Alexa

যানবাহনের সাদা আলোয় বাড়ছে দুর্ঘটনা!

যানবাহনের সাদা আলোয় বাড়ছে দুর্ঘটনা!

ইঞ্জিনচালিত রিকশার সাদা লাইটের আলো। ছবি: বার্তা২৪.কম

চুয়াডাঙ্গার চারটি উপজেলাতে অবৈধ যানবাহনের চলাচল বেড়েই চলেছে। শত চেষ্টা করেও এসব যানবাহন বন্ধ করতে পারেনি জেলা প্রশাসন। অবশেষে জেলার সাধারণ মানুষ অনেকটা বাধ্য হয়ে এসব অবৈধ যানবাহনে চলাচল করছে। লাগামহীন গতিতে চলাচল করা এসব অবৈধ যানবাহনের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।

তবে আজকাল এসব দুর্ঘটনা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যাটারি চালিত রিকশা-ভ্যান এবং ইঞ্জিনচালিত আলমসাধু গাড়ির সাদা লাইটের আলো। অবৈধযান হিসেবে খ্যাত এসব যানবাহনের হেডলাইটের সাদা আলোয় রাস্তায় ফুটপাতে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে পথচারীদের।

প্রতিদিন লক্ষ্য করলে দেখা যাবে জেলার চারটি উপজেলার প্রধান সড়কসহ আশপাশের সড়কে তীব্র গতিতে অবৈধযান পাখিভ্যান ও ইজিবাইক চলাচল করছে। দিনের বেলা দুর্ঘটনা কম হলেও রাতেই বেশি হয় বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

আর এর কারণ হিসেবে দেখা গেছে, একটু সন্ধ্যা হলেই অবৈধযানের এসব চালকরা তাদের সুবিধার্থে এলইডি সাদা লাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করছে। এলইডি এসব বাতির আলোর রশ্মি এতোই বেশি যে তা বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের চালক বা পথচারীর চোখে সরাসরি পড়ে। এতে চোখে দেখতে পায় না তারা। আর এ কারণেই ঘটে দুর্ঘটনা।

চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের পথচারী সামছুল হক জানান, অবৈধ এসব যানবাহনের আলোর গতি সাধারণ আলোর চেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে রাস্তা পারাপারের সময় ঘটছে বড় দুর্ঘটনা।

বড় বাজারের বাসিন্দা রবীন্দ্র সাহা জানান, পাখিভ্যান-রিকশাসহ বিভিন্ন অবৈধ যানবাহনে এই জাতীয় লাইটের আলো সামনে পড়লে ২-৩ মিনিট চোখে কিছুই দেখা যায় না। ফলে যেকোনো সময় ঘটছে বড় দুর্ঘটনা।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামিম কবির বার্তা২৪.কমকে জানান, ব্যাটারিচালিত অবৈধ পাখিভ্যান-রিকশা, ইজিবাইকগুলোতে যে এলইডি সাদা লাইট লাগানো হচ্ছে তা মানুষের চোখের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমন আলো সরাসরি চোখের রেটিনার কর্মক্ষমতা কমায়। ফলে দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে শুরু করে।

কিন্তু সবকিছু দেখেও কেন জেলা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না তা সকলের কাছে অজানা। তবে জেলা প্রশাসকের কাছে ক্ষতিকারক অবৈধ যানে সাদা এলইডি লাইট ব্যবহার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে সুশীল সমাজের প্রতিনিরা।

আপনার মতামত লিখুন :