Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ভবন নির্মাণে অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ভবন নির্মাণে অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে
হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের ৬ষ্ঠ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ কাজে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রাথমিক তদন্তে ভিট লেভেল দেয়ালে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক অজয় কুমার সাহা।

তিনি বলেন, ‘মাটির নিচ থেকে ১০ ইঞ্চি করে ভিট লেভেল দেয়াল দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায় সেখানে দুটি স্তরে মোট ১৫ ইঞ্চি ভিট দেয়াল রয়েছে। এর মধ্যে মূল দেয়ালের ১০ ইঞ্চির বদলে ৩ ইঞ্চি দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পরিবর্তে বিষয়টি দুদক তদন্ত শুরু করলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজেদের অনিয়ম ঢাকতে ভবনের ভেতরের অংশে অতিরিক্ত আরও ১০ ইঞ্চি দেয়াল নির্মাণ করে। এরমধ্যে আবার প্লাস্টার লাগানো হয় দুই ইঞ্চি।

তিনি আরও বলেন, ‘ভবনে ‘এ’ গ্রেড টাইলস দেয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া উন্নতমানের থাই এ্যালুমিয়াম ও গ্লাস লাগানোর কথা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এনে ২৮ মে তদন্ত করা হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট দফতরে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৩০মে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘হবিগঞ্জে নির্মাণাধীন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতালের নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে’ মর্মে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ মে হবিগঞ্জ দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক অজয় কুমার সাহা এর অনুসন্ধান শুরু করেন।

তদন্তকালে হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদ মোহাম্মদ আন্দালিব উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

পুকুর ভাড়ায় পাট জাগ, দুর্ভোগে চাষিরা

পুকুর ভাড়ায় পাট জাগ, দুর্ভোগে চাষিরা
ভাড়া করা পুকুরে পাট জাগ দিচ্ছেন এক কৃষক

আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটেছে। বিজ্ঞানের যুগান্তকারী নানা উদ্ভাবনের ফলে কৃষিকাজ হয়েছে সহজতর। কিন্তু পাটের আঁশ ছাড়ানোর সেই সনাতন পদ্ধতি আজও রয়ে গেছে।

একদিকে অনাবৃষ্টি অন্যদিকে খাল-বিল, নদী-নালা ভরাটের ফলে পাট জাগ দেওয়া নিয়ে কৃষকের দুর্ভোগের সীমা নেই। বাধ্য হয়ে অন্যের পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিচ্ছেন মেহেরপুর জেলার কৃষকরা। আর একই পুকুরে বার বার পাট জাগ দেওয়ায় পাটের রং যাচ্ছে নষ্ট হয়ে। ফলে পাটের দাম কম পাচ্ছেন চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় চলতি মৌসুমে ১৯ হাজার ৯২০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। যা গত বছর ছিল ২৫ হাজার হেক্টরের উপরে। পাট চাষ নিয়ে নানা রকম সমস্যা ও দর পতনের ফলে চাষিরা অর্থকরী এই ফসল আবাদে বিমুখ হচ্ছেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566206669467.jpg

বানিয়াপুকুর গ্রামের কৃষক আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, বর্ষাকালে চাইলেই সব ফসল আবাদ করা যায় না। কিছু জমি আছে যেখানে একমাত্র পাট আবাদ করা যায়। ফলে বাধ্য হয়ে পাট আবাদ করতে হচ্ছে।

ভোমরদহ গ্রামের পাটচাষি মিলন হোসেন বলেন, ১ বিঘা জমির পাট জাগ দিতে পুকুর ভাড়া দিতে হচ্ছে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। একটি পুকুরে বার বার পাট জাগ দিতে গিয়ে পাটের রং নষ্ট হচ্ছে। ফলে দর কমে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: পুকুর ভাড়া নিয়ে চলছে পাট জাগ

চাষি আরও জানান, সব পাটচাষির নিজস্ব পুকুর নেই। খাল-বিল, নদী-নালায়ও নেই পানি। আবার কিছু জলাশয় বেদখল হয়েছে। ফলে পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দেওয়া ছাড়া তাদের বিকল্প কোন উপায়ও নেই।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566206786332.jpg

স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা দামে। এই দরে পাট বিক্রি করে লাভ তো দূরের কথা আবাদ খরচই উঠছে না বলে জানিয়েছেন চাষিরা।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, পাটের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা না গেলে এক সময় পাট আবাদ বন্ধ হয়ে যাবে। প্রতি বছর আবাদ খরচ বৃদ্ধি পেলেও পাটের দর বৃদ্ধি পাচ্ছে না, এটা দুঃখজনক।

চুয়াডাঙ্গায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক আটক

চুয়াডাঙ্গায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক আটক
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার, ছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীন পাড়ায় তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় সোমবার (১৯ আগস্ট) সুলতান (২১) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

সুলতান একই এলাকার ভূমিহীনপাড়ার তুরাপ আলির ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রোববার (৪ আগস্ট) দুপুরে খালি বাসায় শিশুটিকে ধর্ষণ করে সুলতান। বাবা-মা বাসায় ফিরলে শিশুটি ঘটনাটি তাদের অবহিত করে। এই ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সোমবার দুপুরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধর্ষক সুলতানকে ভূমিহীন পাড়ার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস জানান, ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র