Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

লক্ষ্মীপুরে আ’লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

লক্ষ্মীপুরে আ’লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
লক্ষ্মীপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মাছ ঘাট দখল নিয়ে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ মে) সকালে উপজেলার মেঘনা নদীর চান্দার খাল মাছঘাট ও দুপুরে খাসেরহাট আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দুই দফায় এ ঘটনা ঘটে।

সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলতাফ হোসেন হাওলাদার এবং বর্তমান আহ্বায়ক ওসমান খাঁনের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ বাঁধে।

আহতরা হলেন আতাউল গনি, সেলিম খান, জয়নাল আবেদিন খান, আবদুল লতিফ দেওয়ান, মোসলেহ উদ্দিন, আবদুল কাদের, ওসমান গনি, আবদুল মালেক, আলতাফ ব্যাপারী, আজগর সর্দার, কামাল হোসেন, সবুজ হাওলাদার, সুমন হাওলাদার, মফিজ সর্দার ও জাকির হোসেন। তাদের মধ্যে নয়জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চান্দার খাল এলাকায় নতুন একটি মাছঘাট দেয় আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান খান। সকালে ওই মাছঘাট উদ্বোধন করতে গেলে আলতাফ হোসেনের লোকজন বাধা দেয়। একপর্যায়ে দুইপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনার মিমাংসার জন্য তাদেরকে বৈঠকে বসার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়। এর মধ্যেই দুপুরে খাসের হাট বাজারে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ফের দুইপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার মেঘনা নদীর চান্দার খাল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ নেতা আলতাফ হোসেন হাওলাদার মাছ ঘাট দিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। উপজেলা নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। এতে তার কমিটি বিলুপ্ত করে দেয় উপজেলা আওয়ামী লীগ। পরে ওসমান খাঁনকে উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক করে ছয় সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি দেওয়া হয়। এরপর থেকে কয়েকবার আলতাফ ও ওসমান অনুসারীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটে।

আলতাফ হোসেন হাওলাদার বলেন, ওই ঘাটে ১৪৬ জনের শেয়ার আছে। তারা উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। উপজেলা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী বিজয়ের পর থেকে ওসমানের লোকজন ঘাট দখল করার পায়তারা করছিল। এখন ক্ষমতার দাপটে তার লোকজন ঘাট দখল করতে গেছে। কিন্তু ঘাটের শেয়ার মালিকরা বাধা দেওয়ায় তাদের ওপর হামলা করা হয়। এতে ঘাটের ৪-৫ জন লোক আহত হয়েছে বলে শুনেছি।
 
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান খান বলেন, আমার লোকজন ঘাট দখল করতে যায়নি। সকালে নতুন একটি মাছঘাট উদ্বোধনের জন্য আমার লোকজন চান্দার খাল এলাকায় যায়। এসময় আলতাফ হোসেনের লোকজন হামলা চালিয়ে তাদেরকে আহত করে।

হাজীমারা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় নড়াইলে দিন দিন শসার আবাদ বাড়ছে। অন্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় শসা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এখানকার কৃষকরা।

জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার আগদিয়া, বিছালী, মুসুড়ি, মুলিয়া, শেখহাটিসহ অন্তত ১০ গ্রামের কৃষকরা শসা চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। পেয়েছেন আর্থিক সচ্ছলতা, হয়েছেন স্বাবলম্বী।

শসা আবাদে জমি-মাচা তৈরি করা সহ এক একর জমিতে খরচ হয় ৪০-৫০ হাজার টাকা। সেখানে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার শসা উৎপাদিত হয়। প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৪শ থেকে ৫শ টাকা। আর সেখানে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার শসা উৎপাদিত হয়। বীজ রোপণের ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা শুরু হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194706129.jpg

এদিকে আবাদ ভালো হওয়ায় গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠেছে শসা কেনাবেচার মৌসুমি আড়ত। কৃষকরা ক্ষেত থেকে শসা তুলে এনে আড়তে বিক্রি করছেন। এতে বেকার যুবক-নারীদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে এখানকার শসা।

আকদিয়া গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ধান বা পাট চাষে লাভ হয় না। ধান বা পাটের তুলনায় শসা চাষে ৩-৪ গুণ বেশি লাভ হয়। তাই শসা চাষ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পাইকারি প্রতি কেজি শসা বর্তমানে ৩০-৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিছালী গ্রামের তপন বিশ্বাস জানান, শষা চাষে প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৫শ থেকে ৬শ টাকা। আর খরচ বাদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194764291.jpg

যশোর থেকে আসা পাইকারি শসা ক্রেতা আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এখানকার শসা কিনে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করি। বর্তমানে পাইকারি প্রতি মণ শসা ১২শ থেকে ১৩শ টাকা দরে ক্রয় করে নিয়ে যাই। পরে ১৭শ থেকে ১৮শ টাকা দরে তা বিক্রি করি।’

নড়াইল শহরের রুপগঞ্জ বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী বিন্দু বিশ্বাস জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে।

নড়াইল সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, জেলায় এ বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় অনেকেই শসা চাষে আগ্রহী হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু
ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রফতানি শুরু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (১৯ আগস্ট) থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফিতানি শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে গত ৯ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটি সহ মোট দশদিন বন্দরে সকাল প্রকার পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

তবে বন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র