Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

টেন্ডার ছাড়াই হাসপাতালের কাজ সারল মানিকগঞ্জ গণপূর্ত!

টেন্ডার ছাড়াই হাসপাতালের কাজ সারল মানিকগঞ্জ গণপূর্ত!
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতাল / ছবি: বার্তা২৪
খন্দকার সুজন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মানিকগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

তৈরি হয়নি কাজের পরিপূর্ণ চাহিদাপত্র। নেই কোনো পরিকল্পনা। দেওয়া হয়নি কোনো টেন্ডারও। এরই মধ্যে দায়সারা গোছে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের ভবনে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের কাজ সম্পন্ন করল মানিকগঞ্জ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগ।

তবে জেলা হাসপাতালের ওই ভবনে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থাপন বা পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো কিছু জানা নেই হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তাদের। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহারের বিষয়েও হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর নেই দক্ষতা। এ বিষয়ে হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়কের নিকটও নেই স্পষ্ট তথ্য।

সরেজমিনে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আটতলা বিশিষ্ট ভবনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি ভবনেই রয়েছে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের। পুরাতন যন্ত্রগুলো আগের জায়গায় রয়েছে ঠিক আগের মতোই। অগ্নিনির্বাপকের বোতলগুলোও পুরাতন। বোতলের গায়ে লাগানো স্টিকারের বদল হয়েছে মাত্র। পুরাতন স্টিকার উঠিয়ে লাগানো হয়েছে নতুন স্টিকার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/09/1557377616139.jpg
হাসপাতালে ঝুলছে পুরাতন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র / ছবি: বার্তা২৪

 

এদিকে হাসপাতালের পুরাতন দ্বিতল ভবনে নেই কোনো পরিবর্তন। মেয়াদ উত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রই ঝুলানো রয়েছে হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায়। তবে পুরো হাসপাতালে কয়টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র প্রয়োজন বা কয়টি আছে এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগ বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট নেই কোনো তথ্য।

মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. লুৎফর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, হাসপাতালের মোট কয়টি অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র লাগানো রয়েছে বা মোট কতগুলো যন্ত্র প্রয়োজন সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। আর হাসপাতালের নতুন ভবনে গণপূর্ত বিভাগ পুরাতন বোতলে নতুন করে যে গ্যাস রিফিল করেছে সে বিষয়েও কোনো তথ্য নেই।

মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল আওয়াল বার্তা২৪.কমকে জানান, হাসপাতালের নতুন বা পুরাতন ভবনে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রিফিলের বিষয়ে তার নিকট স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/09/1557377642432.jpg
পুরাতন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে নতুন স্টিকার / ছবি: বার্তা২৪

 

হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী অগ্নিনির্বাপক ওই যন্ত্রের ব্যবহার সর্ম্পকে অভিজ্ঞ নয় বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এস.এম আব্দুস সালাম বার্তা২৪.কমকে জানান, মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনে ৬৪টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় পুরাতন ওই বোতলগুলোর মধ্যে নতুন করে গ্যাস রিফিল করে দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো টেন্ডার বা চাহিদা দেওয়া হয়নি।

নিজের পরিচিত এক ব্যক্তিকে দিয়ে ওই কাজ করানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, টেন্ডারের পর যে ব্যক্তি কাজ পাবে তার সঙ্গে আপোষের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

তবে হাসপাতালের নতুন ভবনে কত টাকা ব্যয়ে অগ্নিনির্বাপকের ওই কাজ করা হয়েছে সেই বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

এ বিষয়ে জানতে একাধিক কর্ম দিবসে মানিকগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগে যোগাযোগ করেও নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুব মোর্শেদ সোহেলের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে কয়েকবার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে ইশরাত (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আকরতমা গ্রামের একটি মসজিদের পুকুর থেকে ডুবরিরা তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ইশরাত উপজেলার পানিয়ালা গ্রামের জলার বাড়ির ইমরান হোসেনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ইশরাতের বাবা-মা স্বপরিবারে আকরতমা গ্রামে ভুলুয়া বাড়ির নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বিকেলে সবার অগোচরে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পরে আত্মীয়-স্বজনরা বাড়ির পুুকুর ও আশপাশের এলাকায় খুঁজেও তাকে পায়নি। কোথাও না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে যায় পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে এর আগেই রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুরের ডুবরির দল প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা করে পুকুর থেকে ইশরাতের ডুবন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা থানায় জিডি করার জন্য এসেছিল। জিডি নথিভূক্ত করার আগেই ডুবরিরা পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।

সালিশ থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পাগলা পুলিশ

সালিশ থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পাগলা পুলিশ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

স্কুল ছাত্রীর ধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে অনুষ্ঠিত গ্রাম্য সালিশ থেকে দিলু মিয়া (২৬) নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহের পাগলা থানার পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে পাগলার মশাখালী ইউনিয়নের দড়িচাইর বাড়িয়া গ্রাম থেকে দুই সন্তানের জনক ও মামলার প্রধান আসামী দিলু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুজ্জামান।

এ বিষয়টি মামলার তদন্ত অফিসার ফয়েজুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, দড়িচাইর বাড়িয়া গ্রামের শাহজাহান কবীরের বাড়ির ধর্ষণ মামলার সমঝোতা সালিশের আয়োজন করে স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী ও বদরুজ্জামান বুইদ্যা। সেখান থেকে দিলুকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, সোমবার বিকেলে মশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রীকে (১৩) বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে একই গ্রামের দিলু মিয়া ও আমিরুল ইসলাম। এরপর রাতেই ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে পাগলা থানায় দু’জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে।

মঙ্গলবার পুলিশ হেফাজতে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন করা হয়। বুধবার ঘটনাটি মিমাংসার জন্য ইউপি সদস্যসহ ১০-১২ জন ধর্ষিতার পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে। উপায় না পেয়ে ধর্ষিতার পরিবার সালিশ বৈঠকে বসে। ওই বৈঠক থেকে আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র