Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

৩ ঘণ্টার ভারী বর্ষণে হবিগঞ্জে জলাবদ্ধতা

৩ ঘণ্টার ভারী বর্ষণে হবিগঞ্জে জলাবদ্ধতা
৩ ঘণ্টার ভারী বর্ষণে হবিগঞ্জে জলাবদ্ধতা / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

মাত্র তিন ঘণ্টার ভারী বর্ষণে হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।

শুক্রবার (২৪ মে) ভোর রাতে হবিগঞ্জ শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় তিন ঘণ্টার টানা বর্ষণ হয়। এতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকার রাস্তায় কাদা জমে যায়। এছাড়া শহরের নিম্নাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েন পৌর নগরবাসী। তবে শুক্রবার স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ভোগান্তির পরিমাণ কিছুটা কম হয়েছে।

শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শায়েস্তানগর, ইনাতাবাদ, চৌধুরীবাজার, সার্কিট হাউজ রোড, নোয়াহাটি, পুলিশ সুপারের বাস ভবন, বগলবাজার, উত্তর শ্যামলী, নোয়াবাদ, মোহনপুর, শ্যামলী, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও বাস ভবন, পুরাতন হাসপাতাল সড়ক, কালিগাছ তলাসহ বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক হাটু পরিমাণ পানি জমে যায়। ফলে মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক বাসা-বাড়িতে পানি ঢুকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা গেছে।

পৌরবাসীর অভিযোগ, পানিনিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় একটু বৃষ্টি হলেই শহরে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। বছরের পর বছর পৌরবাসী জলাবদ্ধতার সঙ্গে যুদ্ধ করে আসলেও সমস্যা সমাধানে উদাসীন পৌর কর্তৃপক্ষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/24/1558687002370.jpg

শায়েস্তানগর এলাকার পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী চাচ্চু মিয়া জানান, শায়েস্তানগর এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে এলাকাবসীকে সিমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হয়। অথচ পৌর কর্তৃপক্ষ এই দুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।

জলাবদ্ধতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা শাহ্ আলম বলেন, ‘শহরের জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য অনেক টাকা খরচ করে নর্দমা নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও জলাবদ্ধতার হাত থেকে আমরা রক্ষা পাচ্ছি না।’

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র দীলিপ দাসের মোবাইল ফোনে কয়েকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যা

ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যা
হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা আনিছ ও জামাল, ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরে স্কুল শিক্ষিকা জয়ন্তি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা আনিছ ও জামাল নামে দুই ডিসের (ক্যাবল নেটওয়ার্ক) কর্মচারীকে আটকের পর রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হয়েছে। আটক ডিসের কর্মচারী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে বলে পিবিআই প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকেল তিনটায় চাঁদপুর ওয়ারলেস বাজার এলাকার পিবিআই কার্যালয় এসপি মোঃ ইকবাল প্রেস ব্রিফিং মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566135192339.jpg

 

তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের পূর্ব মুহূর্ত থেকে শেষ পর্যন্ত ঐ বাড়িতে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কারা অবস্থান করেছে তা চিহ্নিত করা হয়। সেখানে ডিসের কর্মচারী আনিছুর রহমান ও জামাল হোসেন ঘটনার সময় ওই বাড়িতে অবস্থান করছিল বলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

পরবর্তীতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তাদের দু’জনকে  গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা দুজনে চাঁদপুর ক্যাবল নেটওয়ার্কের স্বত্বাধিকারী মালিক রমজানের স্টাফ হয়ে ডিস লাইনম্যান হিসেবে বাসা বাড়িতে সংযোগ দেওয়ার কাজ করত।

পিবিআই এসপি মোঃ ইকবাল  জানান, সারাদেশে যখন পদ্মা সেতু নিয়ে গলাকাটা গুজব ছড়িয়েছে ঠিক তখনই চাঁদপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টাফ কোয়ার্টারে গলা কেটে শিক্ষিকা জয়ন্তীকে হত্যা করা হয়েছে। জয়ন্তি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রথমেই হত্যার কোন ক্লু না পাওয়া গেলেও কিছুদিনের মধ্যেই মূল হোতাদের আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। আধুনিক টেকনোলজি ব্যবহার করে মূল হোতাদের আটক করা ও ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

আটক ডিসের স্টাফ আনিছ ও জামাল ঘটনার দিন দুপুরে  কোয়ার্টারে গিয়ে শিক্ষিকা জয়ন্তীকে একা পেয়ে তাকে ধর্ষণ করে। তিনি ডাকচিৎকার দিতে শুরু করলে ঘাতকরা বাসায় টেবিলে রাখা ফল কাটার ছুরি নিয়ে শিক্ষিকা জয়ন্তীর গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই রবিবার বিকালে পুলিশ চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টাফ কোয়ার্টার থেকে ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জয়ন্তী চক্রবর্তীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে।

প্রেমিকার স্বজনের মারধরে আহত প্রেমিকের মৃত্যু

প্রেমিকার স্বজনের মারধরে আহত প্রেমিকের মৃত্যু
মাসুদ রানা সোহেলের লাশ। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

লালমনিরহাটে প্রেমিকার ম্যাসেজ পেয়ে দেখা করতে গিয়ে মারধরের শিকার আহত মাসুদ রানা সোহেল (২৯) মারা গেছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকেলে লালমনিরহাট পৌরসভার টিএনটি ভবন এলাকার নিজ বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

মৃত মাসুদ রানা সোহেল লালমনিরহাট পৌরসভার টিএনটি ভবন এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সোহেলের সঙ্গে লালমনিরহাট শহরের নর্থ বেঙ্গল মোড় এলাকার আতিয়ার রহমানের মেয়ে আশামনির (১৬) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তাদের বয়সের ব্যবধান ছিল অনেক। তাই মেয়ের পরিবার এই প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি। এরই জের ধরে পরিবারের কথায় গত বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে মোবাইলে ম্যাসেজ দিয়ে সোহেলকে ডেকে আনে আশামনি। পরে সোহেলকে আটকে রেখে রাতভর মারধর করে আশামনির স্বজনরা।

বিষয়টি স্থানীয়রা টের পেয়ে সোহেলকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। গত শনিবার (১৭ আগস্ট) রাতে বেশি অসুস্থ হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে মারা যায় সোহেল। পরে লাশ বাড়িতে নিয়ে যায় স্বজনরা।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম জানান, সোহেলের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের বাবা আইয়ুব আলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র