Alexa

কার ভুলে ৬৮ শিক্ষার্থী ফেল?

কার ভুলে ৬৮ শিক্ষার্থী ফেল?

চালিতাতলা সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ছবি: বার্তা২৪.কম

নড়াইলের আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) বিষয়ের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার নম্বর যোগ না হওয়ায় চালিতাতলা সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬৮ জন পরীক্ষার্থীকে ফেল দেখানো হয়েছে। কার ভুলে এমন হয়েছে? এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সদর উপজেলার চালিতাতলা সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল মোট ৭৭ জন। এর মধ্যে নিয়মিত ৭১ এবং অনিয়মিত ছিল ৬ জন।

সোমবার (৬ মে) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এর মধ্যে অনিয়মিত ৬ জন এবং নিয়মিত ৩ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। বাকিদের ফেল দেখানো হয়েছে।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধ্রুব কুমার ভদ্র জানান, স্কুল থেকে যথাসময়ে আইসিটি প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করে নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার নম্বরপত্র বোর্ডে পাঠানোর কথা। কিন্তু পরীক্ষার নম্বরপত্র বোর্ডে পাঠানো হয়নি।

তিনি জানান, নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের সবারই আইসিটি ছিল, তাদের মধ্যে তিনজনের প্র্যাকটিক্যাল নম্বর বোর্ডে পাঠানো হয়েছে এবং তারা সবাই ভালো ফলাফল করেছে। বাকিদের নম্বরপত্র পাঠানো হয়নি। ফলে ফলাফলে ৬৮ জন শিক্ষার্থীকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ফেল দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানিয়েছি। আইসিটিতে সবাই পাস করলে ফেলের সংখ্যা থাকবে মাত্র পাঁচজন।’

নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং কেন্দ্র সচিব মহিতোষ কুমার দে বলেন, ‘প্রত্যেক স্কুল বিভিন্ন পরীক্ষার প্র্যাকটিক্যাল নম্বর তৈরি করে স্ব স্ব কেন্দ্রে পাঠায়। কেন্দ্র এই নম্বরপত্র বোর্ডে পাঠায়। আমরাও নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে এই নম্বর বোর্ডে পাঠিয়েছি। তিন জনের নম্বর আপলোড হলেও বাকিদের হয়নি। কেন হয়নি, তা আমাদের ভুলও হতে পারে। আবার সার্ভারের সমস্যাও হতে পারে। আগামীকাল মঙ্গলবার আইসিটি পরীক্ষার ফলাফলের নম্বরপত্র নিয়ে বোর্ডে যাব। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না। সব ঠিক হয়ে যাবে।’

জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর আমি ওই কেন্দ্রে যাই এবং যশোর বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। কর্তৃপক্ষ কেন্দ্র সচিব এবং চালিতাতলা সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে বোর্ডে যেতে বলা হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :