Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বেগমগঞ্জে গৃহবধূ গণধর্ষণ, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ২

বেগমগঞ্জে গৃহবধূ গণধর্ষণ, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ২
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নোয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানি ইউনিয়নে এক গহবধূকে (২৫) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাইফুল (৩০) ও বাবু (৩২) নামে অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে গ্রেফতারের সময় একটি এলজি ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। 

শুক্রবার সকালে পুলিশ দোয়ালিয়া গ্রামের একটি বাড়ি ঘেরাও করে আসামিদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতার দুইজন হচ্ছেন, ওই গ্রামের মোস্তফার ছেলে সাইফুল ও রুদ্রুপুর গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে বাবু।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে গৃহবধূর ঘরে ঢুকে গ্রেফতার দুই আসামিসহ তিনজন ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। 

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, হারুন, সাইফুল ও বাবুর সঙ্গে পুকুরে মাছ চাষ নিয়ে ভুক্তভোগীর স্বামীর বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে বিভিন্ন সময় আসামিরা তাদের হুমকি দিয়ে আসছেন।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভুক্তভোগীর ঘরে ঢুকে দুই নারীকে মারধর করে আসামিরা। পরে তারা ভুক্তভোগী নারীকে একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। ধর্ষিতার পরিবার আরও অভিযোগ করেন, গণধর্ষণ শেষে আসামিরা তাদের ঘর থেকে ৪০ হাজার টাকার একটি স্বর্ণের চেইন ও তাদের বসত ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আলম মোল্লা বলেন, ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ্যসহ অজ্ঞাত ৬০-৭০জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। মামলার সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ওসি আরও বলেন, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজড

প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজড
এএসআই পলাশ, ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশকে ক্লোজ (প্রত্যাহার) করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দামুড়হুদা থানায় ওই তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ করলে শনিবার (২২ জুন) এএসআই পলাশকে দামুড়হুদা থানা থেকে প্রত্যাহার করে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনে যুক্ত করা হয়।

বুধবার (২৬ জুন) রাতে বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান।

জানা গেছে, এএসআই পলাশ জীবননগর থানায় থাকাকালে ওই এলাকার এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সুবাদে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে আসছিলেন তিনি। দামুড়হুদা থানায় যোগদানের পর গত ১৮ জুন এএসআই পলাশ থানা থেকে ছুটি নিয়ে ওই মেয়ের সঙ্গে সিরাজগঞ্জে ঘুরতে যান। ওখানে একটি বাসায় দম্পতি পরিচয়ে দুই দিন থাকার পর চুয়াডাঙ্গায় ফিরে আসেন তিনি। এ দুই দিনে ওই মেয়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে পলাশ তাতে রাজি হননি। কোনো উপায় না পেয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার থানায় লিখিতভাবে ধর্ষণের অভিযোগ করেন ওই তরুনী। অভিযোগ পাওয়ার পর পলাশকে দামুড়হুদা থানা থেকে ক্লোজ করা হয়।

বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তন্তের জন্য জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান।

কানে ট্যাগ লাগিয়ে বেওয়ারিশ গরু নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ

কানে ট্যাগ লাগিয়ে বেওয়ারিশ গরু নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ
হলুদ রঙের এ ট্যাগ লাগানো হবে গরুর কানে, ছবি: বার্তা২৪.কম

পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে বেওয়ারিশ ভাবে ঘুরে বেড়ানো গরুর মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গরুর কানে বিশেষ ধরনের ট্যাগ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে পটুয়াখালী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

এর ফলে গরুর মালিকানা নির্ধারণ করে ঘুড়ে বেড়ানো গরুগুলোর মালিকদের কাছ থেকে প্রথমে আর্থিক জরিমানা আদায় করা হবে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, শহরে কয়েকশ’ গরু দিনে এবং রাতে বেওয়ারিশ ভাবে ঘোরাফেরা করে রাস্তায় মলমূত্র ত্যাগ করে পরিবেশ নষ্ট করছে। এছাড়া এসব গরু বিভিন্ন সড়ক এবং বাসা বাড়ির গাছ পালা খেয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করছে, বিঘ্ন ঘটাচ্ছে যান চলাচলে। বিভিন্ন সময় গবাদিপশু আটক করলেও মালিকরা তা আর নিতে আসেন না। এজন্য পশুর খাবার এবং পরিচর্যা নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

আর সে কারণেই এখন থেকে বেওয়ারিশ গরু আটক করে গরুর কানে নম্বর যুক্ত ট্যাগ লাগানো হবে। একাধিকবার জরিমানার পর মালিকদের বিরুদ্ধে পৌরসভার বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, গত কয়েক বছর ধরে পটুয়াখালী শহরের কিছু মানুষ গবাদিপশু না বেঁধে খোলা ভাবে লালন পালন করছে। এর ফলে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিভিন্ন সভা সেমিনার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র