Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত
হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ছবি: বার্তা২৪.কম
মোসলেম উদ্দিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
হিলি (দিনাজপুর)


  • Font increase
  • Font Decrease

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুয়ের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের একমাত্র ভরসা হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। প্রতিদিন এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ রোগী সেবা নিতে আসে। কিন্তু চিকিৎসক সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

২০১৬ সালে ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি ।

হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ১৩ জন চিকিৎসকের বিপরীতে রয়েছে মাত্র ছয়জন চিকিৎসক। এর মধ্যে তিনজন অন্যত্র প্রেষণে রয়েছেন। তারা হলেন- ডা. রশিদুল হক, ডা. আহসান হাবিব ও ডা. ওয়াসিব হোসেন।

বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল জব্বার, ডা. রুপা সাহা ও শাকিল মাহমুদ। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

এদিকে প্রসূতি বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক নেই। এর ফলে গর্ভবতী মায়েদের ক্লিনিকগুলোতে গিয়ে সেবা নিতে হয়। এতে গরিব মায়েদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এছাড়া ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোরও একই চিত্র।

হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. আব্দুল জব্বার বার্তা২৪.কমকে জানান, চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে বেশ কয়েকবার জানানো হয়েছে। বারবার জানানোর পরও নতুন জনবল নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন :

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় নড়াইলে দিন দিন শসার আবাদ বাড়ছে। অন্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় শসা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এখানকার কৃষকরা।

জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার আগদিয়া, বিছালী, মুসুড়ি, মুলিয়া, শেখহাটিসহ অন্তত ১০ গ্রামের কৃষকরা শসা চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। পেয়েছেন আর্থিক সচ্ছলতা, হয়েছেন স্বাবলম্বী।

শসা আবাদে জমি-মাচা তৈরি করা সহ এক একর জমিতে খরচ হয় ৪০-৫০ হাজার টাকা। সেখানে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার শসা উৎপাদিত হয়। প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৪শ থেকে ৫শ টাকা। আর সেখানে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার শসা উৎপাদিত হয়। বীজ রোপণের ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা শুরু হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194706129.jpg

এদিকে আবাদ ভালো হওয়ায় গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠেছে শসা কেনাবেচার মৌসুমি আড়ত। কৃষকরা ক্ষেত থেকে শসা তুলে এনে আড়তে বিক্রি করছেন। এতে বেকার যুবক-নারীদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে এখানকার শসা।

আকদিয়া গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ধান বা পাট চাষে লাভ হয় না। ধান বা পাটের তুলনায় শসা চাষে ৩-৪ গুণ বেশি লাভ হয়। তাই শসা চাষ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পাইকারি প্রতি কেজি শসা বর্তমানে ৩০-৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিছালী গ্রামের তপন বিশ্বাস জানান, শষা চাষে প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৫শ থেকে ৬শ টাকা। আর খরচ বাদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194764291.jpg

যশোর থেকে আসা পাইকারি শসা ক্রেতা আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এখানকার শসা কিনে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করি। বর্তমানে পাইকারি প্রতি মণ শসা ১২শ থেকে ১৩শ টাকা দরে ক্রয় করে নিয়ে যাই। পরে ১৭শ থেকে ১৮শ টাকা দরে তা বিক্রি করি।’

নড়াইল শহরের রুপগঞ্জ বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী বিন্দু বিশ্বাস জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে।

নড়াইল সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, জেলায় এ বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় অনেকেই শসা চাষে আগ্রহী হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু
ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রফতানি শুরু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (১৯ আগস্ট) থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফিতানি শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে গত ৯ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটি সহ মোট দশদিন বন্দরে সকাল প্রকার পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

তবে বন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র