Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

মেহেরপুরে গেট ভেঙে গৃহকর্ত্রী নিহত

মেহেরপুরে গেট ভেঙে গৃহকর্ত্রী নিহত
নিহত রাবেয়া খাতুন। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামে বাড়ির গেট ভেঙে রাবেয়া খাতুন (৫০) নামে এক গৃহকর্ত্রী নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজশাহী মেডিকেলে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। রাবেয়া খাতুন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামের মৃত ওসমান আলীর স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বাড়ির সামনে নতুন গেট নির্মাণ করেছেন করমদি গ্রামের গোসাইডুবি পাড়ার প্রয়াত পুলিশ সদস্য ওসমানের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন। আজ ভোরে ওই গেট দিয়ে বাড়ির বাইরে যাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় আকস্মিক গেট ভেঙে পড়ে তার ওপরে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের লোকজন তাকে স্থানীয় ক্লিনিকে নেয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্র নাথ সরকার জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, গুরুতর আহত শিশু

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, গুরুতর আহত শিশু
আহত শিশু মনিরা, ছবি: সংগৃহীত

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করায় লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মনিরা খাতুন (৮) নামে এক শিশুর রক্তাক্ত জখম হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে আদিতমারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে সে। তবে তার বাম কানের পাশে আঘাত পাওয়া কথা কম শুনতে পাচ্ছে। শিশু মনিরা আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের নামুড়ি মদনপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে। সে স্থানীয় মদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৬ জুন) রাতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সোহাগপুর থেকে দাদু সোলায়মান আলীর সঙ্গে ট্রেন যোগে বাড়ি ফিরছল শিশু মনিরা। জানালার পাশেই বসে ছিল সে। পথিমধ্যে হাতীবান্ধা এলাকায় হঠাৎ করে কে বা কারা পাথর নিক্ষেপ করে। সেই পাথরের আঘাতে আহত হয় মনিরা। পরে তাকে আদিতমারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বাড়ি নিয়ে যায়।

মনিরার দাদু সোলায়মান আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, ‘হাতীবান্ধা এলাকায় এলে কে বা কারা ট্রেনে পাথর ছুড়ে মারে। এ সময় তার নাতনি মনিরা রক্তাক্ত জখম হয়। বাম কানের পাশে আঘাত পায় সে। হাসপাতালে চিকিৎসাপত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।’

লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদম আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘চলন্ত ট্রেনে পাথর ছুড়ে শিশু আহতের খবর পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কলার বাগানে সাথী ফসল চাষে লাভবান কৃষকরা

কলার বাগানে সাথী ফসল চাষে লাভবান কৃষকরা
কলার বাগানে সাথী ফসল চাষ, ছবি: বার্তা২৪

কুষ্টিয়ার বিভিন্ন উপজেলায় কলা চাষের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন শাক-সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। এ পন্থা অবলম্বন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেক চাষি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এবার চার হাজার ১৯১ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে। এরমধ্যে অধিকাংশ জমিতে কলার সাথী ফসল হিসেবে মুগ, কলাই, তিল, পুঁইশাক, লাল শাক, বরবটি, ঢেড়সসহ অন্যান্য সবজি চাষ করা হয়েছে।

মিরপুর উপজেলার কেউপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমি আড়াই বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছি। কলাবাগানের মধ্যে সাথী ফসল হিসেবে পুঁইশাক, লাল শাক, বরবটি, ঢেড়শ চাষ করেছি। সবজি বিক্রি করে ইতোমধ্যেই এক লাখ টাকা আয় হয়েছে। এখনো কিছু সবজি বিক্রি করা যাবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561603442932.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘মিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শে প্রথমবার এক বিঘা জমিতে কলার পাশাপাশি সবজি চাষ করেছিলাম। কৃষি অফিস থেকে আমাকে কয়েকবার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।’

চিথলিয়া এলাকার কৃষক মফিজুল ইসলাম এক বিঘা জমিতে কলার বাগানে মুগ ডালও লাগিয়েছেন। কলা চাষ করতে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০ হাজার টাকার কলা বিক্রি হয়েছে। আর বাড়তি ১০ হাজার টাকার মুগ বিক্রি হবে বলে আশা করেন তিনি।

বারুইপাড়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহিরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা কৃষকদের বাড়িতে গিয়ে কলার পাশাপাশি সাথী ফসল চাষে উৎসাহ দিচ্ছি। এছাড়াও তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণসহ প্রণোদনা দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561603463185.JPG

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়নের দুর্বাচারা এলাকার আব্দুল লতিফ মোল্লা জানান, দেড় বিঘা জমিতে কলার সঙ্গে তিলের আবাদ করেছেন। তিল থেকে অন্তত ২০ হাজার টাকা বাড়তি আয় হবে বলে আশা তার।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ সাহা বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘একই জমিতে একাধিক ফসল চাষে আমরা কৃষকদের পরামর্শ দেই। পাশাপাশি সুষম সার ব্যবহারেও উৎসাহ দেওয়া হয়।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র