Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

কুষ্টিয়ায় ২ হাজার টাকার পণ্য ৫ হাজার টাকায় বিক্রি

কুষ্টিয়ায় ২ হাজার টাকার পণ্য ৫ হাজার টাকায় বিক্রি
ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার পর দোকানদারদের বিক্ষোভ, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুষ্টিয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া শহরের কিছু বিপণী বিতানগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

সোমবার (২০ মে) বিকেলে শহরের এনএস রোডের বেশকিছু দোকানে কেনা দামের থেকে কয়েকগুণ বেশি দামে পণ্য বিক্রি করার অপরাধে বেশ কয়েকটি দোকানে জরিমানা করা হয়। বিভিন্ন দোকান থেকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এদিকে, জরিমানা করার অপরাধে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখে মার্কেটের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুবায়ের হোসেন চৌধুরী।

তিনি জানান,  কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোড এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে  ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি টিম নিয়ে শহরের কয়েকটি মার্কেটে অভিযান চালায়।

অভিযানে বেশি দামে পোশাক বিক্রির দায়ে বেশ কয়েকটি দোকানকে মোট ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও জানান, শহরের পরিমল টাওয়ারের একটি পোষাকের দোকানে গিয়ে দেখতে পান, একটি থ্রি পিসের দাম ৫ হাজার ৪শ টাকা। পরে পোশাকটির ক্রয়মূল্যের মেমো দেখতে চাইলে তা দেখাতে অপরাগতা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ী। অনেকক্ষণ পর সেই দোকানি পোশাকটির ক্রয়মূল্য দেখান ১ হাজার ৮শ টাকা।

ইউএনও বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো ক্রেতাসাধারণদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নিয়ে থাকেন। এমন অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। বিশেষ করে ঈদের সময় এলে দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ভোক্তাদের কথা চিন্তা করেই বের করা হয় আদালত। যাতে করে সহনশীল পর্যায়ে পোশাকের দাম পাওয়া যায়।

কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মোকাররম হোসেন বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত গণহারে জরিমানা করেছেন। এ কারণে দোকানীরা বিক্ষোভ করেছেন। পরে আমরা আলোচনা করে দোকানপাট খুলতে বলেছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

বগুড়ায় শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমী পালন

বগুড়ায় শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমী পালন
বগুড়ায় শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমী পালন

বগুড়ায় র‌্যালি, মঙ্গল শোভাযাত্রার বের করার মধ্য দিয়ে মহাবতার ভগবান শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমী পালিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকাল ৯ টা থেকে বগুড়া জেলা প্রশাসন ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সকাল ৯টায় বগুড়া জেলা স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বড়গোলা মোড় ঘুরে আবারও জেলা স্কুল মাঠে শেষ হয়। র‌্যালিতে জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহামেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল মালেক,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুর রহমান, সদর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা কমিটির সভাপতি দীলিপ কুমার দেব, সাধারণ সম্পাদক সাগর কুমার রায় প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566536629127.gif

এর আগে সকাল ৮টা থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ ও শিশুরা জন্মাষ্টমীর খণ্ড খণ্ড র‌্যালি নিয়ে জেলা স্কুল প্রাঙ্গণে সমবেত হন।র‌্যালিতে ছোট ছোট শিশুদেরকে রাধা-কৃঞ্চ সাজিয়ে খোল করতাল বাজিয়ে র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করে।

এদিকে শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমীর র‌্যালি ও মঙ্গল শোভাযাত্রা উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তা দেয়া হয়।পুলিশ, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস সকাল থেকেই শহরের সাতসাথা ও তার আশেপাশে অবস্থান নেয়।

র‌্যালি ও মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে সকাল ১০টায় জেলা স্কুল মাঠে জন্মাষ্টমীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহামেদ।

অযত্নে বেড়ে ওঠা গুণসমৃদ্ধ মানকচু

অযত্নে বেড়ে ওঠা গুণসমৃদ্ধ মানকচু
গ্রামঞ্চলের আনাচেকানাচে বেড়ে ওঠা মানকচু

আমাদের দেশে অনেক ধরণের কচু জন্মায়। তবে এরমধ্যে মানকচুর একটা আলাদা কদর আছে। সেটা এর বিশাল আকারের জন্য। আর কোনো কচু গাছ এত বড় আকারের হয়না। চাষাবাদ না হওয়ায় দেশের গ্রামাঞ্চলে পথে-ঘাটে, জঙ্গল- ঝোপঝাড়ে অনেকটা অযত্নে অবহেলা বেড়ে ওঠে গুণসমৃদ্ধ মানকচু গাছ।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে মানকচু গাছের দেখা মিলে গৌরীপুর পৌরশহরের গো-হাটা সড়ক সংলগ্ন একটি ডোবার পাশে। অযত্নে অবহেলা বেড়ে উঠা বিশালাকৃতির গাছগুলো সহজেই পথচারির নজর কাড়ে।

মানকচুর বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia macrorrhiza/ Alocasia indica হচ্ছে  Araceae পরিবারের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশে মানকচু দেখতে পাওয়া যায়। একে অনেকেই ঔষুধি হিসেবেও ব্যবহার করেন। তবে কিছু কচু আছে, যা খেলে গলা চুলকাতে পারে। তাই মানকচু ঠিকমতো সেদ্ধ করে খেতে হবে। রান্নার পাশাপাশি মানকচু ভর্তা করেও খাওয়া যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566535389148.gif

মানকচু বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। স্থানভেদে সর্বোচ্চ গাছ ১২ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। ছায়াযুক্ত অনুর্বর মাটির মানকছু গাছ খুব বেশি বড় হয় না। শুকনো উর্বর মাটির গাছ বেশ লম্বা হয়। বর্ষকালে মানকচুর উচ্চতা সর্বোচ্চ হয়। গ্রীষ্ম ও শীতকালে উচ্চতা সবচেয়ে কম হয়।

মান কচু গাছের আলাদা কোনো কাণ্ড নেই। মূলের যে অংশ মাটির উপরে থাকে সেই অংশটিকে এর কাণ্ড বলে।

মানকচুর শাখা-প্রশাখা থাকে না। সরাসরি মূল বা কাণ্ড থেকে প্রথম পাতাটা বের হয়। মানকচুর পাতা উপবৃত্তকার। পাতার রং গাঢ় সবুজ। কচি পাতার রং হালকা সবুজ। গাছের উচ্চতা অনুযায়ী পাতা ৪ ইঞ্চি থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত হতে পারে।

মান কচুর ফুল ও ফল হয় না। অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার ঘটে। কচুর মুল থেকে সরাসরি নতুন চারা জন্মে। তাই একটা গাছ কোথাও জন্মালে সেখানে কয়েক মাসের মধ্যে অনেক চারা জন্মে ঘন ঝাড় সৃষ্টি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566535355007.gif

বিশেষজ্ঞরা বলেন, কচু খেলে শরীর পুষ্ট হয় এবং শুক্র বৃদ্ধি পায়। কান ও গলার রুক্ষতা দূর করে। এ ছাড়া মানকচুর আরও কিছু গুণ আছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে মানকচু শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ ও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে মানকচু কার্যকর। মানকচুতে আছে দরকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিটা ক্যারোটিন, যা শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী ফ্রি র‌্যাডিকেলসকে দূরে রাখে। এতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ভিটামিন ত্বকের জন্য ভালো। মানকচুতে থাকা ডায়েটারি ফাইবার ও পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। এটি হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ধমনির ধকল দূর করায় রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র