Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

সাভারে সিসা কারখানার বিষক্রিয়ায় হুমকিতে পরিবেশ

সাভারে সিসা কারখানার বিষক্রিয়ায় হুমকিতে পরিবেশ
সাভারে সিসা কারখানার বিষক্রিয়ায় হুমকিতে পরিবেশ, ছবি: বার্তা২৪.কম
মাহিদুল মাহিদ
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
সাভার


  • Font increase
  • Font Decrease

সাভারের আশুলিয়ায় পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়াই গড়ে উঠেছে পরিত্যক্ত ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির কারখানা। এসব কারখানা থেকে প্রতিনিয়ত বাতাসে মিশছে রাসায়নিক বিষ। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে আশপাশের পরিবেশে। ফলে হুমকিতে রয়েছে ওই এলাকার গাছপালা, ফল ও জৈববৈচিত্র।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কারখানার রাসায়নিক বিষক্রিয়ায় বেশ কয়েকটি গরু মারা গিয়েছে। থানা পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আশুলিয়া ইউনিয়নের শ্রীখন্ডিয়া ও দূর্গাপুর এলাকায় ঝোপঝাড়ের মধ্যে গড়ে উঠেছে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির ১৫টি কারখানা। অসাধু ব্যক্তিরা প্রভাব খাটিয়ে খোলা আকাশের নিচে এসব কারাখানা গড়ে তুলেছে। শ্রীখন্ডিয়া এলাকার প্রভাবশালী আমজাদ হোসেনের মালিকানাধীন জায়গায় অবৈধভাবে সিসা কারখানা গড়ে তুলেছেন সজিব ও সুমন নামে দুই ব্যক্তি। পাশের গ্রাম দূর্গাপুরে আজাদ ও রেদওয়ান নামে আরও দুই ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে গড়েছেন বেনামী আরও দুটি অবৈধ কারখানা।

সাভারে সিসা কারখানার বিষক্রিয়ায় হুমকিতে পরিবেশ

স্থানীয় ইব্রাহিম হোসেন অভিযোগ করে বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘গত ছয়-সাত মাসে অবৈধভাবে এলাকায় কয়েকটি সিসা কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। এসব কারখানায় রাতে পরিত্যক্ত ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি করা হয়। সেখান থেকে নির্গত ধোঁয়ার বিষাক্ত রাসায়নিক আশপাশে ছড়িয়ে পড়ায় গাছপালা শুকিয়ে যাচ্ছে। এমনকি গাছের ফল আম ও কাঁঠাল পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া নির্গত রাসায়নিক ঘাসের ওপর পড়ায় ওই ঘাস খেয়ে গবাদি পশু নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।'

থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বার্তা২৪.কম-কে জানান, অবৈধ সিসা কারখানার কারণে এলাকায় বসবাস করা কষ্টকর। গত কয়েক দিনে কয়েকটি গরু রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। কিন্তু প্রশাসন এসব বিষয়ে নজর দেয়নি। কারণ পুলিশ অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে অসাধু ব্যবসায়ীদের সহায়তা করছে।

সাভারে সিসা কারখানার বিষক্রিয়ায় হুমকিতে পরিবেশ

শ্রীখন্ডিয়া এলাকার এক সিসা কারখানার মালিক সজিব, সুমন এবং দূর্গাপুর এলাকার আজাদ ও রেদওয়ান এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

আর আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক কামরুল ইসলাম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘থানার ওসি স্যারকে একটু ফোন দিয়ে বলে দেন। তাহলেই আমি ব্যাপারটি কঠোরভাবে তদন্ত করব।’

সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজুর রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘শ্রীখন্ডিয়া ও দূর্গাপুর এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা সিসা কারখানার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে শিগগিরই অবৈধ কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে মোটরসাইকেলে পিষ্ট হয়ে মোঃ সাদ হোসেন (১০) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে।

নিহত সাদ শিবচর উপজেলা গুপ্তেরচর নাজমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্র। সে দত্তপাড়া ইউনিয়নের গুপ্তেরচর গ্রামের মোঃ খাইরুল ইসলামের ছেলে। 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সূর্যনগর বাজার সংলগ্ন গুপ্তেরচর এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিল শিশু সাদ। তখন বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া মোটরসাইকেল তার শরীরের উপর উঠে যায়।

পরিবারের লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়। পরে রাত সাড়ে ১১টায় ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ, গতকাল (১৯ আগস্ট) দুপুর দেড় টায় একই রাস্তায় (ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক) মাত্র ২ কিলোমিটার ব্যবধানে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মোটরসাইকেল আরোহী শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবুল শিকদার (৫৫) নিহত হন।

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া
বরগুনায় ইলিশের বাজার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনায় বাজারগুলোতে জাটকার ছড়াছড়ি থাকলেও দেখা মিলছে না বড় ইলিশের। আর মাছ ধরার মৌসুম হলেও এসব জাটকা বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বরফ দেওয়া মাছও তাজা বলে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকটা বাধ্য হয়ে বেশি দাম দিয়েই জাটকা কিনতে হচ্ছে। আর মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, ঈদের পর হওয়ায় মাছের দাম একটু বাড়তি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245039647.jpg

 

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বরগুনার কয়েকটি মাছের বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, ১০ ইঞ্চির ছোট জাটকায় ভরে আছে বাজার। ছোট মাছ (২০০ গ্রামের কম) প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, মাঝারি (২৫০-৩০০ গ্রাম) ৮০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ টাকায়। আর এক কেজির বেশি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে দুই-তিন হাজার টাকা।

মাছ ক্রেতা রানী বেগম জানান, এক কেজি জাটকা কিনেছেন ৫০০ টাকায়। এক কেজিতে হয়েছে ৬টি ইলিশ। যা সাধারণ মাছের দামের চেয়ে তিনগুণ।

মাছ ব্যবসায়ী আবুল হোসেন জানান, ঈদের পর মাছের দাম একটু বেশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245068318.jpg

 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'গত নভেম্বর-জুন পর্যন্ত জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এখন অনেক ইলিশ ধরা পড়ছে।'

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ্ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মৎস্য আইন অমান্য করে জাটকা ইলিশ ধরলে ও তা বিক্রি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর আগামীকাল থেকে মাছের বাজারগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।' 

আরও পড়ুন, পটুয়াখালীতে জমে উঠেছে ইলিশের বাজার

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র