Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

মানিকগঞ্জে বাঙ্গির বাম্পার ফলনে চাষির মুখে হাসি

মানিকগঞ্জে বাঙ্গির বাম্পার ফলনে চাষির মুখে হাসি
মানিকগঞ্জের মাঠে বাঙ্গির ফলন ভালো হয়েছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম
খন্দকার সুজন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মানিকগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

একে তো রমজান মাস, তার ওপর প্রচণ্ড গরম। সব মিলিয়ে স্থানীয় বাজারে বাঙ্গির ব্যাপক চাহিদা। অনুকূল আবহাওয়ায় মানিকগঞ্জে এ বছর বাঙ্গির বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে লাভবান হচ্ছেন চাষিরাও।

জানা গেছে, মানিকগঞ্জের প্রতিটি উপজেলাতেই কম বেশি আবাদ হয় বাঙ্গি। তবে জেলার হরিরামপুর, সিংগাইর,শিবালয় এবং ঘিওর উপজেলায় বাঙ্গির চাষ হয় সবচেয়ে বেশি। অল্প খরচে অধিক মুনাফা হওয়ায় চাষিদের মধ্যে বাঙ্গি চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/12/1557607104407.jpg

বাঙ্গি চাষিরা জানিয়েছেন, ভিন্ন ফসলের সাথে যৌথভাবে বাঙ্গি চাষা করা যায়, তাই  বাড়তি কোনো খরচ নেই। বিশেষকরে পেঁয়াজের সাথে বাঙ্গি চাষ বেশি সুবিধাজনক। ফলে পেঁয়াজের ফলন ঘরে তোলার এক মাস পরে বাঙ্গির ফলনপাওয়া যায়। মাত্র ৫০-১০০ টাকা খরচ করে বিঘা প্রতি ২৫-৩০ হাজার টাকার ফলন পাওয়া যায়।

জেলার ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুড়ি ইউনিয়নের শোলধরা গ্রামের কুদ্দুস আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘চলতি মৌসুমে হালি পেঁয়াজের সাথে বাঙ্গি চাষ করেছি। এর জন্য অতিরিক্ত কোনো খরচ করতে হয়নি।তবে পেঁয়াজ চাষের জন্য সাত হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ইতোমধ্যে ২২ হাজার টাকার পেঁয়াজ এবং ১৩-১৪ হাজারটাকার বাঙ্গি বিক্রি করেছি। আরও প্রায় ১০ হাজার টাকার বাঙ্গি বিক্রি করা সম্ভব হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/12/1557607136481.jpg

একই এলাকার ফিরোজ তালুকদার নামে এক কৃষক বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘ভিন্ন ফসলের সাথে বাঙ্গি চাষাবাদকরায় বাড়তি কোনো খরচ করতে হয় না। তবে বাঙ্গির ফলন শুরু হলে প্রতিদিন জমি থেকে বাঙ্গি সংগ্রহ করতেহয়। সময়মতো জমি থেকে বাঙ্গি সংগ্রহ না করলে জমিতেই নষ্ট হয়ে যায়। ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতেমাত্র ১০০ টাকা খরচ করে ২৫-৩০ হাজার টাকার বাঙ্গি বিক্রি করা যায়।’

বরংগাইল এলাকার বাঙ্গি চাষি হুমায়ন মিয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘স্থানীয় বাজারে বাঙ্গির বেশ চাহিদা রয়েছে।এছাড়া রমাজানের কয়েক দিন আগে থেকেই পাইকাররা জমি থেকেই বাঙ্গি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। চলতি মৌসুমেঅনুকূল আবহাওয়া আর ভালো বাজারদর থাকায় সাথী ফসল হিসেবে বাঙ্গি চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/12/1557607251772.jpg

মানিকগঞ্জ জেলা কৃষি অধিদফতরের উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান চৌধুরী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘পেঁয়াজসহঅন্যান্য ফসলের সাথে সাথী ফসল হিসেবে বাঙ্গির আবাদ হয় বেশি। অল্প খরচে অধিক মুনাফা হওয়ায় বাঙ্গি চাষেআগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় চাষিদের মাঝে।’

আপনার মতামত লিখুন :

গণধর্ষণ মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার

গণধর্ষণ মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার
আসামি বাদশা হোসেন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঝিনাইদহে ৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশা হোসেনকে (৩১) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার খাজুরা জোয়ার্দ্দার পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার বাদশা খাজুরা এলাকার মৃত মন্তেজ হোসেনের ছেলে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খান জানান, গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশা খাজুরা এলাকায় অবস্থান করেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাদশা ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে। এতে বাদশা পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ঈদের দিন সন্ধ্যায় শহরের মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী পাশের বাড়িতে তার মাকে খুঁজতে বের হয়। এ সময় বাদশা, একই এলাকার মন্টু মণ্ডলের ছেলে রুহুল আমীন ও জাফরের ছেলে মুন্নু তাকে মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর শহরের ক্যাডেট কলেজের সামনের একটি আবাসন এলাকায় ফেলে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র শকুনি লেক

জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র শকুনি লেক
শকুনি লেক। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

যেকোনো উৎসব বা আয়োজনকে সামনে রেখে আনন্দ-বিনোদনে মেতে উঠেন মাদারীপুরবাসী। বিশেষ করে সেখানের শকুনি লেক এলাকাবাসীর মূল বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই যেকোনো উৎসবকে ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে লেকে।

গেল ঈদে দর্শনার্থীদের জন্য লেকের রাইডে যোগ হয় পায়ে চালানো নৌকা বা প্যাডেল বোট। লেকের টলটলে পানি, আশপাশের মনোরম পরিবেশ সব কিছুই যেন দর্শনার্থীদের মন কাড়ে। তাই সেখানে এখনো রাত ও দিনে ঈদের আমেজ বিরাজমান।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৮৮৪ সালে শকুনি লেকটি খনন করা হলেও দীর্ঘদিন অযত্ন-অবহেলায় পড়ে ছিল। ২০১৩ সালে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে কাজের শতভাগ শেষ হয়েছে। লেকটিকে আরও সুন্দর করে তুলতে কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566358494030.jpg

লেকটিতে ‘মাদারীপুর ঘড়ি’ নামে একটি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। সেখানে উঠে পুরো শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, শহীদ কানন, শিশুপার্ক, স্বাধীনতা অঙ্গন, শহীদ চত্বর, মুক্তমঞ্চ, এমপি থিয়েটার মঞ্চ, শান্তি ঘাটলাসহ লেকটির বিভিন্ন স্থানে দর্শনার্থীদের ভিড় লেগে থাকে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, শকুনি লেকের চারপাশে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষের ভিড় রয়েছে। কেউ কেউ প্রিয়জনের সঙ্গে ছবিও তুলছেন, কেউবা সেলফি তুলছেন। আবার কেউ প্যাডেল বোটে প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরছেন।

বরিশালের গৌরনদী এলাকা থেকে আসা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে জনপ্রিয় এই শকুনি লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছি। এখানের সৌন্দর্যে আমরা সবাই খুশি। বিশেষ করে প্যাডেল বোটে চড়তে পেরে সবার ভালো লেগেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566358514111.jpg

মাদারীপুর শহরের নিজাম উদ্দিন জানান, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল-বিকেল তাকে হাঁটতে হয়। পার্কে হাঁটার জন্য সুন্দর পরিবেশও আছে। তাই তিনি প্রতিদিনই সেখানে যান।

মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘মাদারীপুর জেলাকে পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে লেকটির গুরুত্ব ব্যাপক। আমরা লেকটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করি। তাছাড়া লেকের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) উত্তম কুমার পাঠক জানান, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের একটি দল লেক ও এর আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র