Alexa

গোপালগঞ্জে পানির জন্য এখন অন্য গ্রামে যেতে হয় না

গোপালগঞ্জে পানির জন্য এখন অন্য গ্রামে যেতে হয় না

ছবি: বার্তা২৪.কম

গোপালগঞ্জে আর্সেনিকের ঝুঁকি কমাতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্থাপন করা হচ্ছে আরও ৩ হাজার ২৩৭টি গভীর নলকূপ। আর এই গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের পাঁচ উপজেলায় শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ের সাধারণ মানুষ সুপেয় পানি পানের সুযোগ পাচ্ছে।

ইতোমধ্যে বসতবাড়ি থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, গির্জায় এখন পাওয়া যাচ্ছে আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি। এখন আর সুপেয় পানির জন্য এ গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যেতে হয় না। নিজের বাড়িতে না থাকলেও পাশের বাড়িতেই রয়েছে গভীর নলকূপ (ডিপ-টিউবওয়েল)। বাড়ির মেয়েরাই পাশের বাড়ি থেকে অর্সেনিকমুক্ত খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছে।

গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পে ২ হাজার ১২টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে গোপালগঞ্জ সদরে ৪৬৮টি, টুঙ্গিপাড়ায় ১০০টি, কোটালীপাড়ায় ২৮৪টি, কাশিয়ানীতে ৪৮৩টি এবং মুকসুদপুরে ৬৯৭টি।

এছাড়াও অগ্রাধিকার মূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পে সাধারণ বরাদ্দ ও অতিরিক্ত মিলে ১ হাজার ৬৮টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে গোপালগঞ্জ সদরে ১৭৮টি, টুঙ্গিপাড়ায় ১৭৮টি, কোটালীপাড়ায় ১৭৮টি, কাশিয়ানীতে ৩৫৬টি এবং মুকসুদপুরে ১৭৮টি। আগামী অর্থবছরে ৫ হাজার ৬শ সাব-মার্সিবল পাম্পসহ গভীর নলকূপ, ৪২টি গ্রামীণ পাইপ ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্প, ১০টি সিডকো প্লান্ট, ১০টি রিভার্স অসমোসিস প্লান্ট, ২ হাজার আর্সেনিক আয়রন রিমোভাল প্লান্টের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম সুপারুল আলম টিকে বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে আরও অন্তত ২শ গভীর নলকূপের প্রয়োজন রয়েছে। এই ২শ গভীর নলকূপ স্থাপন করতে পারলে আমার ইউনিয়নের কোনো বাড়িতে আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানির সমস্যা থাকবে না। আমি আমার ইউনিয়নে ২শ গভীর নলকূপ স্থাপন করার দাবি করছি।’

গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক চন্দ্র তালুকদার জানান, গোপালগঞ্জের পাঁচ উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়নে সুপেয় পানি পানের সুবিধার জন্য চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্থাপন করা হচ্ছে আরও ৩ হাজার ২৩৭টি গভীর নলকূপ। আর এই গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের পাঁচ উপজেলার শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ের সাধারণ মানুষ সুপেয় পানি পানের সুযোগ পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :