Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কোটিপতির ছেলে আগুন দিল ফলের দোকানে

কোটিপতির ছেলে আগুন দিল ফলের দোকানে
ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নোয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

টাকা অনেক সময় মানুষকে মানবিক করে, আবার টাকার গরম সহ্য করতে না পারলে সে টাকা মানুষকে অমানুষেও পরিণত করে। সে রকম অমানুষদের পদতলে পিষ্ট হতে হয় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের। এমনই এক টাকার মালিকের রোষানলে পুড়তে হল নোয়াখালীর বসুরহাটের ফল ব্যবসায়ী মিলনকে।

বসুরহাটের কোটিপতি স্বর্ণ ব্যবসায়ী আপন জুয়েলার্সের মালিক জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. শাহেদের দেয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মিলনের ফলের দোকান। পাশাপাশি এ আগুনে পুড়ে গেছে মিলনের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/07/1557243542917.gif

মঙ্গলবার (৭ মে) দুপুর ২টায় বসুরহাটে আপন জুয়েলার্সের সামনে থেকে ব্যবসায়ী মিলনকে উচ্ছেদ করার জন্য তার ফলের দোকানে পেট্রল ঢেলে আগুন দেয় শাহেদ। পরবর্তীতে সংবাদ পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পুলিশ শাহেদকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ফল ব্যবসায়ী জানান, শাহেদের এ উদ্ধতপূর্ণ আচরণের বিচার হবে কী? নাকি টাকার কাছে সব ম্যানেজ হয়ে যাবে? পুলিশ তাকে কোনো বিচার ছাড়া ছেড়ে দিলে এ গরিব মানুষগুলোর প্রতি আরও বেশি অত্যাচার বেড়ে যাবে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে শাহেদ একটি ফলের দোকানে আগুন দিয়েছে। তবে এ ঘটনায় দুই পক্ষের মাঝে সমঝোতা করে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

‘কাঙাল হরিনাথ শুধু কুমারখালীর নন, সারা দেশের’

‘কাঙাল হরিনাথ শুধু কুমারখালীর নন, সারা দেশের’
কাঙাল হরিনাথের জন্মবার্ষিকীতে কুমারখালীতে আলোচনা সভায় বক্তারা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

‘সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙাল হরিনাথ শুধু কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, তিনি ছিলেন সারা বাংলার। গ্রামীণ সাংবাদিকতার প্রবাদ পুরুষ কাঙাল হরিনাথের সংবাদপত্র ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র। তাঁর সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠাই একজন প্রকৃত নির্ভীক সাংবাদিকের আদর্শ হওয়া উচিত।’

শনিবার (২০ জুলাই) বিকালে কাঙাল হরিনাথ স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ।

তিনি বলেন, ‘কাঙাল হরিনাথের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী কেবল কুমারখালীতে ছোট পরিসরেই সীমাবদ্ধ থাকে। আগামীতে এই অনুষ্ঠান ব্যাপক আকার পালন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

সভায় জাতীয় জাদুঘরের সচিব মো: আবদুল মজিদ বলেন, ‘কুমারখালী-কুষ্টিয়া মানেই মীর মশাররফ, লালন ও সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙাল হরিনাথের জেলা। এ জেলায় এ মণীষীরা জন্মগ্রহণ করায় কুষ্টিয়া জেলাবাসী ধন্য।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563632205418.gif

প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর মালিক সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সেই এমএন প্রেসকে কেন্দ্র করে শুধু জাদুঘর নির্মাণ করা হলেও এই জাদুঘরে সেই প্রেসটি নেই।’

শীঘ্রই হরিনাথ মজুমদারের প্রেসটি এই জাদুঘরে রাখার জন্য স্থানীয় এমপিকে অনুরোধ জানান তিনি।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে সভায় আলোচক ছিলেন ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক আবুল আহসান চৌধুরী, সরকারি মুজিব নগর কলেজের অধ্যক্ষ স্বপন রায়, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল মো: আনছার হোসেন, কাঙাল হরিনাথ স্মৃতি জাদুঘর পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদর্শক প্রভাষক সৈয়দ এহসানুল হক প্রমুখ।

সভা শেষে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে ও কাঙ্গাল হরিনাথ রচিত গান পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর আগে অতিথিরা কাঙাল হরিনাথের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

কোমর পানিতে দাঁড়িয়ে ত্রাণ সংগ্রহ

কোমর পানিতে দাঁড়িয়ে ত্রাণ সংগ্রহ
ত্রাণ নিচ্ছে বন্যার্তরা।ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে ১ লাখ ১৯ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। ওই উপজেলায় তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। ত্রাণ পেতে তারা চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছেন এলাকার মেম্বার, চেয়ারম্যান কিংবা বিভিন্ন দলীয় নেতাকর্মীর দিকে।

ইতোমধ্যে উপজেলার জুমারবাড়ি ও হলদিয়া ইউনিয়নের প্লাবিত গ্রামের ৩ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ হিসেবে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। যা ছিল চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। ওই ত্রাণের প্যাকেটের মধ্যে চিড়া, গুড় ও খাবার স্যালাইন ছিল।

শনিবার (২০ জুলাই) দিনব্যাপী সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ি ইউনিয়নের মাদরাসা মাঠে ওই ত্রাণ বিতরণ করা হয়। বন্যার্তরা কোমর পানিতে দাঁড়িয়ে ত্রাণ সংগ্রহ করে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহামুদ হাসান রিপনের অর্থায়নে ও আওয়ামী লীগ সাঘাটা-ফুলছড়ি উপজেলা শাখার উদ্যোগে তিন হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহামুদ হাসান রিপন বলেন, ‘সাঘাটা উপজেলার অনেকগুলো গ্রাম এখনো পানির নিচে তলিয়ে আছে। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাঘাটার অসহায় বন্যার্ত মানুষদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। তাদের দুঃখ কষ্ট ভাগাভাগি করতে প্রতিনিয়ত খোঁজ নিচ্ছি। এই উপজেলার বন্যার্তদের খাদ্য সংকট দূর করতে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত থাকবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ওয়ারেছ আলী প্রধান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শামসীল আরেফিন টিটু প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র