Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

পাবনায় শিক্ষক লাঞ্ছনা: গ্রেফতার ২, ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত

পাবনায় শিক্ষক লাঞ্ছনা: গ্রেফতার ২, ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত
শহীদ বুলবুল কলেজের শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার মামলায় গ্রেফতার দুইজনকে আদালতে নেওয়া হয়, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পাবনা


  • Font increase
  • Font Decrease

পাবনা সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজের এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় মামলা হয়েছে। স্থাগিত করা হয়েছে কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শিবলী সাদিক কলেজ শাখা কমিটি স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে বুধবার রাতে কলেজের অধ্যক্ষ এস এম আব্দুল কুদ্দুস বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

রাতেই অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় দুই আসামি সজল ইসলাম ও শাফিন শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুল হক জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হবে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, তদন্ত করে গ্রেফতারকৃতদের বাইরেও এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এদিকে, কলেজটির কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, মামলাটি দিয়ে দায়সারাভাবে করা হয়েছে। শিক্ষকের উপর হামলাকারীদের সুকৌশলে বাদ দিয়ে নামে মাত্র কয়েকজনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে কথা বলতে অধ্যক্ষ এসএম আব্দুল কুদ্দুসের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পাবনায় শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় মামলা, ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত

একাধিক সূত্র জানায়, হামলার ঘটনাটি ভিন্নখাতে নিতে উল্টো ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সাথে অশালীন আচরণের অভিযোগ আনা হয়। হামলার ভিডিওতে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সামসুদ্দিন জুন্নুনকে দেখা গেলেও অজ্ঞাত কারণে মামলায় তাকে আসামি করা হয়নি। এ নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, কলেজের অধ্যক্ষ যাদের নাম উল্লেখ করে মামলা দিয়েছেন, অভিযান চালিয়ে সেই মোতাবেক কাজ করা হচ্ছে। এখন মামলার বাইরে যদি কেউ জড়িত থাকে, অধিকতর তদন্ত করেই তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মে পরীক্ষা কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে দুই পরীক্ষার্থীর খাতা জব্দ করেন শিক্ষক মাসুদুর রহমান। এর জের ধরে গত ১২ মে কলেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে কলেজ গেটে মাসুদুর রহমানকে মারধর করে কয়েকজন যুবক। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া সেই হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপরই টনক নড়ে কলেজ ও পুলিশ প্রশাসনের।

আরও পড়ুন: নকলে বাধা দেওয়ায় ছাত্রলীগের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত

আপনার মতামত লিখুন :

কৃষকের গুপ্তধন 'বইকচু'

কৃষকের গুপ্তধন 'বইকচু'
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সবজি ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত ধাপেরহাট এলাকা। এই এলাকার ফসলি জমিতে বিভিন্ন সবজির পাশাপাশি চাষ করা হয় 'বইকচু'। এবার বইকচুর অধিক ফলন ও আশানারূপ দাম পাওয়ায় এ কচু যেন গুপ্তধনে পরিণত হয়েছে। কৃষকের মাঝে দেখা গেছে হাসির ঝিলিক।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট)  সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ইসলামপুরস্থ গাছতলায় বসে ছকিনা বেওয়া, আজিরণ বিবি ও মরিয়ম বেগমসহ অনেকেই কচু পরিষ্কার করছেন।

তারা বলেন, আমরা সবাই শ্রমিক হিসেবে কাজ করছি। এক মণ কচু পরিষ্কার করলে ১৫০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়। প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই মণ কচু পরিষ্কার করে সন্তোষজনক হারে আয় করা যায়। তবে কচুর দাম কম হলে মজুরির দামও কম হয় বলে জানান তারা।

ছত্রগাছা গ্রামের কৃষক আকবর আলী জানায়, ধাপেরহাট এলাকায় আলু, পটল, করল্লা ও হলুদসহ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে চাষ করা হয়েছে বইকচু। গত বছরের তুলনা এবার কচুর চাষাবাদ অনেকটাই বেড়েছে। ফলনও হয়েছে বাম্পার। বাজারে বেড়ে গেছে কচুর কদর। এর ফলে কচু আবাদ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব হচ্ছে।

আলীনগর গ্রামের আরেক কচু চাষি ফরিদুল ইসলাম জানান, একবিঘা (৩৩ শতক) জমিতে কচু আবাদে খরচ হয় প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা। যা থেকে প্রায় ৬০-৬৫ মণ কচু উৎপাদন করা যায়। এবারে উৎপাদিত কচু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার টাকা মণ দামে। আশানারূপ দাম পাওয়ায় অনেকটাই লাভবান হচ্ছি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, কচুর মধ্যে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। তাই কচু চাষ করার জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা হয়। এবার কচুর দাম ভাল থাকায় কৃষকরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। 

স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা, স্বামী আটক

স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা, স্বামী আটক
আটক হওয়া স্বামী, ছবি: সংগৃহীত

সিদ্ধিরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশে পেটে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগে স্বামী সোহাগ (৩৫) কে আটক করে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে মিজমিজি পূর্বপাড়া পাগলাবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সোহাগকে আটক করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।

গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূ মুন্নি আক্তারকে (২৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই সন্তানের জননীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে স্বজনরা।

আটককৃত সোহাগ কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানা এলাকার ফজলুর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে হালিম মোল্লার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদশা আলম জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে সোহাগ তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের পেটে ছুরিকাঘাত করেছে। এ ঘটনায় স্বামী সোহাগকে আটক করা হয়েছে। উভয় পরিবারের সিদ্ধান্ত জেনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র