Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

নেত্রকোনায় ধানখলায় সংঘর্ষে আহত কৃষকের মৃত্যু

নেত্রকোনায় ধানখলায় সংঘর্ষে আহত কৃষকের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নেত্রকোনা


  • Font increase
  • Font Decrease

নেত্রকোনায় ধানখলায় (ধান শুকানোর স্থান) মাটি কাটা নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত কৃষক আক্কাস মিয়া (৫০) মারা গেছেন। সোমবার (৬ মে) সকালে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

বার্তা২৪.কমকে ওসি জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নেওয়ার পথে রোববার (৫ মে) রাত ১২টার দিকে আক্কাস মিয়া মারা যান।

এর আগে বিকালে সদর উপজেলার কেগাতী ইউনিয়নের কর্ণখলা গ্রামে ধানের খলায় মাটি কাটা নিয়ে কৃষক আক্কাস মিয়া ও একই গ্রামের কৃষক সিদ্দিক মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আক্কাস মারাত্মকভাবে আহত হন।

নিহত কৃষক আক্কাস মিয়া কর্ণখলা গ্রামের মৃত নাদির জামাল খার ছেলে।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কর্ণখলা গ্রামের সিদ্দিক ও তার মা শাহারা খাতুনকে আটক করেছে মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না কানাই লাল শর্মার

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না কানাই লাল শর্মার
কানাই লাল শর্মা। ছবি: সংগৃহীত

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না সাঁতারু ডা. কানাই লাল শর্মার। ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক লালদিঘিতে ৯০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট সাঁতার কেটে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করেছিলেন তিনি।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কানাই লাল শর্মা।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে। দুপুর আড়াইটার সময় কুষ্টিয়া মহাশ্মশানে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

১৯৩০ সালের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কানাইলাল শর্মা। তার বাবা স্বর্গীয় অভিমন্যু শর্মা। কানাইলাল শর্মা পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। কুষ্টিয়া শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। তার স্বপ্ন ছিল সাঁতারে গিনেস বুকে নাম লেখাবেন। তবে তার সে স্বপ্ন পূরণ হলো না।

আরও পড়ুন: গিনেস বুকে নাম লেখাতে চান কানাই লাল শর্মা

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় নড়াইলে দিন দিন শসার আবাদ বাড়ছে। অন্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় শসা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এখানকার কৃষকরা।

জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার আগদিয়া, বিছালী, মুসুড়ি, মুলিয়া, শেখহাটিসহ অন্তত ১০ গ্রামের কৃষকরা শসা চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। পেয়েছেন আর্থিক সচ্ছলতা, হয়েছেন স্বাবলম্বী।

শসা আবাদে জমি-মাচা তৈরি করা সহ এক একর জমিতে খরচ হয় ৪০-৫০ হাজার টাকা। সেখানে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার শসা উৎপাদিত হয়। প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৪শ থেকে ৫শ টাকা। আর সেখানে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার শসা উৎপাদিত হয়। বীজ রোপণের ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা শুরু হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194706129.jpg

এদিকে আবাদ ভালো হওয়ায় গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠেছে শসা কেনাবেচার মৌসুমি আড়ত। কৃষকরা ক্ষেত থেকে শসা তুলে এনে আড়তে বিক্রি করছেন। এতে বেকার যুবক-নারীদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে এখানকার শসা।

আকদিয়া গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ধান বা পাট চাষে লাভ হয় না। ধান বা পাটের তুলনায় শসা চাষে ৩-৪ গুণ বেশি লাভ হয়। তাই শসা চাষ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পাইকারি প্রতি কেজি শসা বর্তমানে ৩০-৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিছালী গ্রামের তপন বিশ্বাস জানান, শষা চাষে প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৫শ থেকে ৬শ টাকা। আর খরচ বাদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194764291.jpg

যশোর থেকে আসা পাইকারি শসা ক্রেতা আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এখানকার শসা কিনে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করি। বর্তমানে পাইকারি প্রতি মণ শসা ১২শ থেকে ১৩শ টাকা দরে ক্রয় করে নিয়ে যাই। পরে ১৭শ থেকে ১৮শ টাকা দরে তা বিক্রি করি।’

নড়াইল শহরের রুপগঞ্জ বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী বিন্দু বিশ্বাস জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে।

নড়াইল সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, জেলায় এ বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় অনেকেই শসা চাষে আগ্রহী হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র