Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

টাঙ্গাইলে ২ ফ্লাইওভার ও ৪ আন্ডারপাস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

টাঙ্গাইলে ২ ফ্লাইওভার ও ৪ আন্ডারপাস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
টাঙ্গাইলে ২ ফ্লাইওভার ও ৪ আন্ডারপাস উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী মেখ হাসিনা / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
টাঙ্গাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরা নির্বিঘ্ন করতে দুটি ফ্লাইওভার ও চারটি আন্ডারপাস উন্মুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাসগুলো উদ্বোধন করেন।

ফ্লাইওভার দু’টি হচ্ছে কোনাবাড়ি ও চন্দ্রা। এরমধ্যে কোনাবাড়ি ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৬৪৫ মিটার, প্রস্থ ১৮.১ মিটার এবং চন্দ্রা ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ২৮৮ মিটার, প্রস্থ ১৮.১ মিটার। আন্ডারপাসগুলো হচ্ছে- কালিয়াকৈর, দেওহাটা, মির্জাপুর ও টাঙ্গাইল সদরের ঘারিন্দা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558777842144.jpg

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্স উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি একাব্বর হোসেন এমপি, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব সভাপতি জাপর আহমেদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

বিশেষ অভিযানেও থেমে নেয় ইয়াবার পাচার

বিশেষ অভিযানেও থেমে নেয় ইয়াবার পাচার
আটককৃত ইয়াবা, ছবি: সংগৃহীত

আজ ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস। বর্তমান সময়ে বিষাক্ত ইয়াবার ফাঁদে পড়েছে সারাদেশ। সরকারের সিদ্ধান্তে বিশেষ অভিযানে নেমেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। কিন্তু শত অভিযানেও থামানো যায়নি ইয়াবা পাচার। কথিত বন্দুকযুদ্ধে শত ইয়াবা কারবারি নিহত হলেও মরণ নেশা ইয়াবা পাচার থেকে বিরত থাকেনি অনেকেই। প্রতিনিয়ত র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবির হাতে আটক হচ্ছে ইয়াবার বড় বড় চালান। 

আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, ১০২ ইয়াবা কারবারী আত্মসমর্পণের পরও থামনো যাচ্ছে না ইয়াবার বিস্তার। আইনশৃঙ্খলাবাহিনী কঠোর অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে এ পর্যন্ত মারা গিয়েছে শতাধিক ইয়াবা কারাবারি। তাদের মধ্যে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে দেশের টপ ইয়াবা কারবারী হাজী সাইফুল করিমও নিহত হয়। এছাড়া প্রতিনিয়ত আটক হচ্ছে ইয়াবার বড় বড় চালান। 

এর মধ্যে, গত ২ জুন টেকনাফের নাফ নদীর দমদমিয়া এলাকা দিয়ে প্রবেশের সময় ৯ লাখ ৬২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে বিজিবি। নাফনদী পাড়ি দিয়ে ইয়াবাগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল বলে জানায় বিজিবি।

রোববার (২৬ মে) ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফে ইয়াবাসহ আব্দুল আমিন নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে ১ লাখ ইয়াবা ও ৩ লাখ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফের হাতিরঘোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়। আটক আমিন কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলের ফজলুল হকের ছেলে।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে পালংখালী থেকে ১৯ হাজার ৭০০ ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করে র‌্যাব। এসময় একটি ট্রাকও জব্দ করা হয়। গত ২০ মে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজার লিংরোড থেকে ৫ হাজার ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়। এ ইয়াবাগুলো ঈদ উপলক্ষে তারা খুচরা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল বলে র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561492477761.jpg

এছাড়াও গত ২৩ মে বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার মাদকদ্রব্য অধিদফতরে গোয়েন্দারা অভিযান চালিয়ে ৯৪০ সাদা রংয়ের ইয়াবাসহ টেকনাফের পুরান পল্লানপাড়ার মৃত সৈয়দ উল্লাহর স্ত্রী জাহেদা বেগম (৪৭) কে আটক করে।

২৪ মে রাত ১১ টার দিকে শেখ আজিজুল মার্কেটের সামনে থেকে এক হাজার ইয়াবাসহ মো. জুবাইর (২০) নামে এক রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। একই দিন গফুর মার্কেটের সামনে থেকে ১ হাজার ইয়াবাসহ ছৈয়দুল ইসলাম (২০) নামে একজনকে আটক করে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের গোয়েন্দারা।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’র কক্সবাজার জেলার সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বার্তা ২৪.কমকে বলেন, ‘দেশে মাদক বিরোধী অভিযান কঠোর হলেও রাঘববোয়ালরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। যদি শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হয় তাহলে এ ইয়াবা বিস্তার থামানো কঠিন হবে। যদিও আইনশৃঙ্খলাবাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।’ 

কক্সবাজার পিপলস ফোরামের মুখপাত্র এইচ এমন নজরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, সাইফুল করিম নিহত হলেও তার আশে-পাশের ব্যবসায়ীরা এখনো সচল রয়েছে। তাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। কিছু আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য এখনো রহস্যজনক ভূমিকায় রয়েছে ইয়াবা দমনে। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।

কক্সবাজার র‌্যাব ১৫ অধিনায়ক উইন কমান্ডার আজিম আহমেদ বার্তা ২৪.কমকে বলেন, ‘র‌্যাবের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি অভিযানে  গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটেছে। তবে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সচরাচর ধরা না পড়ায় ইয়াবার বিস্তার থামাতে বেগ পেতে হচ্ছে। আশা করছি চলমান অভিযানে ইয়াবা নির্মূল সম্ভব। এ অভিযান অব্যাহত রাখবে র‌্যাব।’ 

কক্সবাজার মাদক দ্রব্য অধিদফতরের সহকারি পরিচালক সোমেন মন্ডল বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘শুধু ইয়াবা নয়, এ সীমান্ত এলাকা দিয়ে পাচার হচ্ছে গাঁজাও। সম্প্রতি আমাদের গোয়েন্দা কয়েক কেজি গাঁজাসহ দুই নারীকে আটক করে। আমরা অভিযান আরও জোরদার করছি।’

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘চেকপোস্টে তল্লাশির সময় আটক হচ্ছে ইয়াবা পাচারাকারীরা। প্রতিদিনয় কোন না কোনভাবে আটক হচ্ছে ইয়াবার চালান। তাই বিজিবি সতর্ক রয়েছে।’

উল্লেখ্য যে, ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণের পরও ইয়াবার পাচার ঠেকানো যাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে কয়েকটি বড় বড় চালান আটক হয়। কিন্তু কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না ইয়াবা পাচার। বন্দুকযুদ্ধে ইয়াবা কারাবারি নিহতের সংখ্যাও কম নয়। আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসেও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার কক্সবাজারের মানুষ।

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে ২ শিক্ষার্থীসহ আহত ১০

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে ২ শিক্ষার্থীসহ আহত ১০
হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় বজ্রপাত্রে আহত একজন, ছবি: বার্তা২৪.কম

লালমনিরহাটের ৫ উপজেলায় বজ্রপাতে ২ শিক্ষার্থীসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। 

আহতরা হলেন- হাতীবান্ধা উপজেলার মিলন বাজার এলাকার রোহেল উদ্দিনের স্ত্রী সেলিনা খাতুন (২৪), গড্ডিমারী ইউনিয়নের মধ্য গড্ডিমারী এলাকার আবু তালেবের স্ত্রী রানু বেগম (২০),  সিঙ্গিমারী ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী খোতেজা বেগম (৬০), সিঙ্গিমারী এলাকার আব্দুল লতিফের স্ত্রী নুর নাহার বেগম (৩৩) এবং বড়খাতা ইউনিয়নের পুর্ব সারোডুবি এলাকার আমিনুর রহমানের ছেলে মিরাজুল ইসলাম পরাগ হোসেন (১৭) ও পশ্চিম সারোডুবি এলাকার শামসুল হকের ছেলে সেলিম হোসেন (১৭), হাতীবান্ধা আলিমুদ্দিন ডিগ্রী কলেজের অনার্সের আলেমা খাতুন (১৮) ও টংভাঙ্গা এলাকার মঞ্জু মিয়ার ছেলে মিরাজ (১৬), কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের হোসেন মিয়ার ছেলে আবু বক্কর(২৪) ভোটমারী ইউনিয়নের সেলিম মিয়ার ছেলে শাহিনুর ইসলাম(৩৩)। তারা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন। 

হাতীবান্ধা আলিমুদ্দিন ডিগ্রী কলেজের অনার্সের আলেমা খাতুন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বাড়ির বাইরে থাকা কাপড় আনতে গিয়ে আকস্মিক বজ্রপাতে  মাটিতে পড়ে যাই। পরে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক যুগল কিশোর রায় জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে এক শিক্ষার্থী আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র