Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাটাগুর বাস্কার ডিম থেকে ২১ বাচ্চা ফুটেছে

বাটাগুর বাস্কার ডিম থেকে ২১ বাচ্চা ফুটেছে
সদ্য জন্ম নেয়া বাটাগুর বাস্কা। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বাগেরহাট


  • Font increase
  • Font Decrease

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে বিলুপ্ত প্রজাতির বাটাগুর বাস্কার (কচ্ছপ) দেয়া ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয়েছে।

গত ১১ মার্চ একটি কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্রে ৩২টি ডিম দেয়। এরপর ডিমগুলো সংগ্রহ করে রাখা হয় প্রকল্পের ইনকিউভেশনে। ৬৫ দিন ইনকিউভেশনের মধ্যে ডিমগুলো রাখার পর বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২১টি বাচ্চা ফুটে বের হয়। বাকি ডিমগুলো থেকে বাচ্চা ফুটে বের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শুক্রবার।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের কচ্ছপ প্রকল্পের ম্যানেজার আ. রব বলেন, ‘আশা করছি সবগুলো থেকেই বাচ্চা পাওয়া যাবে। ডিম থেকে সদ্য ফুটে বের হওয়া বাচ্চাগুলোর শারীরিক অবস্থা খুবই ভালো।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/16/1558004966890.jpg

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ফুটে বের হওয়া বাচ্চাগুলোর শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিকেলে প্রকল্পের ১ নম্বর হ্যাচারিতে ছেড়ে দেয়া হবে।

করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির জানান, বিলুপ্ত বাটাগুর বাস্কা প্রজাতির কচ্ছপের বংশ বিস্তারে প্রজনন কার্যক্রম ও জীবন চক্র সম্পর্কে জানতে ২০১৪ সালে করমজলে এর গবেষণা শুরু হয়। ওই সময় সর্বপ্রথম ১০টি কচ্ছপ দিয়ে প্রজনন কেন্দ্রের কার্যক্রম চালু হয়। ১০টির মধ্যে ৬টি পুরুষ ও ৪টি নারী কচ্ছপ ছিল। এদের প্রজননের মধ্য দিয়েই সর্বপ্রথম ২০১৭ সালে দেয়া ৬২টি ডিম থেকে বাচ্চা হয় ৫৭টি। আর ২০১৮ সালে ৪৬টি ডিম থেকে বাচ্চা হয় ২২টি। তৃতীয় দফায় ২০১৯ সালের ১১ মার্চ দেয়া ৩২টি ডিম থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ২১টি বাচ্চা হয়েছে। শুক্রবার ফুটে বের হবে বাকিগুলো।

এ প্রকল্পে ছোট-বড় মিলিয়ে থাকা ১৮৩টি কচ্ছপের সঙ্গে যোগ হয়েছে বৃহস্পতিবারের সদ্য জন্ম নেয়া ২১টি বাচ্চা। এ নিয়ে করমজলে এখন পর্যন্ত কচ্ছপের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৪টিতে। এ সংখ্যা শুক্রবার আরও বৃদ্ধি পাবে। ২০৪টির মধ্যে ২১টি প্রাপ্ত বয়স্ক, আর বাকিগুলো বিভিন্ন বয়সের। আর ২১টি প্রাপ্ত বয়স্ক কচ্ছপের মধ্যে ৪টি পুরুষ, বাকিগুলো নারী।

আপনার মতামত লিখুন :

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

হত্যা, ধর্ষণ, মাদকসহ দুর্নীতির একের পর এক সংবাদে দেশবাসী যখন উৎকণ্ঠিত তখন বিকাশের ভুল নম্বর থেকে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে সততার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের শিরফল মিয়া (৪০)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেলে মালিকের হাতে টাকাগুলো তুলে দেন শিরফল মিয়া। শিরফল মিয়া উপজেলা সদরের বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়া গ্রামের ফকির চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি।

জানা যায়, গত ১১ জুলাই রাতে শিরফল মিয়ার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা আসে। কিন্তু এতো টাকা কিভাবে আসল তা তিনি বুঝতে পারছিলেন না। ভয়ে কারও সঙ্গে বিষয়টি আলাপও করেননি। পরদিন (১২ জুলাই) তার নম্বরে পটুয়াখালি থেকে মো. আল আমিন নামে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে টাকার কথা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। একই সাথে বানিয়াচং ঘুরে যাওয়ার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানান।

মঙ্গলবার টাকা ফেরত নিতে দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে বানিয়াচং আসেন আল আমিন (২৯)। পরে বিকেলে শিরফল মিয়া তার ৩০ হাজার টাকা ফেরত দেন। এসময় টাকা ফেরত পেয়ে খুশি হয়ে শিরফল মিয়াকে ২ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক শিব্বির আহমদ আরজু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শেখ সাগর আহমদ ও রেজাউল করিম।

এ টাকা ফেরত পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আল আমিন মিয়া। তিনি বলেন- ‘যখন জানতে পারি ৩০ হাজার টাকা বিকাশের ভুল নম্বরে হবিগঞ্জের বানিয়াচং গিয়েছে তখন ফেরত পাব বলে বিশ্বাস ছিলো। কারণ এখানকার মানুষ অনেক সৎ ও ভালো হিসেবে জানি। সে বিশ্বাসের প্রতিফলন আজ পেয়েছি।’

এ ব্যাপারে শিরফল মিয়া বলেন- ‘ভুল করে টাকা আসতেই পারে। তাই বলে অন্যের টাকা আত্মসাৎ করব এমন শিক্ষা পেয়ে আমি বড় হইনি।’
শিরফল মিয়া বিদেশ ফেরত এক যুবক। তিনি প্রবাস থেকে অর্থ-কড়ি খুইয়ে বাড়িতে এসেছেন প্রায় ৫ বছর। পেশা হিসেবে টাইলস মিস্ত্রি। কিন্তু ৫ সদস্যের সংসারে অর্থের টানাপোড়েন লেগেই আছে। এমতাবস্থা থেকেও শিরফল মিয়া সেই টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ করেননি। এতে তিনি টাকা ফেরত দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় জাহাঙ্গীর মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর রিকশা চালক নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মহাসড়কের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারের কাছে রাত ৮টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রিকশা চালক আউশকান্দি ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের ছেলে।

প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে রিকশা চালিয়ে আউশকান্দি বাজারে আসছিল জাহাঙ্গীর। এ সময় মুনিম ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছা মাত্রই সিলেট থেকে ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি ট্রাক জাহাঙ্গীরের রিকশাকে চাপা দেয়। এতে রিকশাটি দুমড়ে মুছড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়।

মহাসড়কের প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা ও নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে মরদেহ হাইওয়ে থানায় রয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র