Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

৫০ লিচুর স্থলে ৩৮, জরিমানা ১০ হাজার

৫০ লিচুর স্থলে ৩৮, জরিমানা ১০ হাজার
ফল বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল / ছবি: বার্তা২৪
খন্দকার সুজন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মানিকগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

১০০ টি লিচুর স্থলে রয়েছে ৭৫ টি। পরে ফেসবুকে সেই মনের আবেগ প্রকাশ করেন ক্রেতা। বিষয়টি নজরে আসে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসনের।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিকেলে ওই বিষয়ে সত্যতা যাচাই করতে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ফল বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

অভিযান পরিচালনাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকার নুরু ফল ভান্ডার নামের একটি ফলের দোকান থেকে ৫০টি লিচু ক্রয় করেন এক ক্রেতা। পরে সেই লিচু গননা করে পাওয়া যায় ৩৮ টি। প্রতারণার মাধ্যমে ফল বিক্রির দায়ে লিচু বিক্রেতাকে জরিমানা করেন ১০ হাজার টাকা।

এছাড়া মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার রাজিবপুর বাজারের মিজান ফল ভান্ডারকে ২ হাজার টাকা এবং ফিরোজ হোটেল মালিককে ২ হাজার জরিমানা করে জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

আপনার মতামত লিখুন :

বিতর্কের মুখে মোছা হলো শহীদ স্মৃতিফলকের নাম

বিতর্কের মুখে মোছা হলো শহীদ স্মৃতিফলকের নাম
ছবি: বার্তা২৪

বিতর্ক থাকায় নির্মাণের প্রায় ১৫ বছর পর মুছে ফেলা হয়েছে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট চত্বরে স্থাপিত শহীদ স্মৃতিফলকের সব নাম। যাদের নাম ছিল তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী মানুষ, এমন অভিযোগ থাকায় স্মৃতিফলক নির্মাণের পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়েছিল।

২০০৫ সালের মে মাসে ১২ লাখ ৪৬ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয়ে ওই ফলক নির্মাণ কাজ শুরু করে গণপূর্ত বিভাগ। ওই বছরের ৯ জুন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৩১ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকা সাতক্ষীরার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে পাঠায়। সেই তালিকা অনুযায়ী মার্বেল পাথরে নাম খোদাই করে বসানো হয়। একই বছরের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হয়।

এ বিষয়ে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের সাবেক কমান্ডার মোশারাফ হোসেন মশু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ফলকে যাদের নাম বসানো হয় তাদের মধ্যে কলারোয়ার বাগডাঙ্গা গ্রামের গোলাম রহমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ও রাজাকার ছিলেন। এছাড়াও আশাশুনির রফিকুল ইসলাম ও মোজাম্মেল হক এবং তালার সৈয়দ আবুল হোসেন বেদার বখত মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেননি। আরও একাধিক নাম নিয়ে বিতর্ক থাকায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা এখানে শ্রদ্ধা জানাতে আসতেন না।’

উপজেলা কমান্ডার হাসানুল ইসলাম ও গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান বাবু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘২০১২ সালে স্মৃতিফলক থেকে বিতর্কিতদের নাম মুছতে মুক্তিযোদ্ধারা সেখানে যান এবং কালি দিয়ে বেশ কিছু নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করেন।’

মৃক্তিযোদ্ধাদের দাবি, স্মৃতিফলকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী রাজাকার ও অমুক্তিযোদ্ধার নাম থাকলেও ১৭ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নাম স্থান পায়নি। তাদের মধ্যে ছিলেন- এ বি এম নাজমুল আবেদীন খোকন, মুনসুর আলী, আব্দুস সামাদ, আব্দুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন, আব্দুল ওহাব, গোলজার আলী, জাকারিয়া, নূর মোহাম্মদ, সোহরাব হোসেন, আবু দাউদ বিশ্বাস, নূল ইসলাম কারিগর, সুবেদার ইলিয়াস খান, আবুল কালাম আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ, মো. মোজাম্মেল হক ও মো. ইউনুস আলী।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিতর্ক থাকায় ওই নাম ফলকটি তুলে ফেলতে গণপূর্ত বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছিলাম। বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। এখন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে আলোচনা করে ও গেজেট দেখে প্রকৃত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম বসানো হবে। আর যদি ঐক্যমতে পৌঁছানো না যায়, তাহলে নাম ছাড়াই ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ’ হিসেবে সেটি থাকবে।

অপহরণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অপহরণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
আসামি জীবন। ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলছাত্রী অপহরণ মামলায় জীবন (২৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া অপর আসামি ওমর ফারুককে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শওকত আলী এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত জীবন জেলার শিবগঞ্জ পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড মহল্লার আতাউর রহমান আতুর ছেলে।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি শিবগঞ্জ এলাকা থেকে মাদরাসার ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে আসামি জীবনসহ ৫-৬ জন মিলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে একই দিন শিবগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক আতিকুর রহমান আসামি জীবন ও ওমর ফারুককে অভিযুক্ত করে একই সালের ৩১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আজ এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত জীবন পলাতক রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র