Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান
বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ও তার দুই সহযোগী, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেছেন বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ও তার দুই সহযোগী।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ফাঁসানোর ঘটনা ফাঁস হলে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আগানিহাল বিন জলিল তপন ও তার দুই সহযোগী সুলতান ও সুজনকে।

বুধবার (১৫মে) রাত ১০টায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কাগইল ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক সাজেদুর রহমান শামিম বার্তা ২৪.কমকে বলেন, 'মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে ডিবি পুলিশের একটি দল তার বাড়িতে যায়। এরপর ডিবি পুলিশ তার মোটর সাইকেলের মিটার বক্স থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। ইয়াবা উদ্ধারের পর ঘটনাটি সন্দেহজনক মনে হলেও ডিবি পুলিশের দল ইয়াবা নিয়ে ফিরে আসে।'

পরদিন বুধবার ডিবি পুলিশ ইয়াবা  সংক্রান্ত তথ্যদাতা সুলতান ও সুজনকে কৌশলে আটক করে। পরে তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা স্বীকার করে বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান তপন তাদেরকে টাকা দিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান শামিমের মোটর সাইকেলে ইয়াবা রেখে দেয়।পরে তারাই ডিবি পুলিশকে ইয়াবা সংক্রান্ত তথ্য দেয়।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামীম আরো জানান, ইউপি চেয়ারম্যান তপনের নামে ১০-১২টি মামলা থাকায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় থেকে গত ১৯ মার্চ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

হাইকোর্ট গত ১৫ এপ্রিল তার বরখাস্ত আদেশ স্থগিত করে চেয়ারম্যান পদে বহাল করে। কিন্তু চেয়ারম্যান তপন ইউনিয়ন পরিষদে প্রবেশ করতে পারতেন না।

সেই ক্ষোভ থেকেই মঙ্গলবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা মোটর সাইকেলের মিটার বক্সে কৌশলে ৫০ পিস ইয়াবা রেখে দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়।

বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী বার্তা ২৪.কমকে বলেন, 'গ্রেফতারকৃত সুলতান ও সুজন পুলিশের কাছে স্বীকার করে যে, চেয়ারম্যান তপনের পরিকল্পনায় তারা শামিমের মোটর সাইকেলে কৌশলে ইয়াবা রেখে দেয়। এর বিনিময়ে তপন তাদেরকে ইয়াবা কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা এবং পরে আরো ১২ হাজার টাকা দেয়।'

গ্রেফতারকৃত তিনজনের নামে মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

ঠাকুরগাঁওয়ে গাছের সাথে বাসের ধাক্কায় নিহত ১

ঠাকুরগাঁওয়ে গাছের সাথে বাসের ধাক্কায় নিহত ১
ঠাকুরগাঁওয়ে দুর্ঘটনা কবলিত বাস

ঠাকুরগাঁওয়ের জগন্নাথপুর ইউনিয়নে তাজ পরিবহন নামে একটি নৈশ কোচ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো ১৫ জন।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে ঠাকুরগাঁও-ঢাকা মহাসড়কের বি-আখড়া নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

পরে ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম ইউসুফ(৩৪), চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।তিনি নৈশ কোচের হেলপার বলে বলে জানা গেছে।

হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, সকালের দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ঠাকারগাঁওগামী নৈশ কোচ তাজ পরিবহন সদর উপজেলার বি-আখড়া জেলা বনবিভাগ কার্যালয়ের সামনে এসে পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে যাত্রীবাহী বাসটি উল্টে ১৫ জন আহত হন। তাদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কোচের হেলপার ইউসুফ মারা যান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মফিদার রহমান।

যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার ২ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার ২ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার দুই আসামি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুইটি এলজি ও ৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (২৪ আগস্ট) ভোর রাতে টেকনাফের জাদিমোরা পাহাড়ে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন জাদিমোরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সব্বির আহমদের ছেলে মোহাম্মদ শাহ ও একই ক্যাম্পের আব্দুল আজিজের ছেলে মোহাম্মদ শুক্কুর। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঐ ক্যাম্পে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করে আসছিল। সবশেষ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে যুবলীগ নেতা হত্যার আসামি তারা।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে গুলি চালায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে এসব অস্ত্র ও দুইজনের মৃতদেহ পাওয়া যায়।

নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি প্রদীপ কুমার।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাত পৌনে ১১টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে টেকনাফের জাদিমোরা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুককে গুলি করে হত্যা করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র