Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

অপহরণের পর আ.লীগ কর্মীকে হত্যা

অপহরণের পর আ.লীগ কর্মীকে হত্যা
নিহত ক্যচিং থোয়াই মারমার লাশ। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বান্দরবান


  • Font increase
  • Font Decrease

বান্দরবানের রাজবিলায় অপহরণের পর আওয়ামী লীগের কর্মী ক্যচিং থোয়াই মারমাকে (২৮) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

রোববার (১৯ মে) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহ‌ত ক্যচিং থোয়াই মারমা রাজবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। তিনি তাউ থোয়াই মারমার ছেলে এবং স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইম্রা অং মারমার ছোটভাই।

স্থানীয়রা জানায়, বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের ৪ নাম্বার রাবার বাগান এলাকায় নিজবাড়ি থেকে অস্ত্রের মুখে ক্যচিং থোয়াই মারমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। অপহরণের পর কিছুদূর নিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী ৫নং রাবার এলাকায় অপহৃতকে গুলি করে হত্যা করে তারা। সকালে রাবার বাগানে কাজ করতে গিয়ে কর্মীরা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশ খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত আওয়ামী লীগ কর্মীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে।

রাজবিলা ইউপি চেয়ারম্যান ক্যঅংপ্রু মারমা জানান, ক্যচিং থোয়াই আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। তার ভাই সাইম্রা অং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

এদিকে ক্যচিং থোয়াই হত্যার জন্য জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করেছে আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে জেএসএস জেলা সভাপতি উছোমং মারমা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

অপরদিকে রাজবিলা রাবার বাগান এলাকায় একের পর এক অপহরণ, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) এনামুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘অপহরণের পর একজনকে গুলি করে হত্যার খবর পেয়েছি। শুনেছি নিহত ব্যক্তি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত সেটি এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।’

প্রসঙ্গত, গত ৯ মে রাবার বাগান এলাকায় সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির সমর্থক জয়মনি তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে। এর দুদিন আগে ৭ মে সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির সহযোগী সংগঠন যুব পরিষদের কর্মী বিনয় তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে এবং পুরাধন তঞ্চঙ্গা নামের আরেকজন কর্মীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহৃতের এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশু নাহিদ

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশু নাহিদ
নাহিদুজ্জামান নাহিদ, ছবি: সংগৃহীত

সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মাসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হারিয়ে ভাগ্যগুণে বেঁচে যাওয়া তিন বছরের শিশু নাহিদুজ্জামান নাহিদ মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। রাজধানী ঢাকার অ্যাপেলো হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছে শিশুটি। দুর্ঘটনায় আহত নাহিদের চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে। আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট) তার সার্জারি অস্ত্রোপচার করবেন চিকিৎসকরা।

রোববার (১৮ আগস্ট) রাতে বার্তা২৪.কমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাহিদের চাচা নুরুজ্জামান।

নাহিদের বাড়ি নেত্রকোনার জেলার দূর্গাপুরে। তার বাবা রফিকুজ্জামান নরসিংদী জেলার একটি টেক্সটাইল মিলের মালিক।

গত ১৬ আগস্ট শুক্রবার নাহিদের পরিবার প্রাইভেটকারযোগে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ময়মনসিংহ কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গাও রামগোপালপুর এলাকায় যাত্রীবাহী এমকে সুপার নামের একটি বাস ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারটিকে চাপা দেয়। এ সময় প্রাইভেটকারটি দুমড়েমুচড়ে যায়।

আরও পড়ুন: গৌরীপুরে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

দুর্ঘটনায় নাহিদের মা শাহীনা আক্তার বাবা রফিকুজ্জামান, বড় ভাই নাদিম মাহমুদ, বোন রওনক জাহান ও মামা জিসান কবীর আশরাফ প্রাণ হারান। ভাগ্যগুণে বেঁচে যায় শিশু নাহিদ ও চালক স্বপন মিয়া।

নাহিদ রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। চালক স্বপন মিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

অপরদিকে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো নাহিদের বাবা-মা, ভাই-বোন ও মামাকে শনিবার নেত্রকোনার দূর্গাপুরে দাফন করা হয়েছে। সব হারানো নাহিদ এখন তার দাদা-দাদির তত্ত্বাবধানেই থাকবে।

নাহিদের চাচা নুরুজ্জামান বলেন, ‘নাহিদ এখনো আইসিইউতে আছে। তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয়েছে। এখনো জ্ঞান ফেরেনি। চিকিৎসকরা বলেছেন আমাদের ধৈর্য ধরতে। সবাই আমাদের নাহিদের জন্য দোয়া করবেন।’


এদিকে, মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় শুক্রবার রাতে বাসের চালককে (অজ্ঞাতনামা) আসামি করে গৌরীপুর থানায় মামলা করেছেন রফিকুজ্জামানের ছোট ভাই নুরুজ্জামান। কিন্তু পুলিশ রোববার রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেননি।

গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।’

মতলবে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত

মতলবে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চাঁদপুরের মতলবে চলন্ত মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সুধীর চন্দ্র দাস (৭০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সটাকী-ষাটনল বেড়িবাঁধ সড়কের উপর এ ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী ফতুয়াকান্দি গ্রামের আমিন উদ্দিনের ছেলে আরমান (১৫) ও একই গ্রামের আবু সুফিয়ানের ছেলে নাজমুল (২৩) গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, বিকালে সটাকী মালোপাড়া গ্রামের মৃত সুরিন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে সুধীর চন্দ্র দাস বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তা পারাপারের সময় বিপরীতমুখী মোটরসাইকেল এসে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তার মুখমণ্ডলে মারাত্মক জখম হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আকলিমা জাহান তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুই জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মতলব উত্তর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হানিফ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মোটর সাইকেলটি থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে।'

অপরদিকে থানার এসআই মিজানুর রহমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সুধীর চন্দ্রের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠানো হবে বলে থানায় নিয়ে যান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র