Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সৈয়দপুর বিমানবন্দর এলাকায় পাকা বাড়ি নির্মাণের হিড়িক

সৈয়দপুর বিমানবন্দর এলাকায় পাকা বাড়ি নির্মাণের হিড়িক
সৈয়দপুর বিমানবন্দর এলাকা। ছবি: বার্তা২৪.কম
মাহমুদ আল হাসান (রাফিন)
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নীলফামারী


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নীলফামারীর সৈয়দপুরে কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে বদলে গেছে এতো দিনের চেনা চিত্র। জমি অধিগ্রহণে সর্বাধিক দাম পাওয়ার আশায় বিমানবন্দরের আশপাশের এলাকায় রাতারাতি কয়েকশ পাকা-বাড়িঘর নির্মাণ করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল।

অভিযোগ উঠেছে, অধিগ্রহণ ভুক্ত জমির বাড়তি দাম হাতিয়ে নিতে শত শত স্থাপনা তৈরি করছে চক্রটি।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে সৈয়দপুর বিমানবন্দর এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায় নতুন পাকা-দালান নির্মাণের হিড়িক।

জানা গেছে, নীলফামারী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে জমি অধিগ্রহণে ফিল্ড বুকের কাজ। কিন্তু গত এক মাসে কয়েকশ নতুন পাকা দালান উঠেছে অধিগ্রহণের আওতাভুক্ত গ্রামগুলোতে।

পশ্চিমপাড়ার হাড়িপুকুর এলাকার হাবিব ইসলাম বলেন, ‘আমরা শুনেছি এখানে বিমানবন্দর হচ্ছে। আমাদের কোনো নোটিশ দেয় নাই। আমাদের দাবি হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্তরা যেন জমির ন্যায্য মূল্য পান।’

সৈয়দপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোকছেদুল মোমিন জানান, চলমান প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য কিছু স্বার্থান্বেষী মহল মাঠে রয়েছে। তারা সাধারণ মানুষকে উসকে দিয়ে বিমানবন্দর নির্মাণ কাজে বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম গোলাম কিবরিয়া জানান, সকলের সমন্বয়ে একটি ভিডিও চিত্র ধারণ করা হয়েছে। যারা নতুন করে পাকা ঘর করছে তা ভিডিও দেখে বের করা যাবে। যদি কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই কাজ করে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বার্থান্বেষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, বিমানবন্দরের বর্তমান ৬ হাজার ফুটের রানওয়েটি আরও চার হাজার ফুট সম্প্রসারণে নীলফামারীর সৈয়দপুর ও দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ৯১২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

দুর্বৃত্তের এসিডে ঝলসে গেল গৃহবধুর মুখ

দুর্বৃত্তের এসিডে ঝলসে গেল গৃহবধুর মুখ
সিরাজগঞ্জে গৃহবধুর উপর এসিড নিক্ষেপ/ছবি: বার্তা২৪.কম

দুর্বৃত্তের এসিড নিক্ষেপে  সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে আঙ্গুর খাতুন (১৯) নামে এক গৃহবধুর মুখ,পিঠ ও হাত ঝলসে গেছে। তাকে গুরুতর অবস্থায় সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) রাতে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের দোগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসিড আক্রান্ত আঙ্গুরী খাতুন উপজেলার দোগাছী গ্রামের তাঁত শ্রমিক শাহাদত হোসেনের স্ত্রী।

গৃহবধুর স্বামী শাহাদত হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে নিজ ঘরের দরজার পাশে বসে খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ অজ্ঞাত এক ব্যক্তি এসে তার মুখে এসিড ছুঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল ইসলাম জানান, গৃহবধুর শরীরে এসিড নিক্ষেপে করা হয়েছে বলে জেনেছি। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শামীমুল ইসলাম জানান, ভিকটিমের শরীরের প্রায় ৮ থেকে ১০ শতাংশ ঝলসে গেছে।

ঘুষ নিয়েও পরচা না দেয়ায় পেশকার অবরুদ্ধ

ঘুষ নিয়েও পরচা না দেয়ায় পেশকার অবরুদ্ধ
পেশকার সফিয়ার রহমান সুমনকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন জমির মালিকরা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

পরচা দেয়ার আশ্বাস দিয়ে জমির মালিকদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের (ভারপ্রাপ্ত) পেশকার সফিয়ার রহমান সুমনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত টাকা (ঘুষ) দিয়েও সময় মতো পরচা পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী জমির মালিকরা।

এ ঘটনায় বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে বিক্ষুব্ধ জমির মালিকরা সেটেলমেন্ট অফিসের (ভারপ্রাপ্ত) পেশকার সফিয়ার রহমান সুমনকে তার নিজ অফিস কক্ষে প্রায় দুইঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন।

জানা গেছে, বুধবার দুপুরে উপজেলার শিয়ালখাওয়া ইউনিয়নের কয়েকজন জমির মালিক ওই অফিসে পরচা নিতে আসেন। কিন্তু ৮০ টাকার বদলে জমির পরচা প্রতি ৫শ টাকা দিতে বলেন সফিয়ার রহমান সুমন। ওই সময় জমির মালিকরা অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং প্রতিবাদ করে বলেন এর আগেও তারা একই কারণে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু পরচা হাতে পাননি।

তবে পেশকার সফিয়ার রহমান সুমন সাফ জানিয়ে দেন আরও ৫শ টাকা ছাড়া জমির পরচা দেবেন না। এর কিছুক্ষণ পরেই জমির মালিকরা পেশকার সফিয়ার রহমান সুমনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

পরে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল হাসান পেশকার সফিয়ার রহমান সুমনকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

এ সময় বিক্ষুব্ধরা ঘুষের টাকা ফেরত ও উপযুক্ত বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, পেশকার সফিয়ার রহমান সুমনকে জমির মালিকদের কাছ থেকে নেয়া ঘুষের অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র