Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বগুড়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক খুন

বগুড়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক খুন
নিহত মারুফ ইসলাম পাভেল, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় নিজ ঘরে দুর্বৃত্তের গুলিতে খুন হয়েছেন মারুফ ইসলাম পাভেল (৩০) নামের এক যুবক।

মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে শহরের দক্ষিণ চেলোপাড়ায় এ খুনের ঘটনা ঘটে। নিহত পাভেল দক্ষিণ চেলোপাড়ার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে পাভেল খুন হয় বলে স্থানীয়দের ধারণা।

তবে এ বিষয়ে এখনো পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনার পর নিহত পাভেলের ভগ্নীপতি আবু বক্করকে পু্লিশ আটক করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে পুলিশ আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে পাভেল তার বাসায় তিনতলায় শয়ন ঘরে গুলিবিদ্ধ হয় বলে তার ভগ্নীপতি আবু বক্কর পরিবারের সদস্যদেরকে জানায়। বক্কর নিজেই গুলিবিদ্ধ পাভেলকে নিচতলায় নামিয়ে আনার পর চিৎকার শুরু করেন। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়া পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র দাস বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'নিহত পাভেলের বড় ভাই সুমন বেশ কয়েক বছর আগে খুন হন। আরেক ভাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এক বছর আগে পাভেলের বাবা মারা যান। শহরে তাদের প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। কয়েকটি বাড়ি ছাড়াও শহরে দোকান ঘর থেকে ভাড়া তুলে পাভেল জীবিকা নির্বাহ করত। অবিবাহিত পাভেল তার সৎ মার সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস করত। পাভেলের নিজের এক বোন ঢাকায় বসবাস করে। সৎ তিন বোনের মধ্যে দুই বোন বাবার পৈত্রিক বাড়িতেই বসবাস করে। সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে বোন ভগ্নীপতিদের সাথে পাভেলের বিরোধ চলছিল। এসব বিষয় নিয়ে থানায় একাধিকবার সালিশ দরবারও হয়েছে।'

পৌর কাউন্সিলর বলেন, 'স্থানীয়রা সন্দেহ করছেন সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিত ভাবে পাভেলকে খুন করে। তারা নিহতের ভগ্নীপতি আবু বক্করকেই সন্দেহের চোখে দেখছেন।'

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'তলপেটে গুলিবিদ্ধ হওয়ার চিহ্ন দেখা গেছে। তাৎক্ষণিক কোনো কারণ জানা যায়নি। তবে নিহতের ভগ্নীপতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।'

আপনার মতামত লিখুন :

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে ইশরাত (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আকরতমা গ্রামের একটি মসজিদের পুকুর থেকে ডুবরিরা তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ইশরাত উপজেলার পানিয়ালা গ্রামের জলার বাড়ির ইমরান হোসেনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ইশরাতের বাবা-মা স্বপরিবারে আকরতমা গ্রামে ভুলুয়া বাড়ির নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বিকেলে সবার অগোচরে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পরে আত্মীয়-স্বজনরা বাড়ির পুুকুর ও আশপাশের এলাকায় খুঁজেও তাকে পায়নি। কোথাও না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে যায় পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে এর আগেই রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুরের ডুবরির দল প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা করে পুকুর থেকে ইশরাতের ডুবন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা থানায় জিডি করার জন্য এসেছিল। জিডি নথিভূক্ত করার আগেই ডুবরিরা পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।

সালিশ থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পাগলা পুলিশ

সালিশ থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পাগলা পুলিশ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

স্কুল ছাত্রীর ধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে অনুষ্ঠিত গ্রাম্য সালিশ থেকে দিলু মিয়া (২৬) নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহের পাগলা থানার পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে পাগলার মশাখালী ইউনিয়নের দড়িচাইর বাড়িয়া গ্রাম থেকে দুই সন্তানের জনক ও মামলার প্রধান আসামী দিলু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুজ্জামান।

এ বিষয়টি মামলার তদন্ত অফিসার ফয়েজুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, দড়িচাইর বাড়িয়া গ্রামের শাহজাহান কবীরের বাড়ির ধর্ষণ মামলার সমঝোতা সালিশের আয়োজন করে স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী ও বদরুজ্জামান বুইদ্যা। সেখান থেকে দিলুকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, সোমবার বিকেলে মশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রীকে (১৩) বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে একই গ্রামের দিলু মিয়া ও আমিরুল ইসলাম। এরপর রাতেই ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে পাগলা থানায় দু’জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে।

মঙ্গলবার পুলিশ হেফাজতে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন করা হয়। বুধবার ঘটনাটি মিমাংসার জন্য ইউপি সদস্যসহ ১০-১২ জন ধর্ষিতার পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে। উপায় না পেয়ে ধর্ষিতার পরিবার সালিশ বৈঠকে বসে। ওই বৈঠক থেকে আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র