Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

নানা রোগে আক্রান্ত শিশু আতিকুল, অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ

নানা রোগে আক্রান্ত শিশু আতিকুল, অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ
নানা রোগে আক্রান্ত শিশু আতিকুল / ছবি: বার্তা২৪
তোফায়েল হোসেন জাকির
 ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
 বার্তা২৪.কম
গাইবান্ধা


  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দরিদ্র পরিবারে জন্ম আতিকুলের (১০)।  এমনিতেই বাকপ্রতিবন্ধী সে, তার ওপর নানা রোগে আক্রান্ত। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় আতিকুলের চিকিৎসা করাতে পারেন না তার বাবা-মা। ফলে সে এখন পরিবারের বোঝা। উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারায় হতাশ হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা।

আতিকুলের বাবা আনিছুর রহমান একজন দিনমজুর। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া এক শতাংশ জমির ওপর টিনশেড ঘরে থাকেন তারা। আতিকুলের সারা শরীরে ফোঁসকা উঠেছে এবং ঠোঁট ও মুখেও ঘা হয়েছে। বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় মুখে কিছু বলতে পারে না সে। তবে সারাক্ষণ যন্ত্রণায় কাতরায়। তাছাড়া কিছু খেতে না পারায় কঙ্কালসারহয়ে পড়ছে।

মা আছিয়া বেগম কাঁদতে-কাঁদতে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘হামার কষ্টের কথা কি আর বলব? ছোলটার সারা শরীরে ফোসকা উঠেছে। হামারা গরীব মানুষ, টেকা পইসা নাই।সংসারই চলে না, ছেলের চিকিৎসা করি কেমনে। তবুও স্থানীয় লিটু ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করাইতেছি। হামার এ অবস্থা দেখি ডাক্তার কোনো ভিজিট নেয় না।’

আতিকুলের বাবা আনিছুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘টেকার অভাবে ছেলেকে বড় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবার পারি না। ছেলের মুখ দেখলে বুকটা ফাটি যায়। তবু এর মধ্যে অনেক কষ্টে গ্রামের ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করাইতেছি। এতে আল্লায়এখন যা করে।’

আতিকুলের চিকিৎসার বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্লী চিকিৎসক লিটু আহম্মেদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমে শিশুদের রোগ হয়। সাধারণত এটাকে অগ্নিসার রোগ বলে। তবে আতিকুলের আরও সমস্যা আছে। আমি তাকে সাধ্যমতো চিকিৎসা দিচ্ছি।’

কোনো সরকারি সাহায়তা পান কিনা জানতে চাইলে আনিসুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একটা প্রতিবন্ধী কার্ড করে দিয়েছে। এছাড়া আর কোনো সহযোগিতা আমরা পাই না।’

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নাছির শাহ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘চিকিৎসা সংক্রান্ত আমাদের তেমন কোনোব্যবস্থা নেই। তবে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে তারা কিছুটা সহায়তা পেত।’

আপনার মতামত লিখুন :

সাদুল্লাপুরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু

সাদুল্লাপুরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু
প্রতীকী

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার পাকুড়িয়া বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বকু মিয়া (৫০) নামে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বকু মিয়া কুটিপাড়া গ্রামের মৃত মন্তাজ আকন্দের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বকু মিয়া পাকুড়িয়া বিলের পানিতে সাঁতরিয়ে মাছের জাল পুঁতে রাখতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ডুবুরিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা পানিতে নেমে খোঁজাখুঁজির করে বকু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেন।

ভাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজানুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ খবর নিশ্চিত করেন।

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মেয়ে নিহত, বাবা আহত

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মেয়ে নিহত, বাবা আহত
ম্যাপ

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই ও ভাতিজাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সাজিনা বেগম নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন নিহত নারীর বাবা ফরহাদ হোসেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে রাজারহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের খুলিয়াতারী গ্রামের ফরহাদ আলী (৬০) তার জমিতে ধান রোপণ করতে গেলে তার বড় ভাই ফারছেদ আলীর ছেলে ছয়ফুল ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথারি কোপাতে থাকে।

এ সময় ফরহাদ আলীর কন্যা সাজিনা বেগম (৪৫) বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে প্রতিপক্ষের লোকেরা তাকেও রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।

পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকেই রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাজিনা বেগমের মৃত্যু হয়।

হামলায় জড়িত সোহেল (১৮) ও সুলতানা বেগম (৩৬) নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা যায়, দুই বছর আগে মৃত সাজিনার ছোট ভাই তাজুল ইসলামকেও প্রতিপক্ষ হত্যা করেছে।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃষ্ণকুমার সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় রাজারহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র