Alexa

ঈদের হাওয়া লেগেছে দর্জির দোকানে

ঈদের হাওয়া লেগেছে দর্জির দোকানে

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জির দোকানগুলোতে। ছবি: বার্তা২৪.কম

গাইবান্ধায় ঈদকে সামনে রেখে নতুন পোশাক তৈরির ধুম পড়েছে। এর ফলে ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জির দোকানগুলোতে। কারিগরদের এখন কাটছে নির্ঘুম রাত। রাত জেগে তারা তৈরি করছে নিত্য নতুন ডিজাইনের জামা-কাপড়।

গাইবান্ধা শহরের দর্জির দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি দর্জি কারিগররা ব্যস্ত সময় পাড় করছে। ঈদের প্রচুর কাজ জমে আছে। তাই কথা বলার সময়ও নেই তাদের।

সানমুন টেইলার্সের কাটিং মাস্টার মিলন জানান, গত বছরের তুলনায় এবার রোজার প্রথম থেকেই অর্ডার দেয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া ১৫ রোজার পর আরও প্রচুর অর্ডার আসবে বলে আশা করছেন তিনি।

নিশা টেইলার্সের কাটিং মাস্টার জান্নাদি বেগম বলেন, ‘মেয়েদের জন্য বিভিন্ন ডিজাইনের জামা-কামিজ সেলাই করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমরা অর্ডার নিচ্ছি। ২০ রোজার পর থেকে আর অর্ডার নেয়া হবে না।’

গাইবান্ধা সরকারি কলেজের ছাত্রী মুন্নি খাতুন বার্তা২৪.কমকে জানান, একটু আগেভাগেই দর্জির দোকানে থ্রিপিস বানাতে এসেছেন। রোজার শেষের দিকে ভিড় বাড়ে। তখন অনেক ঝামেলা হয়।

আরেক ছাত্রী শাপলা খাতুন বার্তা২৪.কমকে জানান, এবার ঈদে থ্রিপিস বানানোর মজুরি একটু বেশি নেয়া হচ্ছে। যা উচিত না।

সাদুল্লাপুর হাইস্কুল মার্কেটের বন্ধু টেইলার্সের মালিক আশাদুজ্জামান আসাদ বার্তা২৪.কমকে জানান, ঈদ উপলক্ষে কারিগরদের বেতনের পাশাপাশি বোনাসও দিতে হয়। তাই একটু বেশিই মজুরি নেয়া হচ্ছে। তবে তা অতিরিক্ত নয়।

গাইবান্ধার ডিসেন্ট টেইলার্সসহ জেলার বিভিন্ন দর্জির দোকানগুলো জানায়, প্লাজু-কটকটি, আনারকলি ও নরমাল থ্রিপিস বানানো হচ্ছে বেশি। নরমাল থ্রিপিস বানাতে মজুরি নেয়া হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকা, প্যান্ট ৩৫০-৪০০ টাকা ও শার্ট ৩০০-৩৫০ টাকা।

আপনার মতামত লিখুন :