Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বালুমহাল ইজারা নিয়ে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২০

বালুমহাল ইজারা নিয়ে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২০
ছবি: প্রতীকী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ফরিদপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বালুমহাল ইজারা নেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। একই সময় কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) সকালে বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের চন্ডিবিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে নয়জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলায় আহতদের মধ্যে ঘোষপুর ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মুন্নু মোল্যা (৪২), স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রবীণ কর্মী কাজী রফিউদ্দিন (৬০), তার ছেলে কাজী শামীম (৩৫), মোস্তফা মোল্যা (৫০), সাইফুর রহমান (৫০), মেয়ে কাজী শাহনাজ (৩৫), আব্দুর রাজ্জাক (৭০), মতিয়ার রহমান (৫০), কবির হোসেন (৫৫) ও সাহেব আলীকে (২৬) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অন্যান্যদের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এদের সকলেই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের লোক বলে জানা গেছে।

ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক এসএম ফারুক হোসেন জানান, বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া এবং আলাউদ্দিন আহমেদের সমর্থক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জামাল মেম্বার ও আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে বর্বরোচিত এ হামলা চালানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা ও ঘোষপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া বলেন, ‘আগের দিন রাতে আমার লোকদের ওপর হামলা চালিয়েছে ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের সমর্থকরা। এ কারণে এই ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে।’

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘোষপুর ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি ঘোষপুর ইউনিয়নের বালুমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চাঙা হয়ে উঠে। মাসখানেক আগেও দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৭ জন আহত হন।

আপনার মতামত লিখুন :

পদ্মায় পানি বেড়ে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই

পদ্মায় পানি বেড়ে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই
পানি বাড়ার ফলে স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রমত্তা পদ্মা নদীতে এখন প্রতিদিন গড়ে পানি বাড়ছে ০.৩০-০.৩৫ সেন্টিমিটার। আর এই পানি বৃদ্ধির কারণে পদ্মার দু'কূলের মানুষ এখন বন্যার কবলে পড়তে যাচ্ছে। প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে নদী ভাঙন।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান করনী ইউসুফ উদ্দিন খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, গত কয়েকদিন ধরে পদ্মার পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ০.৩৫ সেন্টিমিটার। সোমবার পানি বৃদ্ধির হার ছিল ০.৩০ সেন্টিমিটার। গড়ে এ সপ্তাহে প্রায় দশমিক ০.৩০-০.৩৫ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পদ্মায় পানি বেড়ে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই

তিনি আরও জানান, রাজবাড়ীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমান ৮.৪৫ সেন্টিমিটার হয়েছে। ৮.৬৫ সেন্টিমিটার পানি হলেই তা বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হবে।

পদ্মায় পানি বৃদ্ধির ফলে তীব্র স্রোত বইছে। আর তীব্র স্রোতের কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ১৪টি ফেরি ও ১৭টি লঞ্চের নদী পার হতে প্রায় দ্বিগুণ সময় লাগছে। যার ফলে উভয় ঘাটে দেখা দিয়েছি তীব্র যানজট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরাসহ যানবাহনের চালক ও শ্রমিকরা।

লঞ্চ এমভি মোস্তফার চালক শহিদুল জানান, পদ্মায় পানি বাড়ার কারণে আমাদের নদী পার হতে দ্বিগুণ সময় লাগছে।

সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
পানিতে ঘর তলিয়ে যাওয়ায় মাচার উপর বসে আছেন পরিবারের সদস্যরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ৫২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩০ হাজার পরিবারের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বিশেষ করে সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ও মেছড়া ইউনিয়নের প্রায় ৩০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিতে চুলা ডুবে যাওয়ায় রান্না করে খাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট। গরু-ছাগল হাস মুরগি নিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে পানিবন্দিরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289147006.JPG

বন্যা কবলিত এলাকায় রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চলাচলের ভয়াবহ অসুবিধা হয়েছে। পানিবন্দি মানুষগুলো সার্বক্ষণিক পানিতে থাকায় হাত ও পায়ে ঘা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ করা ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে।

তবে এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসকারি কোনো সহায়তা পৌঁছায়নি এসব বানভাসী মানুষের কাছে। এছাড়া বন্যার সাথে ভাঙনের কারণে কাওয়াকোলা ও কাজিপুর, এনায়েতপুর ও চৌহালীর অনেক পরিবারের বসতভিটা বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীতে।

সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, ২০৫ মেট্টিক টন চাল উপজেলা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই তা বিতরণ শুরু হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র