Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

‘জীবনি এত্তো গরম আর দেকিনি বাপু’

‘জীবনি এত্তো গরম আর দেকিনি বাপু’
পাখিভ্যান চালক আব্দুর রহিম। ছবি: বার্তা২৪.কম
মাজেদুল হক মানিক
 ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

‘আমার জীবনি এত্তো গরম আর দেকিনি বাপু। সব সুমায় শরীলের (শরীর) ঘাম ঝত্তিছে (ঝরছে)। রোদি পুড়ে শরীল কয়লা হয়ে যাচ্ছে। পানির জ্বালায় বুক ফাইটে যায়। কিছু দূর গেলি আর যাতি মন চায় না।’

বার্তা২৪.কমকে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন পাখিভ্যান চালক আব্দুর রহিম।

মেহেরপুরের গাংনী বাসস্ট্যান্ডে রহিমের মতো অনেক ভ্যান চালক প্রতিদিন দুপুরের দিকে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। সেই স্থানগুলো অনেকটাই ফাঁকা আজ (শনিবার, ১১ মে)। তীব্র রোদ ও গরমে বাধ্য হওয়া ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছে না। আর যারা বের হচ্ছে তারা সঙ্গে ছাতা রাখছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574197997.gif

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গেল কয়েকদিন ধরে এ অঞ্চলে তীব্র তাপদাহ বিরাজ করছে। আজ দুপুরে এ অঞ্চলে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা শুক্রবার ৩৯ ও বৃহস্পতিবার ছিল ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সূর্য ওঠার পর থেকেই শুরু হয় গরমের তীব্রতা।

মেহেরপুর বাসস্ট্যান্ডের বিআরটিসি কাউন্টার ম্যানেজার রাশেদুজ্জামান খাঁন প্রদীপ বলেন, ‘আমরা চব্বিশ ঘণ্টাই এখানে থাকি। তাই মানুষের কষ্ট কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়। গরমের তীব্রতায় কোনো শ্রমিক কাজ করতে চাচ্ছে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574231952.gif

গাংনী ঈদগাহ পাড়ায় একটি বাড়ির দোতলায় কাজ করছিলেন রাজমিস্ত্রি আব্দুল করিম। প্রচণ্ড রোদে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি।

করিম বলেন, ‘রোদে গা পুড়ে যায়। এর মধ্যে কাজ করা যায় না।’

জানা গেছে, গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া তীব্র গরমে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে কর্মজীবী সাধারণ মানুষ। এর মধ্য দিয়েই রোজা রাখছে বেশিরভাগ মানুষ।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাত ও দিনের তাপমাত্রার খুব একটা পার্থক্য নেই। এ অবস্থা আরও দু’এক দিন থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ লাভ বেশি

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ লাভ বেশি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় নড়াইলে দিন দিন শসার আবাদ বাড়ছে। অন্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় শসা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এখানকার কৃষকরা।

জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার আগদিয়া, বিছালী, মুসুড়ি, মুলিয়া, শেখহাটিসহ অন্তত ১০ গ্রামের কৃষকরা শসা চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। পেয়েছেন আর্থিক সচ্ছলতা, হয়েছেন স্বাবলম্বী।

শসা আবাদে জমি-মাচা তৈরি করা সহ এক একর জমিতে খরচ হয় ৪০-৫০ হাজার টাকা। সেখানে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার শসা উৎপাদিত হয়। প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৪শ থেকে ৫শ টাকা। আর সেখানে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার শসা উৎপাদিত হয়। বীজ রোপণের ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা শুরু হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194706129.jpg

এদিকে আবাদ ভালো হওয়ায় গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠেছে শসা কেনাবেচার মৌসুমি আড়ত। কৃষকরা ক্ষেত থেকে শসা তুলে এনে আড়তে বিক্রি করছেন। এতে বেকার যুবক-নারীদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে এখানকার শসা।

আকদিয়া গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ধান বা পাট চাষে লাভ হয় না। ধান বা পাটের তুলনায় শসা চাষে ৩-৪ গুণ বেশি লাভ হয়। তাই শসা চাষ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পাইকারি প্রতি কেজি শসা বর্তমানে ৩০-৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিছালী গ্রামের তপন বিশ্বাস জানান, শষা চাষে প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৫শ থেকে ৬শ টাকা। আর খরচ বাদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194764291.jpg

যশোর থেকে আসা পাইকারি শসা ক্রেতা আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এখানকার শসা কিনে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করি। বর্তমানে পাইকারি প্রতি মণ শসা ১২শ থেকে ১৩শ টাকা দরে ক্রয় করে নিয়ে যাই। পরে ১৭শ থেকে ১৮শ টাকা দরে তা বিক্রি করি।’

নড়াইল শহরের রুপগঞ্জ বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী বিন্দু বিশ্বাস জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে।

নড়াইল সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, জেলায় এ বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় অনেকেই শসা চাষে আগ্রহী হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু
ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রফতানি শুরু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (১৯ আগস্ট) থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফিতানি শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে গত ৯ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটি সহ মোট দশদিন বন্দরে সকাল প্রকার পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

তবে বন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র