Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

কোম্পানীগঞ্জে ৪ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

কোম্পানীগঞ্জে ৪ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
হাত দিয়েই তুলে ফেলা যাচ্ছে রাস্তার পিচ, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নোয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের জেলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাবাজার থেকে ছোটধলী পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ মিটার রাস্তা পাকাকরণ কাজে নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

কাজে নানা অনিয়ম চললেও কার্যপ্রদানকারী বিভাগ এ বিষয়ে নির্বাক ভূমিকা পালন করছে। আবার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিয়মিত মনিটরিং না করায় কাজ বাস্তবায়নে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারে স্থানীয়রা অভিযোগ করলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বলছে, নিয়ম মেনেই কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আর সংশ্লিষ্ট দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাফাই গাইছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/14/1557836638448.jpg

স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, ‘রাস্তার সিলকোট হয়েছে নিম্নমানের। ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের বিটুমিন।’

সোমবার (১৩ মে) দুপুরে সিলকোটের (পিচের) কাজ করার ১ ঘণ্টা পর নিম্নমানের পিচগুলো হাত দিয়ে তুলে ফেলে এলাকাবাসী। পরে এলাকাবাসীর অভিযোগের মুখে ঠিকাদারের লোকজন পুনরায় পিচ ঢালাই করে। তবে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণে সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে বেজায় শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন, নতুন সড়কের এখনই যদি এ অবস্থা হয় তাহলে সামনের বর্ষায় কি অবস্থা হবে। এতসব অনিয়মের পরও সড়ক ও জনপথ বিভাগের নীরবতায় এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কাজটি বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন।

নোয়াখালী সওজ’র কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে জেলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ১ হাজার ৫০০ মিটার সড়কের এ কার্যাদেশ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাজু এন্টারপ্রাইজ।

মেসার্স রাজু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. ছিদ্দিক উল্যাহর ফোনে যোগাযোগ করে হলে তিনি জানান, তিনি ৮০ ভাগ মানসম্পন্ন কাজ করেছেন। নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টি তিনি নাকচ করে দেন।

এ বিষয়ে নোয়াখালী সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বিনয় কুমার পাল’র ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঠিকাদার সড়ক নির্মাণে নিন্মমানের কাজ করলে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা মানসম্পন্ন কাজ বুঝে নেব।

আপনার মতামত লিখুন :

কৃষকের গুপ্তধন 'বইকচু'

কৃষকের গুপ্তধন 'বইকচু'
বইকচু চাষি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সবজি ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত ধাপেরহাট এলাকা। এই এলাকার ফসলি জমিতে বিভিন্ন সবজির পাশাপাশি চাষ করা হয় 'বইকচু'। এবার বইকচুর অধিক ফলন ও আশানারূপ দাম পাওয়ায় এ কচু যেন গুপ্তধনে পরিণত হয়েছে। কৃষকের মাঝে দেখা গেছে হাসির ঝিলিক।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট)  সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ইসলামপুরস্থ গাছতলায় বসে ছকিনা বেওয়া, আজিরণ বিবি ও মরিয়ম বেগমসহ অনেকেই কচু পরিষ্কার করছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566571246512.jpg

 

তারা বলেন, আমরা সবাই শ্রমিক হিসেবে কাজ করছি। এক মণ কচু পরিষ্কার করলে ১৫০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়। প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই মণ কচু পরিষ্কার করে সন্তোষজনক হারে আয় করা যায়। তবে কচুর দাম কম হলে মজুরির দামও কম হয় বলে জানান তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566571271611.jpg

 

ছত্রগাছা গ্রামের কৃষক আকবর আলী জানায়, ধাপেরহাট এলাকায় আলু, পটল, করল্লা ও হলুদসহ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে চাষ করা হয়েছে বইকচু। গত বছরের তুলনা এবার কচুর চাষাবাদ অনেকটাই বেড়েছে। ফলনও হয়েছে বাম্পার। বাজারে বেড়ে গেছে কচুর কদর। এর ফলে কচু আবাদ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566571349829.jpg

 

আলীনগর গ্রামের আরেক কচু চাষি ফরিদুল ইসলাম জানান, একবিঘা (৩৩ শতক) জমিতে কচু আবাদে খরচ হয় প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা। যা থেকে প্রায় ৬০-৬৫ মণ কচু উৎপাদন করা যায়। এবারে উৎপাদিত কচু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার টাকা মণ দামে। আশানারূপ দাম পাওয়ায় অনেকটাই লাভবান হচ্ছি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, কচুর মধ্যে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। তাই কচু চাষ করার জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা হয়। এবার কচুর দাম ভাল থাকায় কৃষকরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। 

স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা, স্বামী আটক

স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা, স্বামী আটক
আটক হওয়া স্বামী, ছবি: সংগৃহীত

সিদ্ধিরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশে পেটে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগে স্বামী সোহাগ (৩৫) কে আটক করে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে মিজমিজি পূর্বপাড়া পাগলাবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সোহাগকে আটক করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।

গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূ মুন্নি আক্তারকে (২৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই সন্তানের জননীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে স্বজনরা।

আটককৃত সোহাগ কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানা এলাকার ফজলুর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে হালিম মোল্লার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদশা আলম জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে সোহাগ তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের পেটে ছুরিকাঘাত করেছে। এ ঘটনায় স্বামী সোহাগকে আটক করা হয়েছে। উভয় পরিবারের সিদ্ধান্ত জেনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র