Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

পাওনা টাকা চাওয়ায় কুপিয়ে হত্যা

পাওনা টাকা চাওয়ায় কুপিয়ে হত্যা
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নেত্রকোনা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পাওনা টাকা চাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জোবায়ের আলম হাসান (২৫) নামে এক সিএনজি চালককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ সময় মারাত্মক আহত হন নিহতের বাবা রুহুল আমিন, মা কল্পনা আক্তার ও চাচা ফারুক মিয়া নামে তিনজন।

বুধবার (১৫ মে) দিনগত রাত দেড়টার দিকে কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিএনজি চালক জোবায়ের আলম হাসান আলমপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌছে প্রতিপক্ষের আবুল কালাম আজাদ, খোকন ও ঝরনা আক্তার নামে তিনজনকে আটক করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বুধবার (১৫ মে) দিবগত রাত দেড়টার দিকে মাসকা ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের রুহুল আমিন বাঙালির ছেলে জুবায়ের আলম হাসানের (২২) উপর বাড়ির পাশেই হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। এ সময় হাসানের বাবা রুহুল আমিন, মা কল্পনা আক্তার ও চাচা ফারুক এগিয়ে গেলে তাদেরকেও কুপিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষের লোকজন।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাতেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত তিনটার দিকে জোবায়ের আলম হাসানকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ভোরে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমারত হোসেন গাজীর সাথে কথা হলে তিনি এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘একই গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে আশরাফুল এবং হাসানের মধ্যে টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে বুধবার রাত দেড়টার দিকে হাসানের উপর হামলা চালায় আজাদসহ তার লোকজন।’

আপনার মতামত লিখুন :

যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার ২ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার ২ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার দুই আসামি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুইটি এলজি ও ৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (২৪ আগস্ট) ভোর রাতে টেকনাফের জাদিমোরা পাহাড়ে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন জাদিমোরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সব্বির আহমদের ছেলে মোহাম্মদ শাহ ও একই ক্যাম্পের আব্দুল আজিজের ছেলে মোহাম্মদ শুক্কুর। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঐ ক্যাম্পে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করে আসছিল। সবশেষ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে যুবলীগ নেতা হত্যার আসামি তারা।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে গুলি চালায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে এসব অস্ত্র ও দুইজনের মৃতদেহ পাওয়া যায়।

নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি প্রদীপ কুমার।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাত পৌনে ১১টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে টেকনাফের জাদিমোরা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুককে গুলি করে হত্যা করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা।

শীতের আগে কাজে ফিরতে চান রাখাইন পল্লীর তাঁতিরা

শীতের আগে কাজে ফিরতে চান রাখাইন পল্লীর তাঁতিরা
তালতলীর রাখাইন পল্লীতে কাপড় বুনছেন এক তাঁত শিল্পী/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনা জেলার দক্ষিণে সর্বশেষ উপজেলা তালতলী। ১৭০০ সালের শেষের দিকে মিয়ানমারের আরাকানের মেঘাবতীর সান্ধ্যে জিলার ছেং ডোয়ে, রেমেত্রে, মেং অং অঞ্চল ত্যাগ করে রাখাইনরা এখানে বসবাস শুরু করেন।

তারপর থেকে জীবিকা নির্বাহের জন্য রাখাইন নারীরা তাঁতের কাপড় বোনা শুরু করেন। সেই থেকে কয়েক বছর আগেও তালতলীতে রাখাইনদের তাঁত শিল্ল ছিল জমজমাট। কিন্তু রাখাইন পল্লীতে তাঁত শিল্পের সেই সূবর্ণ দিন এখন আর নেই।

তাঁত বুনার যন্ত্রপাতি পড়ে আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। এই শিল্পের কারিগররা বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা। গুটিকয়েক যারা আছেন, ভালো নেই তারা। এখন অনেকটা মানবেতর জীবন পার করছেন এই উপজেলার রাখাইন পল্লীর মানুষজন। বিলুপ্তির পথে এই তাঁত শিল্প।

শীতকালে জনপ্রিয় পোশাক এ তাঁতের কাপর। তাই আগামী শীত মৌসুমের আগে তাঁত শিল্পতে ফিরতে চাচ্ছেন রাখাইন পল্লীর তাঁতিরা, চাচ্ছেন সরকারি সহযোগিতা। উপজেলা প্রশাসনও বলছে, তাদের নতুন করে প্রশিক্ষণ ও ঋণ দিয়ে তাঁত শিল্পে ফিরিয়ে আনা হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566618833416.gif

জানা যায়, রাখাইন পল্লীতে এক সময় দিন রাত সমান তালে তাঁতের ঠক ঠক আওয়াজ শোনা যেত। তাঁতিদের কর্মব্যস্ততায় সরগরম ছিল রাখাইন পাড়া। উপজেলার রাখাইন মার্কেটে ছিল তাঁতের শাড়ি-কাপড় ক্রয় করার ধুম।

আর এখনে সেই মাকের্টে নেই বেচা-কেনার জট, নেই রাখাইন পল্লীতে কর্মব্যস্ততা। একদিকে যেমন সুতার সংকট, অন্যদিকে সুতার মাত্রাতিরিক্ত দাম, পাচ্ছেন না সরকারি কোনো সহায়তা, পণ্য বিক্রির পরিবেশ না থাকাসহ নানা সমস্যায় স্থবির হয়ে আছে রাখাইনদের তাঁত শিল্প।

এদিকে দুয়েকটি পাড়ায় তাঁত শিল্প দেখা গেলেও শুধু নিজেদের প্রয়োজনে কাপড় বুনছেন তারা। বাজারজাত করতে হলে সরকারি সহযোগিতা চান সাধারণ এ তাঁত শিল্পীরা।

রাখাইন তাঁত শিল্পী লাচা নো বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘সুতার দাম বেমি থাকায় এখন আর কাপড় বোনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমাদের জীবন যাপন কষ্টে কাটতেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566618864981.gif

মনুকে পাড়ার চিং খে উই রাখানই বলেন, ‘এখন নিজেদের প্রয়োজনে দুয়েকটি কাপড় বোনা হয়। আগে কাপড় বুনে শেষ করতে পারতাম না।’

কবিরাজ পাড়ার তাঁতি খেনাচিং বলেন, ‘সুতার দাম বেশি ও কাপড় বিক্রির সুযোগ না থাকায় হারিয়ে যেতে বসেছে আমাদের প্রিয় শিল্প। আর তরুণরা ঝুঁকছে অন্য পেশায়।’

তালতলী উপজেলা তাঁতি সমিতির সভাপতি মংচিন থান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম.কে বলেন, ‘এক সময় রাখাইনদের ঐতিহ্য তাঁত শিল্প এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। সুতার দাম বেশি ও বিক্রির ব্যবস্থা না থাকায় রাখাইন পল্লির মানুষগুলো অন্য পেশার দিকে ঝুঁকছেন। এ ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে দরকার সরকারি সহযোগিতা।’

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার দীপায়ণ দাস শুভ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘তাঁত শিল্পিদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। যুব উন্নয়ন থেকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যাল থেকে রাখাইনের তাঁত শিল্পিদের জন্য মার্কেট বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র