Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

টাঙ্গাইলে ২ সিএনজি সংঘর্ষে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

টাঙ্গাইলে ২ সিএনজি সংঘর্ষে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত
নিহত পরীক্ষার্থী ও পানিতে ডুবে যাওয়া সিএনজি / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
টাঙ্গাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে দু'টি সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শামিমা নামের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হ‌য়ে‌ছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন আহত হ‌য়ে‌ছে।

সোমবার ( ১৩ মে) দুপুরে উপজেলার আটিয়া-মিল্ক ভিটা রো‌ডের আতিয়া ইউ‌নিয়ন প‌রিষদ সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ‌নিহত শামিমা আক্তার বিথী (১৮) উপজেলার ঝুনকাই গ্রামের শওকত মল্লিকের মেয়ে এবং উপজেলার আটিয়া মহিলা মহাবিদ্যালয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

দেলদুয়ার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোয়ার হো‌সেন বার্তা২৪.কম‌কে জানান, ‘দেলদুয়ার থেকে ছেড়ে আসা টাঙ্গাইলগামী একটি সিএনজি চালিত আটোরিকশা উপজেলার আটিয়া মিল্ক ভিটা রোড এলাকায় পৌঁছালে টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা দেলদুয়ারগামী অপর আরেকটি সিএনজি সাথে মুখোমুখী সংর্ঘষ হয়। এতে এক‌টি সিএন‌জি সড়কের পা‌শ্ববর্তী খা‌দে প‌ড়ে যায়। অপরটি সড়কে উল্টে যায়। ওই সিএনজিতে থাকা এইচএসসি পরীক্ষার্থী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এতে আরও দুই যাত্রী আহত হয়।

নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

সোমবারও কাঁঠালবাড়িতে চাপ রয়েছে যাত্রীদের

সোমবারও কাঁঠালবাড়িতে চাপ রয়েছে যাত্রীদের
মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ঘাট এলাকা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ রয়েছে। তবে তা গত ৫ দিনের মতো এতো বেশি না।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566209089641.jpg

ঘাট সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় আজো কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ রয়েছে। তবে তা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি। আবহাওয়া ভালো থাকায় ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোটের মাধ্যমে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566209074316.jpg

কাঁঠালবাড়ি ফেরি ঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানান, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যাতায়াতের জন্য কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুট ব্যবহার করেন। এ রুটে ১৮টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ, দেড় শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে। আজ ঘাটে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি চাপ রয়েছে। যা দু’একদিনের মধ্যে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

পুকুর ভাড়ায় পাট জাগ, দুর্ভোগে চাষিরা

পুকুর ভাড়ায় পাট জাগ, দুর্ভোগে চাষিরা
ভাড়া করা পুকুরে পাট জাগ দিচ্ছেন এক কৃষক

আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটেছে। বিজ্ঞানের যুগান্তকারী নানা উদ্ভাবনের ফলে কৃষিকাজ হয়েছে সহজতর। কিন্তু পাটের আঁশ ছাড়ানোর সেই সনাতন পদ্ধতি আজও রয়ে গেছে।

একদিকে অনাবৃষ্টি অন্যদিকে খাল-বিল, নদী-নালা ভরাটের ফলে পাট জাগ দেওয়া নিয়ে কৃষকের দুর্ভোগের সীমা নেই। বাধ্য হয়ে অন্যের পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিচ্ছেন মেহেরপুর জেলার কৃষকরা। আর একই পুকুরে বার বার পাট জাগ দেওয়ায় পাটের রং যাচ্ছে নষ্ট হয়ে। ফলে পাটের দাম কম পাচ্ছেন চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় চলতি মৌসুমে ১৯ হাজার ৯২০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। যা গত বছর ছিল ২৫ হাজার হেক্টরের উপরে। পাট চাষ নিয়ে নানা রকম সমস্যা ও দর পতনের ফলে চাষিরা অর্থকরী এই ফসল আবাদে বিমুখ হচ্ছেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566206669467.jpg

বানিয়াপুকুর গ্রামের কৃষক আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, বর্ষাকালে চাইলেই সব ফসল আবাদ করা যায় না। কিছু জমি আছে যেখানে একমাত্র পাট আবাদ করা যায়। ফলে বাধ্য হয়ে পাট আবাদ করতে হচ্ছে।

ভোমরদহ গ্রামের পাটচাষি মিলন হোসেন বলেন, ১ বিঘা জমির পাট জাগ দিতে পুকুর ভাড়া দিতে হচ্ছে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। একটি পুকুরে বার বার পাট জাগ দিতে গিয়ে পাটের রং নষ্ট হচ্ছে। ফলে দর কমে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: পুকুর ভাড়া নিয়ে চলছে পাট জাগ

চাষি আরও জানান, সব পাটচাষির নিজস্ব পুকুর নেই। খাল-বিল, নদী-নালায়ও নেই পানি। আবার কিছু জলাশয় বেদখল হয়েছে। ফলে পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দেওয়া ছাড়া তাদের বিকল্প কোন উপায়ও নেই।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566206786332.jpg

স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা দামে। এই দরে পাট বিক্রি করে লাভ তো দূরের কথা আবাদ খরচই উঠছে না বলে জানিয়েছেন চাষিরা।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, পাটের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা না গেলে এক সময় পাট আবাদ বন্ধ হয়ে যাবে। প্রতি বছর আবাদ খরচ বৃদ্ধি পেলেও পাটের দর বৃদ্ধি পাচ্ছে না, এটা দুঃখজনক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র