Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

মানবতা‌বি‌রোধী অপরাধ মামলার আসামি টিক্কা খান মারা গেছেন

মানবতা‌বি‌রোধী অপরাধ মামলার আসামি টিক্কা খান মারা গেছেন
মানবতা‌বি‌রোধী অপরাধ মামলার ওয়া‌রেন্টভুক্ত আসা‌মি জহিরুল ইসলাম ওরফে টিক্কা খানের লাশ। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
সাতক্ষীরা


  • Font increase
  • Font Decrease

সাতক্ষীরায় মানবতা‌বি‌রোধী অপরাধ মামলার ওয়া‌রেন্টভুক্ত আসা‌মি জহিরুল ইসলাম ওরফে টিক্কা খান (৬৭) পলাতক অবস্থায় মারা গে‌ছেন।

টিক্কা খান সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী গ্রামের মৃত আইজুদ্দিন মোল্যার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ভারতে পালিয়ে ছিলেন। পালিয়ে থাকা অবস্থায় ভারতেই তার মৃত্যু হয়।

রোববার (১২ মে) মারা যান টিক্কা খান। সোমবার (১৩ মে) গোপনে তার লাশ গ্রা‌মের বা‌ড়ি বৈকারী‌তে আনা হ‌য়।

জানা যায়, একাত্ত‌রে পা‌কিস্তানি‌ হানাদারদের প‌ক্ষে কাজ করায় জ‌হিরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় ‘টিক্কা খান’ না‌মে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ভারতে পালিয়ে ছিলেন। টিক্কা খানের বাড়ির আঙিনার ধারে সোনাই নদী পার হলেই ভারত সীমান্ত শুরু।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মহিদুল ইসলাম তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে মানবতা‌বি‌রোধী অপরা‌ধের দা‌য়ে সাতক্ষীরার ৪ শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী যথাক্রমে সদর উপজেলার আলীপুরের আব্দুল্লা‌হিল বাকী,‌ জামা‌য়াতের সা‌বেক এম‌পি বৈকারী গ্রামের আব্দুল খা‌লেক মণ্ডল, শহরের পলাশ‌পো‌ল নবজীবন এনজিওর সা‌বেক নির্বাহী প‌রিচালক খান রোকনুজ্জামান ও বৈকারীর জহিরুল ইসলাম ওর‌ফে টিক্কা খানের বিরুদ্ধে আন্তর্জা‌তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনা‌লে বিচার চলমান রয়েছে। তাদের বিরু‌দ্ধে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ গত ৬ মে শেষ হয়েছে। আসামিদের ম‌ধ্যে রোকন ও টিক্কাখান শুরু থে‌কেই পলাতক ছিলেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাতটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জনকে হত্যা, ২ জনকে ধর্ষণ, ১৪ জনকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট থেকে তদন্ত শুরু করার পর ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত মসজিদ খাদেমের মৃত্যু

ফরিদপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত মসজিদ খাদেমের মৃত্যু
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের নাম দেলোয়ার হোসেন (৪৫)। সে শহরের পূর্ব খাবাসপুর এলাকায় বসবাস করতেন এবং পূর্ব খাবাসপুর জামে মসজিদের খাদেম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের শেখ শফিউদ্দিনের ছেলে।

এতে এই হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ছয়জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে গত ৭২ ঘণ্টায় মারা গেছে তিনজন।

স্বজনরা জানান, গত শুক্রবার (১৬ আগস্ট) থেকে দেলোয়ার ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। গতকাল রোববার (১৮ আগস্ট) রাতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় গতকাল রাত ১২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। ভোরে অবস্থার আরও অবনতি হওয়ার এক পর্যায়ে বেলা ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. এনামুল হক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে ৩৪৬ জন, চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৭১২ জন, অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে ১৬০ জনকে। ২০ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তি হয়েছে ১২২৪ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ছয়জন।

প্রসঙ্গত, গত ৭২ ঘণ্টায় ফরিদপুরে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটার দিকে মৃত্যুবরণকারী ওই রোগীর নাম ইউনুস শেখ (৫৫)। ইউনুস শেখ রাজবাড়ীর সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের আয়নাল শেখের ছেলে।

ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই একই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন মাগুরা সদর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক মো. মিজানুর রহমানের ছেলে ও স্থানীয় সত্যজিৎপুর কলেজের মানবিক বিভাগে দ্বাদশ বর্ষের শিক্ষার্থী সুমন বাশার (২২) মারা যান।

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না কানাই লাল শর্মার

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না কানাই লাল শর্মার
কানাই লাল শর্মা। ছবি: সংগৃহীত

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না সাঁতারু ডা. কানাই লাল শর্মার। ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক লালদিঘিতে ৯০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট সাঁতার কেটে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করেছিলেন তিনি।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কানাই লাল শর্মা।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে। দুপুর আড়াইটার সময় কুষ্টিয়া মহাশ্মশানে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

১৯৩০ সালের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কানাইলাল শর্মা। তার বাবা স্বর্গীয় অভিমন্যু শর্মা। কানাইলাল শর্মা পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। কুষ্টিয়া শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। তার স্বপ্ন ছিল সাঁতারে গিনেস বুকে নাম লেখাবেন। তবে তার সে স্বপ্ন পূরণ হলো না।

আরও পড়ুন: গিনেস বুকে নাম লেখাতে চান কানাই লাল শর্মা

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র