Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

স্পর্শ করলেই লজ্জা পায় গাছটি

স্পর্শ করলেই লজ্জা পায় গাছটি
লজ্জাবতী গাছ। ছবি: বার্তা২৪.কম
নাহিদ রেজা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঠাকুরগাঁও


  • Font increase
  • Font Decrease

ছোট্ট ছোট্ট সবুজ পাতা দোল খাচ্ছে বাতাসের সঙ্গে। গাছটির পাতায় হাতের স্পর্শ লাগতেই যেন লজ্জা পেল। আর এমন লজ্জা পায় বলেই হয়তো গাছটির নাম লজ্জাবতী।

লজ্জাবতী মূলত একটি বর্ষজীবি গুল্ম আগাছা জাতীয় গাছ। কাণ্ড লতানো, শাখা প্রশাখায় ভরা। পাতা দেখতে তেঁতুল গাছের মতো। তবে কাঁটা রয়েছে গাছটিতে। এছাড়া লজ্জাবতীর রয়েছে নানা ঔষধি গুণ।

জানা গেছে, লজ্জাবতীর ইংরেজি নাম মিমোশা। প্রতিদিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে লজ্জাবতী তার নিজস্ব সৌন্দর্য ছড়াতে থাকে। আর সন্ধ্যায় নিজেকে ফের লুকিয়ে নেয় সব সৌন্দর্য থেকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558783342030.jpg

অক্টোবর থেকে ফুলও আসে গাছগুলোতে। ফুলগুলো গোলাপি এবং সাদা রঙের হয়ে থাকে। ধীরে ধীরে সে ফুল থেকে এক ধরনের ফল হয়। শুধু মানুষের স্পর্শে নয়, যেকোনো ধরনের স্পর্শে নিজেকে মুড়িয়ে নেয় এই লজ্জাবতী।

লজ্জাবতীর এমন লজ্জা দেখে মনে পড়ে যায় কবি সুদীপ্ত সরকারের একটি কবিতা। তা হল- ‘সবুজ রঙের লতা গাছে, সদা সৌন্দর্যে লাজুক বাহার, ছোট-ছোট ফুলেরা হাসে, ঝিরি-ঝিরি পাতা যার, ছোঁয়া মাত্রই পাতা মুড়াচ্ছে, লজ্জাবতী হয় নামটি তার’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558783365433.jpg

এদিকে লজ্জাবতী এক সময় অনেক দেখা গেলেও আজ তা নেই বললেই চলে। হঠাৎ যেন চোখে পড়ে গাছটি।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বাসিন্দা বাপ্পি বলেন, ‘যখন ছোট ছিলাম তখন আশপাশে অনেক লজ্জাবতী গাছ ছিল। তবে এখন আর তেমন দেখা যায় না। কিন্তু লজ্জা পাওয়ার ব্যাপারে মেয়েদের সঙ্গে লজ্জাবতী গাছের একটি মিল রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

আদিতমারীতে ট্রাকচাপায় বাবার পর প্রাণ গেল ছেলেরও

আদিতমারীতে ট্রাকচাপায় বাবার পর প্রাণ গেল ছেলেরও
পূর্ণ রায়, ছবি: সংগৃহীত

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার পলাশী বাজার এলাকায় ট্রাকচাপায় বাবার মৃত্যুর পর ছেলে পূর্ণ রায়ও (২০) প্রাণ হারালেন। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়াল।

বুধবার (২৬ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পূর্ণ রায়ের মৃত্যু হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় ঘটা এ দুর্ঘটনায় মারা যান পূর্ণ চন্দ্র রায়ের বাবা নান্দু রায় (৫৫) ও অটোরিকশার চালক রবিউল ইসলাম (৪২)। তারা লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা কাকিনা ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় নিহত ২

আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে ব্যাটারি চালিত একটি অটোরিকশা ভাড়া করে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে যাচ্ছিলেন অভিভাবকসহ কালীগঞ্জের ওয়াবদা বাজার এলাকার আটজন। পথে পলাশী বাজারের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের চাপায় অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার চালক রবিউল ও যাত্রী নান্দু চন্দ্র মারা যান। আহত হন নান্দুর ছেলে পূর্ণসহ আরো অন্তত ১০ জন। আহতদের মধ্যে চারজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মৃত্যু হয় পূর্ণ রায়ের।

 

প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজড

প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজড
এএসআই পলাশ, ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পলাশকে ক্লোজ (প্রত্যাহার) করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দামুড়হুদা থানায় ওই তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ করলে শনিবার (২২ জুন) এএসআই পলাশকে দামুড়হুদা থানা থেকে প্রত্যাহার করে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনে যুক্ত করা হয়।

বুধবার (২৬ জুন) রাতে বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান।

জানা গেছে, এএসআই পলাশ জীবননগর থানায় থাকাকালে ওই এলাকার এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সুবাদে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে আসছিলেন তিনি। দামুড়হুদা থানায় যোগদানের পর গত ১৮ জুন এএসআই পলাশ থানা থেকে ছুটি নিয়ে ওই মেয়ের সঙ্গে সিরাজগঞ্জে ঘুরতে যান। ওখানে একটি বাসায় দম্পতি পরিচয়ে দুই দিন থাকার পর চুয়াডাঙ্গায় ফিরে আসেন তিনি। এ দুই দিনে ওই মেয়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে পলাশ তাতে রাজি হননি। কোনো উপায় না পেয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার থানায় লিখিতভাবে ধর্ষণের অভিযোগ করেন ওই তরুনী। অভিযোগ পাওয়ার পর পলাশকে দামুড়হুদা থানা থেকে ক্লোজ করা হয়।

বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তন্তের জন্য জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র