Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

হবিগঞ্জের বাজারে মধুমাসের হাওয়া

হবিগঞ্জের বাজারে মধুমাসের হাওয়া
হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজারে মধুমাসের ফল নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
কাজল সরকার
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

তাপ প্রবাহের দাপট আর ঘূর্ণিঝড় ফণীর আতঙ্ক দেখিয়ে বিদায় নিল বৈশাখ। শুরু হলো ‘মধুমাস’ খ্যাত জৈষ্ঠ্য মাস। রসালো শাঁসালো হরেক রকম ফলের ঘ্রাণ আর কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়ার লাল বর্ণের প্রকৃতি নিয়ে হাজির হয়েছে জৈষ্ঠ্য। যার সৌরভে ভরে উঠেছে প্রকৃতি। সিঁদুরে রাঙা আম-লিচু, আর কাঁচাসোনা রঙের কাঁঠালের সাথে ফুলের সমারোহ প্রকৃতিকে যেন সাজিয়েছে এক অন্যরকম সাজে।

শুধু মধু মাসের আগমনই ঘটেনি; একই সাথে চৈত্র-বৈশাখের খরতাপে অতিষ্ঠ তৃষ্ণার্ত মানুষের প্রাণ জুড়াতে বাজারে উঠেছে হরেক রকমের ফল। নান ফলের মধুঘ্রাণে ভরে উঠছে বাজারের চারপাশ। যদিও ফলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি বলে দাবি ক্রেতাদের। তবে ব্যবসায়িরা বলছেন, এখনও বাজারে ফলের প্রাচুর্যতা বাড়েনি। তাই দাম একটু বেশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/15/1557905399661.jpg
লিচু বিক্রি করছেন এক বিক্রেতা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজারে বসে ফলের সবচেয়ে বড় সমাহার। সেখানে বিভিন্ন জাতের আম, লিচু, কাটাল, আনারস, তরমুজসহ বাহারি ফলের সমাহার বসেছে। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতেও বসেছে ফলের মেলা। আবার ফলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। মিষ্টি এই ফলগুলো নতুন বাজারে আসায় সব ধরণের ক্রেতারাই কম বেশি কেনার চেষ্টা করছেন। তবে বাজার ঘুরে দেখা যায় সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিলে আম, লিচু ও কাঠালের দোকানে।

সরেজমিনে চৌধুরী বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি ১০০ পিস লিচু বিক্র হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০টাকায়, বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে কাঁঠালের দাম গতবারের চেয়ে একটু বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, কাঁঠালের দাম এখন থেকে কমবে।

চৌধুরী বাজারে দেশি তরমুজের দাম অন্যান্য জায়গার তুলনায় কম। প্রতি পিস তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা দরে। তবে বিদেশি তরমুজের দাম একটু বেশি। আনারস পাওয়া যাচ্ছে এক হালি (৪টি) ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। আনারসের দামও সামনে কমবে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

নবীগঞ্জের ক্রেতা মো. ইসমাইল হোসেন বাচ্চু বলেন, ‘প্রশান্তির জন্য আল্লাহ তা-আলা নানা রকমের রসালো ফল আমাদের দান করেছেন। তবে সবচেয়ে বেশি মিষ্টি জাতীয় ফল পাওয়া যায় জৈষ্ঠ্য মাসে। এ মাসে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন ধরণের ফল বাজারে আসে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/15/1557905502969.jpg
কাঁঠালের দাম একটু বেশি হলেও ক্রেতাদের ভিড় রয়েছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম

তিনি বলেন, ‘হবিগঞ্জ আসছিলাম মূলত অন্য একটি কাজে। কিন্তু নতুন এই মিষ্টি ফলগুলো দেখে আর লোভ সামলাতে পারলাম না। তাই ভাবলাম পরিবার পরিজনের জন্য কিছু ফল নিয়ে যায়।’

শহরের রাজনগর এলাকার বাসিন্দা মো. সাঈদ আলী বলেন, ‘এখন রমজান মাস চলছে। এর মধ্যে প্রচণ্ড গরমও। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে এই ফলগুলো খেলে শরীর অনেকটা ভালো থাকে। তাই দাম একটু বেশি হলেও নিতে আসছি।’

ফল ব্যবসায়ী মো. আজগর আলী বলেন, ‘এই ফলগুলো নতুন বাজারে এসেছে। তাছাড়া এখনও সব জায়গায় ফল পাঁকেনি। ফল যখন বাজারে বেশি বেশি আসবে তখন এমনিতেই দাম কমে যাবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

বান্দরবানে অপহৃত আরেক চালককে মুক্তি দিয়েছে সন্ত্রাসীরা

বান্দরবানে অপহৃত আরেক চালককে মুক্তি দিয়েছে সন্ত্রাসীরা
মানচিত্রে বান্দরবান

বান্দরবানের রুমায় অপহরণের চারদিন পর অপহৃত আরেক জিপ চালক বাসু কর্মকারকে (৩২) মুক্তি দিয়েছে সন্ত্রাসীরা।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে তাকে মুক্তি দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত সোমবার (১৯ আগস্ট) রুমা উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিনজিরি পাড়ামুখ থেকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তিনটি জিপ গাড়ির গতিরোধ করে ৩ চালককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের একদিন পর নয়ন জলদাস (২৯) এবং মো: মিজান (৩০) নামে দুজনকে মুক্তি দেয়। শুক্রবার অপহরণের চারদিন পর অপর জিপ চালক বাসু কর্মকার (৩২) ছেড়ে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা।

আরও পড়ুন: রুমায় অস্ত্রের মুখে জিপ গাড়ির ৩ চালককে অপহরণ

স্থানীয়দের দাবি, অস্ত্রের মুখে অপহৃত তিন জন জিপ চালকের মুক্তিপণ বাবদ সন্ত্রাসীরা ১০ লাখ টাকা দাবি করে। অনেক আলোচনার পর মোটা অংকের মুক্তিপণ দিয়েই ছাড়া পেয়েছেন অপহৃতরা।

তবে মুক্তিপণ দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, সেনাবাহিনী-পুলিশের যৌথ অভিযানের মুখে অপহৃত ৩ জন জিপ চালককে ছেড়ে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

'সকল খুনীদের রক্ষক, পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত'

'সকল খুনীদের রক্ষক, পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত'
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাসদ সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি, ছবি: সংগৃহীত

 

সকল খুনিদের রক্ষক, পৃষ্ঠপোষক বিএনপি-জামায়াত বলে মন্তব্য করেছেন জাসদ সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি।

তিনি বলেন, ৭১’র খুনি, ৭৫’র খুনি, ২১ আগস্টের খুনি ও মানুষ পোড়ানোর সকল খুনিদের রক্ষক, পৃষ্ঠপোষক, আস্তানা ও ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া ইউনিয়ন জাসদ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘যখন খোলা আদালতে খালেদা ও তারেকসহ সকল খুনিদের বিচার চলছে। তখন খুনিদের পক্ষে বিএনপির ওকালতি চোরের মার বড় গলার মতোই শোনা যাচ্ছে।’

এ সময় কেন্দ্রীয় জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপন, কুষ্টিয়া জেলা জাসদ সভাপতি গোলাম মহসীন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জামাল আহমেদসহ জাসদ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র