Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

সড়কের উপরে ধান, দুর্ভোগে চালক-যাত্রীরা

সড়কের উপরে ধান, দুর্ভোগে চালক-যাত্রীরা
সড়কের উপরে ধান রেখেছে চাষি। ছবি: বার্তা২৪.কম
মাজেদুল হক মানিক
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

এখন বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুম। মেহেরপুর জেলায় প্রতি বছরের মতো এবারো বোরো ধানের নাবি (বিলম্বে উৎপাদন) আবাদ। ধান কাটা মাড়াই তাই শেষ হয়নি। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ধান মাড়াইয়ের জন্য পিচ ঢালা সড়কই একমাত্র ভরসা। এতে সড়কের উপরে ধান মাড়াই ও খড় ফেলে রাখায় দুর্ভোগ বেড়েছে যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের।

জানা গেছে, সদর ও মুজিবনগর উপজেলার কোলা-কেগারগঞ্জ বাইপাস সড়কটি প্রায় ২৫ কিলোমিটার। এই সড়কটির প্রায় পুরোটাই ধান মাড়াইয়ের দখলে। এছাড়াও গাংনী উপজেলার গোপালনগর-চেংগাড়া, চেংগাড়া-বানিয়াপুকুর, মেহেরপুর-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক সড়ক, মেহেরপুর-মুজিবনগর সড়ক, মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কসহ প্রায় সব সড়কে এখন ধান মাড়াই করা হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/16/1557995734673.jpg

আশরাফপুর গ্রামের ধান চাষি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ফণীর প্রভাবে দু’দিন বৃষ্টির পর আকাশ পরিষ্কার হয়। এরপর প্রচণ্ড গরমের মধ্যে আমরা বেরো ধান কাটা শুরু করি। কিন্তু ক্ষেতে পানি জমায় ধান সরাসরি পিচ ঢালা সড়কে তোলা হচ্ছে। এছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’

বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী যানবাহন চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কের উপরে কাটা ধান ও খড় রাখার কারণে যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। কোনো কোনো স্থানে আটকে যাচ্ছে যানবাহন। ছোট ছোট দুর্ঘটনাও ঘটছে। চাষিদের উপায় নেই, তাই সড়ক ব্যবহার করছে। তবে যানবাহন চলাচলের বিষয়টিও মাথায় থাকা দরকার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/16/1557995759648.jpg

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আখতারুজ্জামান জানান, বর্ষার আগেই যাতে বোরো ধান কেটে ঘরে তোলা যায়, সে বিষয়ে চাষিদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। আগামী মৌসুমে এ বিষয়ে আরও কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

খেলার সময় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

খেলার সময় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: প্রতীকী

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ফুফু বাড়ি বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে রঞ্জন চন্দ্র সেন (৯) নামে এক শিশু মারা গেছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের বার্ডের হাট সেনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত রঞ্জন চন্দ্র সেন পার্শ্ববর্তী জেলা লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের গযেন চন্দ্র সেনের ছেলে।

নিহতের পরিবার জানায়, রঞ্জন চন্দ্র সেন মায়ের সঙ্গে ফুফু বাড়িতে বেড়াতে আসে। সেখানে খেলাধুলা করার সময় বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে যায় সে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ফুয়াদ রুহানী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শাহজাদপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ২২ বছর পর গ্রেফতার

শাহজাদপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ২২ বছর পর গ্রেফতার
গ্রেফতার হওয়া পলাতক আসামি, ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সিদ্দিকুর রহমান (৫৫)কে ২২ বছর পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৭ আগস্ট) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনার ফরিদপুর থানার ডেমরা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি সিদ্দিকুর রহমান উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের রাউতারা গ্রামের মৃত আরজান আলীর ছেলে।

শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান মামলার বরাত দিয়ে জানান, গার্মেন্টসকর্মী সাথী খাতুন (১৬) কে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সিদ্দিকুর রহমান (৫৫) কে ২২ বছর পর গ্রেফতার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পাবনা জেলার ফরিদপুর থানার ডেমরা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  

তিনি আরো জানান, রাজমিন্ত্রী সিদ্দিকুর রহমান শাহজাদপুর পৌর সদরের দিলরুবা বাসস্ট্যান্ড এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে সাথী খাতুন (১৬) কে বেশি বেতনে গার্মেন্টসে চাকরি দেয়ার লোভ দেখিয়ে ১৯৯৫ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকায় নিয়ে যায়। এরপর ১ বছর অজ্ঞাতস্থানে আটকে রেখে তাকে অসংখ্যবার ধর্ষণ করে সে। ১৯৯৬ সালের ২৪ নভেম্বর ধর্ষণে বাধা দিলে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় নিহত সাথীর মা জবেদা খাতুন(৩৬) বাদী হয়ে ১৯৯৭ সালের ৬ মার্চ সিরাজগঞ্জর নারী ও শিশুনির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালতে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে। এরপর থেকেই আসামি সিদ্দিকুর রহমান পলাতক ছিল। তার অনুপস্থিতিতেই ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ শাহজাদপুর থানা পুলিশ আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। এরপর এ মামলার ৬ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জের নারী ও শিশুনির্যাতন দমনের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালতের তৎকালীন বিচারক আকবর হোসেন মৃধা যাবজ্জীবন রায় প্রদান করেন।

ওসি আতাউর রহমান আরো জানান, এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামি সিদ্দিকুর রহমান পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে পাবনা জেলার ফরিদপুর থানার ডেমরা গ্রাম গ্রেফতার করা হয়।

তিনি বলেন, পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল। কিন্তু বারবার তার অবস্থান পরিবর্তন করায় তাকে এতোদিন গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছিল না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র