Alexa

‘জীবনি এত্তো গরম আর দেকিনি বাপু’

‘জীবনি এত্তো গরম আর দেকিনি বাপু’

পাখিভ্যান চালক আব্দুর রহিম। ছবি: বার্তা২৪.কম

‘আমার জীবনি এত্তো গরম আর দেকিনি বাপু। সব সুমায় শরীলের (শরীর) ঘাম ঝত্তিছে (ঝরছে)। রোদি পুড়ে শরীল কয়লা হয়ে যাচ্ছে। পানির জ্বালায় বুক ফাইটে যায়। কিছু দূর গেলি আর যাতি মন চায় না।’

বার্তা২৪.কমকে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন পাখিভ্যান চালক আব্দুর রহিম।

মেহেরপুরের গাংনী বাসস্ট্যান্ডে রহিমের মতো অনেক ভ্যান চালক প্রতিদিন দুপুরের দিকে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। সেই স্থানগুলো অনেকটাই ফাঁকা আজ (শনিবার, ১১ মে)। তীব্র রোদ ও গরমে বাধ্য হওয়া ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছে না। আর যারা বের হচ্ছে তারা সঙ্গে ছাতা রাখছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574197997.gif

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গেল কয়েকদিন ধরে এ অঞ্চলে তীব্র তাপদাহ বিরাজ করছে। আজ দুপুরে এ অঞ্চলে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা শুক্রবার ৩৯ ও বৃহস্পতিবার ছিল ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সূর্য ওঠার পর থেকেই শুরু হয় গরমের তীব্রতা।

মেহেরপুর বাসস্ট্যান্ডের বিআরটিসি কাউন্টার ম্যানেজার রাশেদুজ্জামান খাঁন প্রদীপ বলেন, ‘আমরা চব্বিশ ঘণ্টাই এখানে থাকি। তাই মানুষের কষ্ট কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়। গরমের তীব্রতায় কোনো শ্রমিক কাজ করতে চাচ্ছে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574231952.gif

গাংনী ঈদগাহ পাড়ায় একটি বাড়ির দোতলায় কাজ করছিলেন রাজমিস্ত্রি আব্দুল করিম। প্রচণ্ড রোদে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি।

করিম বলেন, ‘রোদে গা পুড়ে যায়। এর মধ্যে কাজ করা যায় না।’

জানা গেছে, গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া তীব্র গরমে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে কর্মজীবী সাধারণ মানুষ। এর মধ্য দিয়েই রোজা রাখছে বেশিরভাগ মানুষ।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাত ও দিনের তাপমাত্রার খুব একটা পার্থক্য নেই। এ অবস্থা আরও দু’এক দিন থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন :