Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

গৃহবধূর গায়ে এসিড নিক্ষেপ করল ধর্ষণ মামলার আসামি

গৃহবধূর গায়ে এসিড নিক্ষেপ করল ধর্ষণ মামলার আসামি
হাসপাতালে ভর্তি গৃহবধূ ও আটককৃত অভিযুক্ত যুবক / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় ইয়াকুব আলী কাজল (২৩) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। কাজল ধর্ষণ মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে বেশ কয়েক মাস আত্মগোপনে ছিলেন বলে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) রাতে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধলা গ্রাম থেকে গাংনী থানা পুলিশ তাকে আটক করে। একই সঙ্গে গৃহবধূকে হাসাতালে ভর্তি করিয়েছে পুলিশ। কাজল গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের জালাল উদ্দীন হাবুর ছেলে।

গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্র নাথ সরকার জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে গৃহবধূ পুকুর থেকে গোসল করে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় রসিকতার ছলে পানি জাতীয় কিছু তার মুখ ও শরীরে ঢেলে দেয় কাজল। বিষয়টি প্রথম টের না পেলেও পরবর্তীতের এসিডের প্রতিক্রিয়া শুরু হলে গৃহবধূ ও তার পরিবার গোপন রেখেই পুলিশে জানায়। রাতেই কাজলকে আটক করা হয়।

গৃহবধূ অভিযোগ করে বলেন, ‘যাতায়াতের পথে বিভিন্ন সময় কাজল আমাকে লক্ষ্য করতো। সে আমাকে খুব পছন্দ করে এমন কথাবার্তা বলতো। আমি প্রতিবাদ করায় সে আমাকে এসিডে পুড়িয়ে দিয়েছে।’

গাংনী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার এমকে রেজা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এসিড বলেই মনে হচ্ছে। প্রথামিক চিকিৎসা চলছে। এসিড নিশ্চিতের জন্য স্কিন পরীক্ষা করা হবে।’

গাডাডোব গ্রামের স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা গাংনী থানা উপ পরিদর্শক (এসআই) মাহতাব উদ্দীন বলেন, ‘গেল বছরের ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ পূর্বক গণধর্ষণ করে কাজলসহ কয়েকজন। ওই ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে গাংনী থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার প্রধান আসামি হচ্ছে ইয়াকুব হোসেন জুয়েল। ঘটনার পর তারা আত্মগোপন করে।’

গাংনী থানার ওসি বলেন, ‘এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় গৃহবধূর পরিবার মামলা করছে। ধর্ষণ ও এসিড নিক্ষেপ মামলায় শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

পেকুয়ায় র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু নিহত

পেকুয়ায় র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু নিহত
কক্সবাজার, ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের পেকুয়ায় র‍্যাবের সঙ্গে জলদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধে কামাল হোসেন বাদশা (৩৩) নামের এক জলদস্যু নিহত হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ভোররাতে পেকুয়ার মগনামাঘাটে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাদশা চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কচুয়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। বাদশা দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গোপসাগরের বাঁশখালী চ্যানেল দিয়ে জলদস্যু বাহিনী পরিচালনা করে আসছিল।

সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইন কমান্ডার আজিম আহমেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে
রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মিয়ানমারের দেয়া প্রত্যাবাসনের তালিকায় যে সব রোহিঙ্গার নাম রয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে। তাদের মতামতের ওপর ভিত্তি করেই শুরু হবে প্রথমবারের মতো মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে কক্সবাজার টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা শিবিরে এ মতামত নেয়া শুরু হয়েছে।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছে, মূলত মিয়ানমার যাদের নাম দিয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে। তাদের মতামতের ওপর নির্ভর করছে আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের সূচনা হবে কী হবে না। মতামত নেয়ার কাজ করছে ইউএনএইচসিআর ও আরআরআরসি’র প্রতিনিধিরা। রোহিঙ্গা নারী-পুরুষদের পৃথকভাবে মতামত নেয়া হচ্ছে।

টেকনাফের জাদিমোরা শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ (সিআইসি) মোহাম্মদ খালেদ হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘প্রত্যাবাসনের তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এজন্য ক্যাম্প ইনচার্জ অফিসের পাশে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ৩ হাজার ৩১০ জনের পর্যায়ক্রমে মতামত নেওয়া হবে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যদি স্ব-ইচ্ছে যেতে রাজি হয় তাহলে আমরা চূড়ান্ত প্রত্যাবাস প্রক্রিয়া শুরু করব। তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছুই করব না আমরা। তাই তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে।’

উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র