Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ধূর্ত অঞ্জনা, ভাতের হাঁড়ির নিচে ফেনসিডিল

ধূর্ত অঞ্জনা, ভাতের হাঁড়ির নিচে ফেনসিডিল
গ্রেফতারকৃত অঞ্জনা। ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফেনসিডিল ব্যবসা করে আসছিল তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী অঞ্জনা বেগম। তবে অঞ্জনা এতটাই ধূর্ত যে পুলিশ তাকে হাতেনাতে ফেনসিডিলসহ ধরতে পারছিল না। বাড়ি-ঘর তল্লাশি করেও পাওয়া যায়নি ফেনসিডিল।

তবে পুলিশ কিন্তু হাল ছাড়েনি। এক পর্যায়ে পুলিশ সন্ধান পায় ভাত-তরকারি রাখার মিটসেফ এবং টেলিভিশন রাখার টেবিলে বিশেষ কায়দায় বক্স বানিয়ে তাতে রাখা হয়েছে ফেনসিডিলের বোতল। আর সেখান থেকেই খুচরা ক্রেতাদের কাছে ফেনসিডিল বিক্রি করে আসছিল অঞ্জনা।

বগুড়া শহরের আটাপাড়া এলাকায় একটি বিল্ডিংয়ের ৩য় তলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে অঞ্জনা ও তার স্বামী রবিউল ইসলাম। রোববার (১৯ মে) রাত ১২টার পর ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। ওই সময় পুরো বাড়ি তছনছ করে ফেনসিডিলের সন্ধান পাচ্ছিল না পুলিশ।

ফিরে আসার আগ মুহূর্তে ভাত-তরকারি রাখার মিটসেফ খুলে দেখতে পায় নিচের দিকে একটি বক্স। ভাতের হাঁড়ি সরাতেই তার নিচে বক্স থেকে বেরিয়ে আসে একের পর এক ফেনসিডিলের বোতল। এরপর টেবিল থেকে টেলিভিশন সরিয়ে সেখানেও সন্ধান পাওয়া যায় বিশেষ বক্সের। সেই বক্স থেকেও পাওয়া যায় ফেনসিডিল। পরে পুলিশ অঞ্জনাকে গ্রেফতার করে এবং তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে ৪৫ বোতল ফেনসিডিল।

পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, অঞ্জনা ও তার স্বামী দু’জনেই মাদক ব্যবসায়ী। এর আগেও তারা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। রোববার রাতে অভিযানের সময় অঞ্জনার স্বামী রবিউল বাসায় ছিল না।

তিনি আরও জানান, একজন ফেনসিডিলসেবীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে অঞ্জনার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

এনজিও কর্মী সেজে ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার

এনজিও কর্মী সেজে ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার
গ্রেফতারকৃত সাত্তার সরকার। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

এনজিও কর্মী সেজে ঋণ দেয়ার কথা বলে প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে বগুড়া সদর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত সাত্তার সরকার (৬০) বগুড়া সদরের তেলীহারা উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত কাশেম আলীর ছেলে।

সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা তেলীহারা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।

জানা গেছে, গত ১২ জুলাই দুপুরে তেলীহারা গ্রামের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫) বাজার থেকে ফেরার পথে বৃষ্টি শুরু হলে প্রতিবেশী দাদা সাত্তার সরকারের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সাত্তার ওই কিশোরীকে জোর করে ধর্ষণ করে। ওই কিশোরী বাড়ি ফিরে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। পরে পারিবারিকভাবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়া হয়।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হলে সাত্তার সরকার আত্মগোপন করে। পুলিশ তাকে কৌশলে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘সাত্তার সরকারকে গ্রেফতার করতে এনজিও কর্মী সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। পরে ঋণ নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হলে তিনি গ্রামের এক রাস্তায় দেখা করেন। এ সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।’

সিরাজগঞ্জে বরবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১০

সিরাজগঞ্জে বরবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১০
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় বরবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা লাগার ঘটনায় ১০ জন নিহত হয়েছেন । এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫ জন।

সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সিরাজগঞ্জ শহরের কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে রাজন (২৫), উল্লাপাড়া পৌর শহরের এনায়েতপুর গুচ্ছ গ্রামের আব্দুল গফুর শেখের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (১৯), সয়াধানগড়ার সুরুজ শেখের ছেলে সবুজ (২১), রামগাতী গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে আব্দুস সামাদ (৫৫) ও তার ছেলে শাকিল হোসেন (২১), সয়াগোবিন্দ মিলন মোড় এলাকার মৃত একরামুলের ছেলে মাইক্রোবাসের চালক স্বাধীন (৪০) ও দিয়ারধানগড়া আলতাফ হোসেনের ছেলে শরীফ (২৬), কালিয়া হরিপুর চুনিয়াহাটির মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ভাষা শেখ (৫৫) । বাকি ২ জনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563214174332.jpg

আহতরা হলেন- নাদেম তালুকদার (১৮), বায়েজিদ (১৮), নীরব তালুকদার (১৪), সুমন (২৭), নাজমুল আহসান (২৫) ও ইমরান (২০)।

আহতদের সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার পর ট্রেনটি প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকা পড়ে থাকে।

উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ জানান, বরযাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস উল্লাপাড়া থেকে বেতকান্দি যাবার পথে সলপ এলাকায় রেলক্রসিং পার হবার সময় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। প্রায় ২০০ গজ দূরে গিয়ে ট্রেনটি থামার পর মাইক্রোবাস থেকে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563214198607.jpg

উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার ‍দিকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপে একটি মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দেয় পদ্মা এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন। এতে মাইক্রোবাসের ১০ জন নিহত হওয়ার খবর জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছেছে। উদ্ধার কাজ চলছে। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র