Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

শাহজাদপুরের কাছারি বাড়িতে ২ দিনব্যাপী রবীন্দ্র স্মরণ উৎসব

শাহজাদপুরের কাছারি বাড়িতে ২ দিনব্যাপী রবীন্দ্র স্মরণ উৎসব
কাছারি বাড়ির প্রধান ফটক, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
সিরাজগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর কাছারি বাড়িতে বুধবার (৮ মে) থেকে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে। রবীন্দ্র কাছারি বাড়িতে ধোয়া, মোছা, গেট নির্মাণ, রংতুলি দিয়ে আঁকা বিভিন্ন শৈল্পিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন আয়োজিত শাহজাদপুর রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি মিলনায়তনে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই ‘রবীন্দ্র স্মরণ উৎসব’ -এর আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নানা আয়োজন থাকছে দুইদিনের এই উৎসবে। 

বুধবার উৎসবের উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বৃহস্পতিবার (৯ মে) সমাপনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা হাসিবুর রহমান স্বপন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।  

বার্তা২৪ barta24
রবীন্দ্রনাথের কাছারিবাড়ি, ছবি: বার্তা২৪

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হুসেইন খান জানান, দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে- শিশু কিশোরদের চিত্রাঙ্কন, নৃত্যানুষ্ঠান, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, বইমেলা, আলোচনা সভা, প্রবন্ধ আলোচনা, কবিগুরুর বিভিন্ন আঙ্গিকের কবিতা, গান, গীতিনৃত্যনাট্য এবং নাটকের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী।

উল্লেখ্য, তিন তৌজির অন্তর্গত ডিহি শাহ্জাদপুরের জমিদারি এক সময় নাটোরের রাণী ভবানীর অংশ ছিল। ১৮৪০ সালে শাহ্জাদপুরের জমিদারি নিলামে উঠলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ১৩ টাকা ১০ আনায় এই জমিদারি কিনে নেন। সেই সাথে শাহ্জাদপুরের কাছারি বাড়িটিও ঠাকুর পরিবারের হস্তগত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ১৮৯০ থেকে ১৮৯৭ পর্যন্ত মাত্র আট বছর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শাহ্জাদপুরে জমিদারি দেখাশোনার কাজে মাঝে মাঝে আসতেন এবং সাময়িকভাবে বসবাস করতেন।

শাহ্জাদপুরের এ কাছারি বাড়িটি ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত ৩১ দরজা বিশিষ্ট একটি দোতলা ভবন। প্রায় দশ বিঘা জমির উপরে ভবনটির দৈর্ঘ্য ২৬ দশমিক ৮৫ মিটার ও প্রস্থ ১০ দশমিক ২০ মিটার। উচ্চতায় ৮ দশমিক ৭৪ মিটার। ভবনটির প্রতি তলায় সিঁড়িঘর ব্যতীত বিভিন্ন আকারের সাতটি ঘর রয়েছে। ভবনটির উত্তর-দক্ষিণে একই মাপের বারান্দাও আছে।

নিচতলার পশ্চিম দিকের ঘরটিতে ছিল কবির লাইব্রেরি। বর্তমান উত্তর দিকের বারান্দা দিয়ে ঢুকেই প্রথম যে ঘরটি সেখানেই কাছারি বাড়ির লাইব্রেরি। বাড়ির সামনে ফুলের বাগান। পাশেই রয়েছে ৬০০ আসনবিশিষ্ট ‘রবীন্দ্র স্মৃতি অডিটোরিয়াম’। 

আরও পড়ুন: ‘রবীন্দ্রনাথের আদর্শ ধারণ করে জঙ্গিবাদমুক্ত দেশ গড়তে হবে’

আপনার মতামত লিখুন :

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় নড়াইলে দিন দিন শসার আবাদ বাড়ছে। অন্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় শসা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এখানকার কৃষকরা।

জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার আগদিয়া, বিছালী, মুসুড়ি, মুলিয়া, শেখহাটিসহ অন্তত ১০ গ্রামের কৃষকরা শসা চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। পেয়েছেন আর্থিক সচ্ছলতা, হয়েছেন স্বাবলম্বী।

শসা আবাদে জমি-মাচা তৈরি করা সহ এক একর জমিতে খরচ হয় ৪০-৫০ হাজার টাকা। সেখানে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার শসা উৎপাদিত হয়। প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৪শ থেকে ৫শ টাকা। আর সেখানে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার শসা উৎপাদিত হয়। বীজ রোপণের ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা শুরু হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194706129.jpg

এদিকে আবাদ ভালো হওয়ায় গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠেছে শসা কেনাবেচার মৌসুমি আড়ত। কৃষকরা ক্ষেত থেকে শসা তুলে এনে আড়তে বিক্রি করছেন। এতে বেকার যুবক-নারীদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে এখানকার শসা।

আকদিয়া গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ধান বা পাট চাষে লাভ হয় না। ধান বা পাটের তুলনায় শসা চাষে ৩-৪ গুণ বেশি লাভ হয়। তাই শসা চাষ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পাইকারি প্রতি কেজি শসা বর্তমানে ৩০-৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিছালী গ্রামের তপন বিশ্বাস জানান, শষা চাষে প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৫শ থেকে ৬শ টাকা। আর খরচ বাদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194764291.jpg

যশোর থেকে আসা পাইকারি শসা ক্রেতা আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এখানকার শসা কিনে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করি। বর্তমানে পাইকারি প্রতি মণ শসা ১২শ থেকে ১৩শ টাকা দরে ক্রয় করে নিয়ে যাই। পরে ১৭শ থেকে ১৮শ টাকা দরে তা বিক্রি করি।’

নড়াইল শহরের রুপগঞ্জ বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী বিন্দু বিশ্বাস জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে।

নড়াইল সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, জেলায় এ বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় অনেকেই শসা চাষে আগ্রহী হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু
ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রফতানি শুরু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (১৯ আগস্ট) থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফিতানি শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে গত ৯ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটি সহ মোট দশদিন বন্দরে সকাল প্রকার পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

তবে বন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র