Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

প্রেমে রাজি না হওয়ায় স্কুলছাত্রীকে হাতুড়িপেটা

প্রেমে রাজি না হওয়ায় স্কুলছাত্রীকে হাতুড়িপেটা
নড়াইলে স্কুলছাত্রী ঝরনা খানমকে হাতুড়িপেটা করেছে বখাটেরা, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নড়াইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলার লাহুড়িয়ায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঝরনা খানম নামে এক স্কুলছাত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে বখাটেরা। আহত ঝরনা স্থানীয় লাহুড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। শনিবার (২৫ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথে দিননাথপাড়ার আজমলের ছেলে ওবায়দুর যৌন হয়রানি করে আসছিলেন। শনিবার সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় বিনয় মাস্টারের বাড়ির সমানে পৌঁছালে বখাটে ওবায়দুর ও তার সহযোগী কাবুল ঝরনার পথরোধ করে প্রেমের প্রস্তাব দেয়।

এতে ঝরনা রাজী না হলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওবায়দুর তার কাছে থাকা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তাকে মারাত্মক আহত করে। এতে ঝরনার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে সেখানকার চিকিৎসকারা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদিকে পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ওবায়দুরের সহযোগী কাবুলকে  আটক করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এক অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের  আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশু নাহিদ

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশু নাহিদ
নাহিদুজ্জামান নাহিদ, ছবি: সংগৃহীত

সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মাসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হারিয়ে ভাগ্যগুণে বেঁচে যাওয়া তিন বছরের শিশু নাহিদুজ্জামান নাহিদ মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। রাজধানী ঢাকার অ্যাপেলো হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছে শিশুটি। দুর্ঘটনায় আহত নাহিদের চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে। আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট) তার সার্জারি অস্ত্রোপচার করবেন চিকিৎসকরা।

রোববার (১৮ আগস্ট) রাতে বার্তা২৪.কমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাহিদের চাচা নুরুজ্জামান।

নাহিদের বাড়ি নেত্রকোনার জেলার দূর্গাপুরে। তার বাবা রফিকুজ্জামান নরসিংদী জেলার একটি টেক্সটাইল মিলের মালিক।

গত ১৬ আগস্ট শুক্রবার নাহিদের পরিবার প্রাইভেটকারযোগে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ময়মনসিংহ কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গাও রামগোপালপুর এলাকায় যাত্রীবাহী এমকে সুপার নামের একটি বাস ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারটিকে চাপা দেয়। এ সময় প্রাইভেটকারটি দুমড়েমুচড়ে যায়।

আরও পড়ুন: গৌরীপুরে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

দুর্ঘটনায় নাহিদের মা শাহীনা আক্তার বাবা রফিকুজ্জামান, বড় ভাই নাদিম মাহমুদ, বোন রওনক জাহান ও মামা জিসান কবীর আশরাফ প্রাণ হারান। ভাগ্যগুণে বেঁচে যায় শিশু নাহিদ ও চালক স্বপন মিয়া।

নাহিদ রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। চালক স্বপন মিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

অপরদিকে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো নাহিদের বাবা-মা, ভাই-বোন ও মামাকে শনিবার নেত্রকোনার দূর্গাপুরে দাফন করা হয়েছে। সব হারানো নাহিদ এখন তার দাদা-দাদির তত্ত্বাবধানেই থাকবে।

নাহিদের চাচা নুরুজ্জামান বলেন, ‘নাহিদ এখনো আইসিইউতে আছে। তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয়েছে। এখনো জ্ঞান ফেরেনি। চিকিৎসকরা বলেছেন আমাদের ধৈর্য ধরতে। সবাই আমাদের নাহিদের জন্য দোয়া করবেন।’


এদিকে, মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় শুক্রবার রাতে বাসের চালককে (অজ্ঞাতনামা) আসামি করে গৌরীপুর থানায় মামলা করেছেন রফিকুজ্জামানের ছোট ভাই নুরুজ্জামান। কিন্তু পুলিশ রোববার রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেননি।

গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।’

মতলবে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত

মতলবে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চাঁদপুরের মতলবে চলন্ত মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সুধীর চন্দ্র দাস (৭০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সটাকী-ষাটনল বেড়িবাঁধ সড়কের উপর এ ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী ফতুয়াকান্দি গ্রামের আমিন উদ্দিনের ছেলে আরমান (১৫) ও একই গ্রামের আবু সুফিয়ানের ছেলে নাজমুল (২৩) গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, বিকালে সটাকী মালোপাড়া গ্রামের মৃত সুরিন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে সুধীর চন্দ্র দাস বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তা পারাপারের সময় বিপরীতমুখী মোটরসাইকেল এসে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তার মুখমণ্ডলে মারাত্মক জখম হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আকলিমা জাহান তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুই জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মতলব উত্তর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হানিফ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মোটর সাইকেলটি থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে।'

অপরদিকে থানার এসআই মিজানুর রহমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সুধীর চন্দ্রের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠানো হবে বলে থানায় নিয়ে যান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র