Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বগুড়ায় নিজ ঘরে ছুরিকাঘাতে নারী খুন

বগুড়ায় নিজ ঘরে ছুরিকাঘাতে নারী খুন
নিহত জিন্নাত ফারজানা এলমা, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা ২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় নিজ ঘরে খুন হয়েছেন জিন্নাত ফারজানা এলমা (৪২) নামের এক নারী। ঘরে কেউ না থাকায় দুর্বৃত্তরা কৌশলে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে তাকে খুন করে।

সোমবার (১৩ মে) বিকেলে বগুড়া শহরের মালতীনগর এসপি বাংলো লেনে এই খুনের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী আলহাজ্ব মকবুল হোসেন মুকুলকে থানায় নেয়।

জানা গেছে, বগুড়া শহরের পালশা এলাকার ফল ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মকবুল হোসেন মুকুলের প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর জিন্নাত ফারজানা এলমাকে বিয়ে করেন। মালতীনগরে দোতলা বাসার নীচতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন তারা। তাদের কোন সন্তান ছিল না। তবে এলমার প্রথম স্বামীর ঘরে এক মেয়ে রয়েছে। সেই মেয়ের বগুড়া শহরের বাদুড়তলায় বিয়ে হয়েছে।

বাড়ির মালিক আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে চৈতী বার্তা২৪.কম-কে জানান, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি বাসার প্রধান গেট খুলতে গিয়ে নীচতলার ঘরের দরজা খোলা দেখে এলমাকে (আন্টি) ডাকেন। কোন সাড়া না পেয়ে ঘরে প্রবেশ করে দেখেন মেঝেতে পড়ে আছেন এলমা। মুখ কম্বল দিয়ে মোড়ান এবং মেঝেতে রক্ত গড়িয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তার বাবাকে জানান, তিনি এলমার স্বামী মকবুল হোসেনকে এবং থানা পুলিশকে খবর দেন।

প্রতিবেশীরা জানান, নিহত এলমার স্বামী ফলের ব্যবসার কারণে প্রতিদিন সকালে বাসা থেকে বের হয়ে যেত। প্রতিদিনের মত সোমবার সকাল ১০টার দিকে তিনি বের হয়ে যান। তাদের বাসায় মেয়ের জামাই ছাড়াও বিভিন্ন আত্মীয় স্বজন যাতায়াত করত। তবে এলমার মামা পরিচয়ে এক ব্যক্তি মাঝেমধ্যে দিনের বেলা মকবুল হোসেনের অনুপস্থিতিতে বাসায় যাতায়াত করত। এছাড়াও রমজান মাসে প্রতিদিন এলমার ভাগ্নে পরিচয়ে এক যুবক ওই বাসায় ইফতার করতে আসত। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও মাঝেমধ্যে ঝগড়া বিবাদ হত বলে প্রতিবেশীরা জানান।

প্রতিবেশীরা বলেন, খুনি যেই হোক, সে এলমার পূর্ব পরিচিত। কারণ বাসার প্রধান গেটের চাবি বাড়ির মালিক এবং নীচতলার ভাড়াটিয়ার কাছে ছিল। তাদের মতে খুনি বাসায় প্রবেশ করার সময় এলামাকেই প্রধান গেট খুলে দিতে হয়েছে। আবার এলমাকে খুন করে যাওয়ার সময় ঘরের দরজা খোলা থাকলেও বাসার প্রধান গেট তালা দেয়া ছিল।

নিহতের মরদেহ উদ্ধারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) আব্দুর রহীম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'এলমার শরীরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।'

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান বার্তা-২৪.কম-কে বলেন, 'খুনের কারণ নিয়ে কোন মন্তব্য করা ঠিক হবে না। নিহতের স্বামীকে থানায় আনা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী খুনিকে শনাক্ত করা হবে।'

আপনার মতামত লিখুন :

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে ইশরাত (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আকরতমা গ্রামের একটি মসজিদের পুকুর থেকে ডুবরিরা তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ইশরাত উপজেলার পানিয়ালা গ্রামের জলার বাড়ির ইমরান হোসেনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ইশরাতের বাবা-মা স্বপরিবারে আকরতমা গ্রামে ভুলুয়া বাড়ির নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বিকেলে সবার অগোচরে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পরে আত্মীয়-স্বজনরা বাড়ির পুুকুর ও আশপাশের এলাকায় খুঁজেও তাকে পায়নি। কোথাও না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে যায় পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে এর আগেই রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুরের ডুবরির দল প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা করে পুকুর থেকে ইশরাতের ডুবন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা থানায় জিডি করার জন্য এসেছিল। জিডি নথিভূক্ত করার আগেই ডুবরিরা পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।

সালিশ থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পাগলা পুলিশ

সালিশ থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পাগলা পুলিশ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

স্কুল ছাত্রীর ধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে অনুষ্ঠিত গ্রাম্য সালিশ থেকে দিলু মিয়া (২৬) নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহের পাগলা থানার পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে পাগলার মশাখালী ইউনিয়নের দড়িচাইর বাড়িয়া গ্রাম থেকে দুই সন্তানের জনক ও মামলার প্রধান আসামী দিলু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুজ্জামান।

এ বিষয়টি মামলার তদন্ত অফিসার ফয়েজুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, দড়িচাইর বাড়িয়া গ্রামের শাহজাহান কবীরের বাড়ির ধর্ষণ মামলার সমঝোতা সালিশের আয়োজন করে স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী ও বদরুজ্জামান বুইদ্যা। সেখান থেকে দিলুকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, সোমবার বিকেলে মশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রীকে (১৩) বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে একই গ্রামের দিলু মিয়া ও আমিরুল ইসলাম। এরপর রাতেই ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে পাগলা থানায় দু’জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে।

মঙ্গলবার পুলিশ হেফাজতে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন করা হয়। বুধবার ঘটনাটি মিমাংসার জন্য ইউপি সদস্যসহ ১০-১২ জন ধর্ষিতার পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে। উপায় না পেয়ে ধর্ষিতার পরিবার সালিশ বৈঠকে বসে। ওই বৈঠক থেকে আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র