Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

অভাবকে জয় করা মধু বেগমের গল্প

অভাবকে জয় করা মধু বেগমের গল্প
মধু বেগম। ছবি: বার্তা২৪.কম
সোহাগ আলী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঝিনাইদহ


  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটি ইউনিয়নের ভূপতিপুর গ্রামের বাসিন্দা মধু বেগম। বয়স পঞ্চাশের কোটায়। নিজের এক খণ্ড জমিতে খামার গড়ে তুলে অভাবকে জয় করেছেন তিনি। এখন সন্তান-পরিবার নিয়ে সুখেই দিন কাটছে তার। তার কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে এলাকার অনেকেই খামার তৈরিতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।

জানা যায়, অভাব অনটনের সংসারে ১৯৮৮ সালে স্বামী বেলাল মিয়ার সঙ্গে ১০ কাঠা জমিতে ফলজ ও বনজ বৃক্ষের নার্সারি গড়ে তোলেন মধু বেগম। ওই জমিটুকু ছাড়া আর কোনো সম্পদ ছিল না তাদের। নার্সারির চারা বিক্রি করে সংসার চালাত বেলাল মিয়া। এক ছেলে, তিন মেয়ে নিয়ে ছিল তাদের সংসার। নার্সারির চারা বিক্রি আর অন্যের জমিতে কাজ করে কোনো মতে দিন কাটছিল তাদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558427603222.jpg

এরপর ২০০৩ সালে মারা যান বেলাল মিয়া। ছেলে-মেয়েকে নিয়ে একা হয়ে পড়েন মধু বেগম। উপায় না পেয়ে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে হাল ধরেন নার্সারির। অন্য গাছের সঙ্গে পেঁপের চারা উৎপাদন করেন। ১১ শতক জমিতে উৎপাদিত পেঁপের চারা বিক্রি করেন। এভাবে টানা কয়েক বছর লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করেন তিনি।

এরপর জমানো টাকা দিয়ে বাড়ির পাশে ৪০ শতক জমি ক্রয় করেন। সেখানে পুকুর কেটে শুরু করেন মাছ চাষ। এখন বছরে কয়েকদফায় বিক্রি করেন মাছ।

এছাড়াও বাড়িতে গড়ে তুলেছেন ফার্ম। সংসারে সচ্ছলতা আসার পর মধু বেগম শুরু করেন কেঁচো সার উৎপাদন। সদর উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় বাড়ির পাশে একটি ঘর বানিয়ে সেখানে কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদন শুরু করেন তিনি। প্রতি মাসে ৩শ কেজি কেঁচো সার উৎপাদিত হয় তার খামারে। আর তা বিক্রি করে পাচ্ছেন প্রায় ১৫ হাজার টাকা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558427643414.jpg

মধু বেগম বলেন, ‘জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। এখন আর কষ্ট নেই। এই বাড়ির ক্ষুদ্র খামারের আয় থেকে আমার পরিবারের সকল খরচ চলে। খামারে কোনো সমস্যা হলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি অফিস সহযোগিতা করে।’

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোফাকখারুল ইসলাম জানান, জীবন সংগ্রামে জয়ী মধু বেগম। তার খামার ও ফার্মের জন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় পারাপারের অপেক্ষায় ৫ শতাধিক যানবাহন

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় পারাপারের অপেক্ষায় ৫ শতাধিক যানবাহন
পাটুরিয়ায় ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় শতাধিক যানবাহন

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের মাঝপদ্মার ডুবোচরে দীর্ঘ সময় দুই ফেরি আটকে থাকা ও বৈরী আবহাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে যানবাহনের দীর্ঘ সারি রয়েছে নৌরুটের উভয় ফেরিঘাট এলাকায়।

আটকে থাকা যানবাহনের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছেন ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুর পৌনে ২ টা পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে পারাপারের জন্য বাস, ট্রাক ও ছোট গাড়ি মিলিয়ে ৫ শতাধিক যানবাহন অপেক্ষামান রয়েছে বলে জানান বিআইডব্লিউটিসি আরিচা ও দৌলতদিয়া কার্যালয়ের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। এছাড়াও সকাল ৯ টায় পদ্মা নদীর ডুবোচরে আটকা পড়ে বড় দুটি ফেরি।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561624386905.jpg
এর মধ্যে ফেরি আমানত শাহ যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে পাটুরিয়ামুখী ছিলো। আর ফেরি শাহ মখদুম ছিল দৌলতদিয়ামুখী। আটকেপড়া ফেরি দুটির মধ্যে সকাল ১১ টায় উদ্ধার হয় ফেরি আমানত শাহ। আর দুপুর দেড়টার দিকে উদ্ধার হয় ফেরি শাহ মখদুম।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ জানান, পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট বড় মিলে ২০টি ফেরি রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ফেরি মেরামতে ও একটি মাওয়া ঘাটে রয়েছে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট-বড় মিলে এখন ১৬টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

তবে সকালের দিকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় অপেক্ষামান যানবাহনের সারি দীর্ঘ হতে থাকে। সবশেষ দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাস, ট্রাক ও ছোট গাড়ি মিলে দুই শতাধিক যানবাহন নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আজমল হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, বৈরী আবহাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ ও ডুবোচরে ফেরি আচকে থাকার কারণে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

সবশেষ পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাস, ট্রাক ও ছোট গাড়ি মিলে ৩ শতাধিক যানবাহন নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

নুসরাত হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

নুসরাত হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু
নুসরাত জাহান রাফি / ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। অভিযোগ গঠনের ছয়দিনের মাথায় ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে আজ ৩ জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য উপস্থাপন করবেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু বলেন, নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আজ মামলার বাদী নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান, নুসরাতের বান্ধবী নিশাত ও সহপাঠী নাসরিন সুলতানা ফুর্তি সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ জুন) আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ দেন। ওইদিন মামলার ১৬ আসামির পক্ষে জামিন আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা। শুনানি শেষে আদালত তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে ২৭ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন ঠিক করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র