Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

২১২ পরিবার পাচ্ছে দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ

২১২ পরিবার পাচ্ছে দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ
ছবি: সংগৃহীত
মাহমুদ আল হাসান (রাফিন)
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নীলফামারী


  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারী জেলার ছয় উপজেলায় গৃহহীন দুই শতাধিক পরিবারকে ‘দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ’ নির্মাণ করে দেওয়া হবে। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় চলতি অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর/কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় বিশেষ বরাদ্দে এই গৃহ নির্মাণ করে দেবে।

ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণে কারিগরি নকশা অনুমোদন ও দ্রুত বাস্তবায়নে মনিটরিং সেল গঠন করেছে।

নীলফামারী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার ছয়টি উপজেলায় মোট ২১২টি গৃহহীন পরিবার দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ পাবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৮টি, জলঢাকা উপজেলায় ৪৪টি, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৩২টি, সৈয়দপুর উপজেলায় ৩০টি, ডোমার উপজেলায় ৩২টি, ডিমলা উপজেলায় ৩৬টি।

অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী প্রতিটি বাসগৃহ নির্মাণে ব্যয় হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩১ টাকা। আর পুরো জেলায় এ কাজের জন্য মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫ কোটি ৪৮ লাখ ৮ হাজার ৫৭২ টাকা।

নীলফামারী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এস এ হায়াত বার্তা২৪.কমকে জানান, এটি সরকারের পাইলট প্রকল্প। সরকারের এই মহৎ উদ্যোগ যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে। আর এ জন্য দরিদ্র মানুষরাই যাতে এই সুবিধা পান তা নিশ্চিত করা হবে। ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। উপজেলা থেকে তালিকা আসলে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

তিনি আরও জানান, সুবিধাভোগী যাদের ৩ শতাংশ জমি রয়েছে, তাদের জমির ওপর এই ঘর নির্মাণ করে দেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
প্রতীকী ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমানগন্ডা ও কালির বাজার এলাকায় এ দু’টি দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার পূর্ব ধনমুড়ির ওবায়েদুল্লাহর ছেলে নুরুল আলম জাবলু (৩৫), প্রাণ গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের পড়ুয়া গ্রামের জুয়েল মোল্লার ছেলে জোবায়ের (২১) ও ফেনী জেলার কুমিড়া গ্রামের গিত্তলাল দাসের ছেলে শিমুল দাস (২০)।

চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ইমাম হোসেন পাটোয়ারী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, সকাল ৯টার দিকে চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকা থেকে বাই সাইকেলে করে মিয়াবাজার যাচ্ছিলেন জোবায়ের ও শিমুল। পথে মহাসড়কের আমানগন্ডা এলাকায় অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় তারা রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই শিমুল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে জোবায়ের মারা যান।

অপরদিকে কালির বাজার এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় মানসিক প্রতিবন্ধী নুরুল আলম জাবলু নিহত হন।

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, দুর্গতদের আহাজারি

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, দুর্গতদের আহাজারি
গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধায় বন্যার সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, যমুনা ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। জেলার সুন্দরগঞ্জ, সদর, সাঘাটা ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর উপজেলার বন্যাদুর্গত মানুষদের সহায় সম্বল ভেসে যাচ্ছে। নানান দর্ভোগে পড়ে তাদের মধ্যে আহাজারি শুরু হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে সরেজমিনে দেখা যায়, নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেই সাথে পানি তীব্র স্রোতে বেশ কিছু বাঁধ ও রাস্তা-ঘাট ভেঙে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563364202006.gif

গাইবান্ধা শহরের কোম্পানিপাড়ার বাসাবাড়িতে কোমর পানি জমেছে। শহরের পিকে বিশ্বাস রোডের ডিসি, এসপি ও দায়রা জজের বাসভনে হাঁটুপানি জমেছে। শহরে প্রবেশের প্রধান সড়কগুলো ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিশেষ জরুরি কাজে অনেকে বিকল্প সড়কে আবার কেউ ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563364127351.gif

এদিকে পানিবন্দি মানুষরা বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে। অনেকে উঁচু রাস্তায় অস্থায়ী ঘর তুলে বসবাস করছে। এসব জায়গা অনেকে স্থান না পেয়ে নৌকায় বা কলাগাছের ভেলায় দিন-রাত কাটাচ্ছে।

বন্যা কবলিত মানুষ গৃহপালিত পশুপাখি ও আসবাপত্র নিয়ে আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। এসব দুর্গত মানুষদের সরকারিভাবে নানান সহায়তা করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বন্যা কবলিত মানুষদের খাদ্য ও আবাসনসহ বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

দূষিত পানি পানে বন্যাদুর্গতদের মাঝে বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে- এমন চিন্তায় মাথায় রেখে ইতোমধ্যে নিরাপদ পানি সরবারহে কাজ করেছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, গাইবান্ধা ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563364150846.gif

এই পরিস্থিতিতে জেলার ৩০টি ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ গ্রামের প্রায় চার লাখ মানুষের সাড়ে ৩৫ হাজার ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পাকা-কাঁচা রাস্তা ও বাঁধ এবং ১০টি ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙে গেছে। ফসলহানি হয়েছে দুই হাজার একর জমির, ভেসে গেছে চার শতাধিক পুকুরের মাছ।

জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলী জানান, যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে ঐসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563364177416.gif

পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘বুধবার সকাল পর্যন্ত ফুলছড়ি পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ১৩৫ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।’

জেলা প্রশাসক রোখসানা বেগম বার্তাটুয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘পানিবন্দি মানুষদের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে। দুর্গতদের ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে। যা বিতরণ চলমান থাকবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র