Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

গ্রামে গ্রামে ঘুরে ইফতার বিক্রি

গ্রামে গ্রামে ঘুরে ইফতার বিক্রি
ইফতারের ফেরিওয়ালা আব্দুল আলিম, ছবি: বার্তা২৪.কম
মোহাম্মদ রনি মিয়াজী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
পঞ্চগড়
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার আজিজনগর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আলিম, পেশায় একজন ফেরিওয়ালা। গ্রামে গ্রামে ঘুরে ভ্যানগাড়িতে করে বিভিন্ন খাবার বিক্রি করেন। কিন্তু রমজানের শুরুতেই খাবার বিক্রি কমে যাওয়ায় তিনি ইফতারও বিক্রি করেন। পুরো রমজান মাস জুড়ে ইফতার বিক্রি করেই চলে তার সংসার।

সম্প্রতি আজিজনগরে গিয়ে দেখা গেছে, একটি ভ্যানগাড়িতে বিভিন্ন ইফতার সামগ্রী ও বিভিন্ন খাবার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন আব্দুল আলিম। ভ্যানের চারপাশে শিশু ও গ্রামের মহিলা ইফতার সামগ্রী কিনছেন।

গ্রামে গ্রামে ঘুরে ইফতার বিক্রি

বেচা বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল আলিম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমি কয়েক বছর ধরে তেঁতুলিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই ভ্যানগাড়ি নিয়ে বিভিন্ন খাবার পণ্য বিক্রি করি। কিন্তু রমজানের শুরু থেকেই ইফতার পণ্যের চাহিদা থাকায় আমি সেগুলো বিক্রি করি। এখান থেকে যা পাই সেটা দিয়েই সংসারের খরচ চালাই।’

এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলার দর্জিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মহছিনা খাতুন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমরা যারা বাজার থেকে ইফতার কিনতে পারি না, তারা আলিমের কাছ থেকে কিনি। সে ভ্যানে করে মুড়ি, ছোলা, বুন্দিয়া, বড়া, পিয়াজু, চপ, বেগুনী ও খেজুর বিক্রি করেন।’

গ্রামে গ্রামে ঘুরে ইফতার বিক্রি

আজিজনগর এলাকায় জুলহাস হোসেন নামে আরেক ক্রেতা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘বাজার দূরে হওয়ায় ও কৃষি কাজে ব্যস্ত থাকায় প্রতিদিন বাজারে যাওয়া সম্ভব হয় না। তাই আলিমের কাছ থেকেই ইফতার কিনি।’

আব্দুল আলিম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘রমজানে ইফতার সামগ্রীর চাহিদা থাকায় আমার বেচা-বিক্রি ভালো হয়। কাজের ব্যস্ততায় অনেক মানুষ বাজারে যেতে পারে না। তাই রমজানের শুরুতেই আমি ইফতার সামগ্রী রাখি।’

গ্রামে গ্রামে ঘুরে ইফতার বিক্রি

এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আলিম রমজান মাস আসলেই ইফতার সামগ্রী তৈরি করে গ্রামে গ্রামে বিক্রি করে। এতে গ্রামের মানুষ উপকৃত হচ্ছেন।'

আপনার মতামত লিখুন :

মহেশপুরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী নিহত

মহেশপুরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী নিহত
আটক স্বামী আব্দুল কুদ্দুস, ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়নের সেজিয়া গ্রামে স্ত্রী ফিরোজা খাতুনকে (৪০) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ স্বামীকে আটক করেছে। শনিবার (১৭ আগস্ট) মধ্যরাতে সেজিয়া গ্রামের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

মহেশপুর থানার ওসি রাশিদুল আলম জানান, শনিবার মধ্যরাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী ফিরোজাকে কুপিয়ে হত্যা করে আব্দুল কুদ্দুস। পরে সকালে নিজেই প্রতিবেশীদের খবর দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আব্দুল কুদ্দুসকে আটক করে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। আব্দুল কুদ্দুস পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রী। সে প্রায় নেশা করতো বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

দেশে আনা হলো কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ

দেশে আনা হলো কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ
বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ভারতের কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া ও মাঈনুল আলমের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টায় ভারতের পেট্রাপোল ও বাংলাদেশের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ দুটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার চান্দুর গ্রামের মুন্সি আমিনুল ইসলামের মেয়ে। তিনি বাবা মায়ের দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছিলেন। তার মৃতদেহ গ্রহণ করেন চাচাতো ভাই আবু ওবায়দা শাফিন। ফারজানা ইসলাম তানিয়া সিটি ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে রাজধানীর ধানমণ্ডি শাখায় কর্মরত ছিলেন।

অপরদিকে মাঈনুল আলম ঝিনাইদহের ভুটিয়ারগাতি গ্রামের কাজী খলিলুর রহমানের ছেলে। তিনি গ্রামীণ ফোনের এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার মৃতেদহ গ্রহণ করেন চাচাতো ভাই জিহাদ আলী।

নিহতদের স্বজনরা জানান, চিকিৎসার উদ্দেশে তারা গত ১৪ আগস্ট কলকাতায় যান। পরে ১৬ আগস্ট ফারজানা, মাঈনুল ও তাদের এক সহকর্মী শফিউল্লাহ সহ তারা তিন জন কলকাতার সেক্সপিয়র সরণিতে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সিএনজির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566099097478.jpg
কলকাতায় নিহত মাঈনুল আলম ও ফারজানা ইসলাম তানিয়া/ ছবি: সংগৃহীত

 

এ সময় দুই দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা দুটি প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি প্রাইভেট কার উল্টে তাদের গায়ের ওপর এসে পড়ে। এ সময় গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন ফারজানা, মাঈনুল। আহত হন অপরজন শফি উল্লাহ।

শফি উল্লাহ জানান, কপালের জোরে তিনি বেঁচে গেছেন। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এমন ঘটনার জন্য তিনি ভারত সরকারের কাছে বিচার দাবি করেন।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, ‘মৃতদেহ দুটির কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করে তাদের পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে, মৃতদেহ দুটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছালে তা দেখতে শত শত মানুষের ভিড় জমে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র