Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

আ’লীগের সংঘর্ষে রায়পুরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আসামি ৮৯

আ’লীগের সংঘর্ষে রায়পুরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আসামি ৮৯
রায়পুর থানা, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মাছঘাট দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ ও দোকানঘর ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেনসহ ৮৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

রোববার (১২ মে) দুপুরে আতাউল গনি ও আলতাফ হোসেন বেপারী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। 

জানা গেছে, মামলার বাদীরা উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক ওসমান খাঁনের অনুসারি। আসামিরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন হাওলাদারের অনুসারি হিসেবে পরিচিত। 

পুলিশ জানায়, উপজেলার উত্তর চরবংশীতে মেঘনা নদীর তীরের চান্দনা মাছঘাট দখল নিয়ে সংঘর্ষ, দোকানঘর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল হোসেনসহ দুই মামলা ৮৯ জনকে আসামি করা হয়। এরমধ্যে আতাউল গণি ৪৪ ও আলতাফ হোসেন বেপারী ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। 

রায়পুর থানার ডিউটি অফিসার (এসআই) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘উত্তর চরবংশীতে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলতাফ হোসেন হাওলাদার ও ইউনিয়ন কমিটির বর্তমান আহ্বায়ক ওসমান খাঁনের অনুসারিদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় আলতাফ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করে ওসমান খাঁনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। 

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১০ মে) রায়পুরের মেঘনা নদীর তীরের চান্দনা খালের মাছ ঘাট দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের ওই দু’গ্রুপের সংঘর্ষ এবং খাসেরহাট দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। এর জের ধরে পরদিন আক্তার হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়।  

আপনার মতামত লিখুন :

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় নড়াইলে দিন দিন শসার আবাদ বাড়ছে। অন্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় শসা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এখানকার কৃষকরা।

জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার আগদিয়া, বিছালী, মুসুড়ি, মুলিয়া, শেখহাটিসহ অন্তত ১০ গ্রামের কৃষকরা শসা চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। পেয়েছেন আর্থিক সচ্ছলতা, হয়েছেন স্বাবলম্বী।

শসা আবাদে জমি-মাচা তৈরি করা সহ এক একর জমিতে খরচ হয় ৪০-৫০ হাজার টাকা। সেখানে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার শসা উৎপাদিত হয়। প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৪শ থেকে ৫শ টাকা। আর সেখানে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার শসা উৎপাদিত হয়। বীজ রোপণের ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা শুরু হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194706129.jpg

এদিকে আবাদ ভালো হওয়ায় গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠেছে শসা কেনাবেচার মৌসুমি আড়ত। কৃষকরা ক্ষেত থেকে শসা তুলে এনে আড়তে বিক্রি করছেন। এতে বেকার যুবক-নারীদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে এখানকার শসা।

আকদিয়া গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ধান বা পাট চাষে লাভ হয় না। ধান বা পাটের তুলনায় শসা চাষে ৩-৪ গুণ বেশি লাভ হয়। তাই শসা চাষ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পাইকারি প্রতি কেজি শসা বর্তমানে ৩০-৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিছালী গ্রামের তপন বিশ্বাস জানান, শষা চাষে প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৫শ থেকে ৬শ টাকা। আর খরচ বাদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194764291.jpg

যশোর থেকে আসা পাইকারি শসা ক্রেতা আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এখানকার শসা কিনে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করি। বর্তমানে পাইকারি প্রতি মণ শসা ১২শ থেকে ১৩শ টাকা দরে ক্রয় করে নিয়ে যাই। পরে ১৭শ থেকে ১৮শ টাকা দরে তা বিক্রি করি।’

নড়াইল শহরের রুপগঞ্জ বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী বিন্দু বিশ্বাস জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে।

নড়াইল সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, জেলায় এ বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় অনেকেই শসা চাষে আগ্রহী হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু
ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রফতানি শুরু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (১৯ আগস্ট) থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফিতানি শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে গত ৯ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটি সহ মোট দশদিন বন্দরে সকাল প্রকার পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

তবে বন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র