Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

শসা চাষে কৃষকের মুখে হাসি

শসা চাষে কৃষকের মুখে হাসি
গাছ থেকে শসা তুলছেন কৃষক / ছবি: বার্তা২৪
তোফায়েল হোসেন জাকির
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
গাইবান্ধা


  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধার ধাপেরহাট এলাকায় শসা চাষে কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা গেছে। এবার ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তাদের মাঝে বইছে আনন্দের বন্যা।

সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে অন্যান্য সবজির পাশাপাশি চাষ করা হয় শসা। দীর্ঘদিন ধরে প্রায় সব কৃষকই শসা আবাদ করেন। এ ফলন থেকে দিনবদলের স্বপ্ন দেখেন তারা।

এমন কৃষকের মধ্যে অন্যতম খাজা মিয়া। কৃষক পরিবারেই জন্ম। ওই ইউনিয়নের ছোট ছত্রগাছা গ্রামের তার বাড়ি। খাজা মিয়া অন্যান্য ফসল বুনলে তেমন লাভজনক না হওয়ায় শসা চাষ শুরু করেন। গত চার বছর আগে প্রতিবেশী আয়নালের শসা চাষকে অনুকরণ করেন তিনি। সেই থেকে শসা চাষ করে আসছেন খাজা মিয়া। তার উৎপাদিত শসা বিক্রি করে ইতোমধ্যে ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। এবারেও দুই বিঘা হাইব্রিড জাতের শসা চাষ করেছেন তিনি।

খাজা মিয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এ শসা চাষের উপযোগী সময় হচ্ছে, জৈষ্ঠ্য মাসের ১০ তারিখ থেকে শ্রাবণ মাসের ১৫-২০ তারিখ পর্যন্ত। ভাদ্র মাসের ১০ তারিখ থেকে কার্তিক মাসের ১৫-২০ তারিখ পর্যন্ত এবং মাঘ মাসের ১০ তারিখ থেকে চৈত্র মাসের ১০-১৫ তারিখ পর্যন্ত। এই সবজি চাষের সময়কাল ৬৫ থেকে ৭০ দিন এবং বীজ বপন করার ৩৫ দিন পরে ফলন আসতে থাকে। একটানা ১০ বার তিন দিন পরপর শসা উঠানো যায়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/12/1557672036774.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে শসা চাষে মোট খরচ হয় ২০ হাজার টাকা। ফলন আসে কমপক্ষে ২৪৫ মণ। যা বিঘা প্রতি শসা বিক্রি করে প্রায় ৪০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। এবার ফল উৎপাদন মুহূর্তে রমজান মাস পড়ায় প্রতি মণ শসা ৬০০-৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গতবারের তুলনা দাম বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

আরেক কৃষক আয়নাল হোসেন অভিযোগ করে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সবজি চাষাবাদে কৃষি বিভাগের কোনো সগযোগিতা পাওয়া যায় না। এমনকি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও মাঠে আসেন না এবং সঠিক পরামর্শ দেয় না। তাদের সাপোর্ট পেলে আরও অনেকটাই লাভবান হওয়া যেত।’

জেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তাহের মিয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘শসা বাংলাদেশের প্রধান ও জনপ্রিয় সবজির মধ্যে অন্যতম। শসা প্রধানত সালাত ও সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। শসার প্রতি ১০০ গ্রাম ভক্ষণযোগ্য অংশে ৯৬ শতাংশ জলীয় অংশ, ০.৬ গ্রাম আমিষ, ২.৬ গ্রাম শ্বেতসার, ১৮ মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.২ মিলি গ্রাম লৌহ, ক্যারোটিন ৪০ মাইক্রোগ্রাম, খাদ্যপ্রাণ সি ১০ মিলি গ্রাম রয়েছে।’

সাদুল্যাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বর্তমানে বেশকিছু জাতের শসার চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে বিদেশি জাতের অধিকাংশই হাইব্রিড। বিএডিসি দুটি স্থানীয় জাত উৎপাদন করে থাকে বারোমাসি ও পটিয়া জায়ান্ট নামে। শসা চাষে কৃষকদের ভাল ফলন পেতে নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা
শেরপুরের ম্যাপ

শেরপুরে ফরিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌর এলাকার গৌরিপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরিদা ওই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

নিহতের নাতি শিহাব বলেন, ‘আমি শেরপুরে একটি মোটরসাইকেল শো-রুমে কাজ শেষে বাসায় যাই। এসময় ঘরে সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য দাদীকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি দরজা না খোলায় পাশের বাসা থেকে হাতুড়ি এনে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দাদীকে গলা কাটা অবস্থায় পাই। এরপর চিকৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসে। আমি আর কিছু জানি না।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা বৃদ্ধার গলা কেটে রেখেছে আমরা ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র