Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

নখের আঁচড়ে উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ

নখের আঁচড়ে উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় শ্মশানঘাট সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ, ছবি: বার্তা
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
সাতক্ষীরা


  • Font increase
  • Font Decrease

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার হাদীপুর থেকে শ্মশানঘাট সড়কটি সংস্কার করা হয়েছে কিছুদিন আগে। কিন্তু এরই মধ্যে উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ। নিম্নমানের উপাদান ব্যবহার করায় নখের আঁচড়ে উঠে যাচ্ছে পিচ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংস্কারের সময় পিচের পরিমাণ কম হওয়া এবং অতিরিক্ত কেরোসিন ও পোড়া মবিল ব্যবহার করায় রাস্তার এ অবস্থা হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, সড়কটি সংস্কারে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে এলাকাবাসী দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগ করেছেন। ইউএনও বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, হাদীপুর মাদরাসা থেকে শ্মশানঘাট পর্যন্ত ৯৭৫ মিটার এবং সখিপুর আরএন্ডএইচ থেকে কেয়ার রোড পর্যন্ত ৬৮৫ মিটার রাস্তা পিচ করতে মোট ৫৪ লাখ ৭৮ হাজার ১৮৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজের দায়িত্ব পায় দেবহাটা উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের আবুল কালামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালেহা এন্টারপ্রাইজ।

সম্প্রতি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রাস্তা দুটির কাজ শুরু করে। দরপত্র অনুযায়ী কাজ শুরু হওয়ার কথা চলতি বছরের ১১ এপ্রিল এবং শেষ হওয়ার কথা ২ জুলাই।

অভিযোগ আছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি নিম্নমানের ইট, খোয়া এবং অন্যান্য উপাদান ব্যবহার করে। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের মালিক আবুল কালামকে জানানো হলেও তিনি তা আমলে নেননি। উল্টো স্থানীয় এলজিইডি কর্মকার্তাদের ম্যানেজ করে কাজ অব্যাহত রাখেন। পরে স্থানীয়রা ইউএনওকে বিষয়টি জানালে তিনি এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম ও জেলা এলজিইডির প্রকৌশলীকে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন।

পরে জেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সরেজমিন পরিদর্শন করে কাজে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের সত্যতা পান। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি অদৃশ্য ক্ষমতাবলে রাস্তার কাজ অব্যাহত রাখে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, স্থানীয়দের নখের আঁচড়ে রাস্তার পিচ উঠে আসছে। এ সময় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার আবুল কালাম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’

এ বিষয়ে দেবহাটা উপজেলা প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে যথাযথভাবে রাস্তা সংস্কার করতে বলা হয়েছে।’

জানতে চাইলে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকবাল হোসেন কাজে অনিয়ম পাওয়ার কথা স্বীকার করে বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘এ বিষয়ে এলজিইডির সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। তারা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজড

প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজড
এএসআই পলাশ, ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশকে ক্লোজ (প্রত্যাহার) করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দামুড়হুদা থানায় ওই তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ করলে শনিবার (২২ জুন) এএসআই পলাশকে দামুড়হুদা থানা থেকে প্রত্যাহার করে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনে যুক্ত করা হয়।

বুধবার (২৬ জুন) রাতে বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান।

জানা গেছে, এএসআই পলাশ জীবননগর থানায় থাকাকালে ওই এলাকার এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সুবাদে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে আসছিলেন তিনি। দামুড়হুদা থানায় যোগদানের পর গত ১৮ জুন এএসআই পলাশ থানা থেকে ছুটি নিয়ে ওই মেয়ের সঙ্গে সিরাজগঞ্জে ঘুরতে যান। ওখানে একটি বাসায় দম্পতি পরিচয়ে দুই দিন থাকার পর চুয়াডাঙ্গায় ফিরে আসেন তিনি। এ দুই দিনে ওই মেয়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে পলাশ তাতে রাজি হননি। কোনো উপায় না পেয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার থানায় লিখিতভাবে ধর্ষণের অভিযোগ করেন ওই তরুনী। অভিযোগ পাওয়ার পর পলাশকে দামুড়হুদা থানা থেকে ক্লোজ করা হয়।

বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তন্তের জন্য জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান।

কানে ট্যাগ লাগিয়ে বেওয়ারিশ গরু নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ

কানে ট্যাগ লাগিয়ে বেওয়ারিশ গরু নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ
হলুদ রঙের এ ট্যাগ লাগানো হবে গরুর কানে, ছবি: বার্তা২৪.কম

পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে বেওয়ারিশ ভাবে ঘুরে বেড়ানো গরুর মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গরুর কানে বিশেষ ধরনের ট্যাগ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে পটুয়াখালী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

এর ফলে গরুর মালিকানা নির্ধারণ করে ঘুড়ে বেড়ানো গরুগুলোর মালিকদের কাছ থেকে প্রথমে আর্থিক জরিমানা আদায় করা হবে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, শহরে কয়েকশ’ গরু দিনে এবং রাতে বেওয়ারিশ ভাবে ঘোরাফেরা করে রাস্তায় মলমূত্র ত্যাগ করে পরিবেশ নষ্ট করছে। এছাড়া এসব গরু বিভিন্ন সড়ক এবং বাসা বাড়ির গাছ পালা খেয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করছে, বিঘ্ন ঘটাচ্ছে যান চলাচলে। বিভিন্ন সময় গবাদিপশু আটক করলেও মালিকরা তা আর নিতে আসেন না। এজন্য পশুর খাবার এবং পরিচর্যা নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

আর সে কারণেই এখন থেকে বেওয়ারিশ গরু আটক করে গরুর কানে নম্বর যুক্ত ট্যাগ লাগানো হবে। একাধিকবার জরিমানার পর মালিকদের বিরুদ্ধে পৌরসভার বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, গত কয়েক বছর ধরে পটুয়াখালী শহরের কিছু মানুষ গবাদিপশু না বেঁধে খোলা ভাবে লালন পালন করছে। এর ফলে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিভিন্ন সভা সেমিনার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র