ আগে থেকে যাত্রীদের উপর নজরদারি রেখে চলেছে। সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদ করে তবেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

মহেশপুরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী নিহত

মহেশপুরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী নিহত
আটক স্বামী আব্দুল কুদ্দুস, ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়নের সেজিয়া গ্রামে স্ত্রী ফিরোজা খাতুনকে (৪০) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ স্বামীকে আটক করেছে। শনিবার (১৭ আগস্ট) মধ্যরাতে সেজিয়া গ্রামের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

মহেশপুর থানার ওসি রাশিদুল আলম জানান, শনিবার মধ্যরাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী ফিরোজাকে কুপিয়ে হত্যা করে আব্দুল কুদ্দুস। পরে সকালে নিজেই প্রতিবেশীদের খবর দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আব্দুল কুদ্দুসকে আটক করে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। আব্দুল কুদ্দুস পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রী। সে প্রায় নেশা করতো বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

দেশে আনা হলো কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ

দেশে আনা হলো কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ
বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ভারতের কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া ও মাঈনুল আলমের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টায় ভারতের পেট্রাপোল ও বাংলাদেশের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ দুটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার চান্দুর গ্রামের মুন্সি আমিনুল ইসলামের মেয়ে। তিনি বাবা মায়ের দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছিলেন। তার মৃতদেহ গ্রহণ করেন চাচাতো ভাই আবু ওবায়দা শাফিন। ফারজানা ইসলাম তানিয়া সিটি ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে রাজধানীর ধানমণ্ডি শাখায় কর্মরত ছিলেন।

অপরদিকে মাঈনুল আলম ঝিনাইদহের ভুটিয়ারগাতি গ্রামের কাজী খলিলুর রহমানের ছেলে। তিনি গ্রামীণ ফোনের এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার মৃতেদহ গ্রহণ করেন চাচাতো ভাই জিহাদ আলী।

নিহতদের স্বজনরা জানান, চিকিৎসার উদ্দেশে তারা গত ১৪ আগস্ট কলকাতায় যান। পরে ১৬ আগস্ট ফারজানা, মাঈনুল ও তাদের এক সহকর্মী শফিউল্লাহ সহ তারা তিন জন কলকাতার সেক্সপিয়র সরণিতে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সিএনজির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566099097478.jpg
কলকাতায় নিহত মাঈনুল আলম ও ফারজানা ইসলাম তানিয়া/ ছবি: সংগৃহীত

 

এ সময় দুই দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা দুটি প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি প্রাইভেট কার উল্টে তাদের গায়ের ওপর এসে পড়ে। এ সময় গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন ফারজানা, মাঈনুল। আহত হন অপরজন শফি উল্লাহ।

শফি উল্লাহ জানান, কপালের জোরে তিনি বেঁচে গেছেন। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এমন ঘটনার জন্য তিনি ভারত সরকারের কাছে বিচার দাবি করেন।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, ‘মৃতদেহ দুটির কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করে তাদের পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে, মৃতদেহ দুটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছালে তা দেখতে শত শত মানুষের ভিড় জমে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র