Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বগুড়ায় ২৬ টাকা কেজি দরে ধান ক্রয় শুরু

বগুড়ায় ২৬ টাকা কেজি দরে ধান ক্রয় শুরু
এলএসডিতে বরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলায় এবার ৫ হাজার ৫৮৬ মেট্রিক টন ধান, ৭ হাজার ৪৬ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৭৮ হাজার ৩৫৪ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হবে। বোরো সংগ্রহ অভিযান চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে বগুড়া সদর এলএসডি খাদ্য গুদাম চত্বরে বোরো সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেনআনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ধান কেনার ক্ষেত্রে কোনো কৃষক হয়রানি হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছাড় পাবেন না। প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে মান ঠিক রেখে ধান কিনতে হবে।’

সাধন চন্দ্র মজুমদার আরও বলেন, ‘সরকারি খাদ্য গুদামে ধান কেনা শুরু হলে বাজারে ধানের দাম বাড়বে। ধানের উৎপাদন খরচের পাশাপাশি শ্রমিক খরচ অনেক বেড়ে গেছে।’

তাই তিনি শ্রমিক খরচ কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ব্যবহার বাড়ানোরর উপর গুরুত্ব দেন।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন ‘বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে রুপান্তর হয়েছে। এ দেশে এখন কেউ না খেয়ে মরে না।’

বগুড়ার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনিরুজ্জামান, বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু প্রমুখ।

বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এসএম সাইফুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘চলতি বোরে সংগ্রহ অভিযানে প্রতি কেজি ধান ২৬ টাকা, আতপ চাল ৩৫ টাকা এবং সিদ্ধ চাল ৩৬ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলার ২ হাজার ১৮১টি রাইস মিল এবং ৮৩টি আতপ রাইস মিল মালিক চাল সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে ইশরাত (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আকরতমা গ্রামের একটি মসজিদের পুকুর থেকে ডুবরিরা তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ইশরাত উপজেলার পানিয়ালা গ্রামের জলার বাড়ির ইমরান হোসেনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ইশরাতের বাবা-মা স্বপরিবারে আকরতমা গ্রামে ভুলুয়া বাড়ির নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বিকেলে সবার অগোচরে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পরে আত্মীয়-স্বজনরা বাড়ির পুুকুর ও আশপাশের এলাকায় খুঁজেও তাকে পায়নি। কোথাও না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে যায় পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে এর আগেই রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুরের ডুবরির দল প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা করে পুকুর থেকে ইশরাতের ডুবন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা থানায় জিডি করার জন্য এসেছিল। জিডি নথিভূক্ত করার আগেই ডুবরিরা পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।

সালিশ থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পাগলা পুলিশ

সালিশ থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পাগলা পুলিশ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

স্কুল ছাত্রীর ধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে অনুষ্ঠিত গ্রাম্য সালিশ থেকে দিলু মিয়া (২৬) নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহের পাগলা থানার পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে পাগলার মশাখালী ইউনিয়নের দড়িচাইর বাড়িয়া গ্রাম থেকে দুই সন্তানের জনক ও মামলার প্রধান আসামী দিলু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুজ্জামান।

এ বিষয়টি মামলার তদন্ত অফিসার ফয়েজুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, দড়িচাইর বাড়িয়া গ্রামের শাহজাহান কবীরের বাড়ির ধর্ষণ মামলার সমঝোতা সালিশের আয়োজন করে স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী ও বদরুজ্জামান বুইদ্যা। সেখান থেকে দিলুকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, সোমবার বিকেলে মশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রীকে (১৩) বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে একই গ্রামের দিলু মিয়া ও আমিরুল ইসলাম। এরপর রাতেই ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে পাগলা থানায় দু’জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে।

মঙ্গলবার পুলিশ হেফাজতে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন করা হয়। বুধবার ঘটনাটি মিমাংসার জন্য ইউপি সদস্যসহ ১০-১২ জন ধর্ষিতার পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে। উপায় না পেয়ে ধর্ষিতার পরিবার সালিশ বৈঠকে বসে। ওই বৈঠক থেকে আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র