Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

চাঁদপুরে ভেজাল পণ্য তৈরির কারখানা সিলগালা

চাঁদপুরে ভেজাল পণ্য তৈরির কারখানা সিলগালা
ভেজাল পণ্য তৈরি কারখানা, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চাঁদপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুরের পৌর ১৩ নং ওয়ার্ডের ওয়ারল্যাছ বাজারের মৃধা বাড়িতে তুরাগ নামের একটি কারখানা সিলগালা করে দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোরশেদুল ইসলাম। ওইসময় কারখানা মালিক তানভীরকে নগদ ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং ১ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

শনিবার (২৫ মে) বিকালে জেলা পুলিশের পক্ষে এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহেদ পারভেজ চৌধুরী। তিনি প্রথমে ওয়ারলেস বাজার মৃধা বাড়ির ওই কারখানায় গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দেন।

জানা গেছে, প্রায় ৪/৫ বছর ধরে অবৈধ তুরাগ নামের কারখানাটি নিম্নমানের আমূল তেঁতুল চাটনি, দ্বিগুণ সাদা তুরাগ হুইল পাওয়ার হোয়াইট (ডিটারজেন), তুরাগ ট্যাং ও তুরাগ খাঁটি সরিষার তেলের মতো ৪টি ভেজাল পণ্য তৈরি করতো।

এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোরশেদুল ইসলাম জানান, আমরা তুরাগ নামের ওই কারখানাটির সকল পণ্য উৎপাদন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছি। সেই সাথে নানা অনিয়ম থাকায় কারখানাটি সিলগালা করেছি।

ওইসময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জল হোসাইন, চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নাসিম উদ্দিন, পুরান বাজার ফাড়ির ইনসপেক্টর জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

চমেকে ঠাঁই হলো বিষধর রাসেল ভাইপার সাপটির

চমেকে ঠাঁই হলো বিষধর রাসেল ভাইপার সাপটির
ছবি. বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চাঁদপুর সদর উপজেলা থেকে রাসেল ভাইপার নামের একটি বিষধর সাপ উদ্ধারের পর মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভেনম রিসার্চ সেন্টারের কর্মকর্তাদের কাছে সাপটি হস্তান্তর করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমরান হোসাইন সজীব।

জানা যায় এর আগে সোমবার দুপুরে শহরের কোড়ালিয়া এলাকায় একটি পুকুর থেকে সাপটি ধরা হয়। বিষধর সাপটিকে ধরাশায়ী করা স্থানীয় যুবক সবুজ বলেন, ‘আমি বন্ধুদের সাথে সোমবার খেলা করছিলাম বাড়ির পাশে। এসময় হঠাৎ পুকুরের পাশে বিরল প্রজাতির এই সাপটি দেখতে পাই। পরে আমি সাপটি কৌশলে ধরে নিয়ে আসি। আমার বন্ধুরা সাপটি মেরে ফেলতে চাইলেও অপু ভাই সাপটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়। তাই সাপটিকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।’

অপু পাটোয়ারী বলেন, ‘গত এক মাস আগে এলাকার ছেলেরা একটি সাপ মেরে মোবাইলে ছবি তোলে দেখায়। সাপটি আমার কাছে ব্যতিক্রম মনে হয়। পরবর্তীতে আমি তাদেরকে বলি এরকম সাপ দেখতে পেলে যাতে না মেরে ফেলে। সোমবার একটি সাপ ধরার খবর পেয়ে আমি সাপটি দেখতে যাই। সাপটি দেখে আমার কাছে বিরল প্রজাতির মনে হয়। তাই আমি সাপটি রক্ষা করে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিই।’

তিনি বলেন, ‘পরবর্তীতে আমার বোন সাপটির ছবি ফেসবুকে দিলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভ্যানম রিসার্চ সেন্টারের লোকজন আমার সাথে যোগাযোগ করে এবং মঙ্গলবার বিকেলে তারা আমাদের এখানে এসে সাপটি নিয়ে যায়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566328294763.JPG

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভেনম রিসার্চ সেন্টারের সহকারী গবেষক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘রাসেল ভাইপার একটি দুর্লভ সাপ। দেশের রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, দিনাজপুর, ফরিদপুর, শরীয়তপুর জেলায় এই ধরনের সাপ দেখতে পাওয়া গেলেও চাঁদপুরে এটি দেখা যাওয়ার কথা নয়। হয়তো বন্যার পানির সাথে ভেসে সাপটি এখানে এসে থাকতে পারে।’

তিনি আরো জানান, রাসেল ভাইপারের কামড়ে বাংলাদেশে প্রথম ১৯৯৫ সালে এক সাওতাল নারী মারা যায়। তখনও বোঝা যায়নি কোন সাপ তাকে কামড়েছিল। কিন্তু ২০১৩ সালে রাজশাহীতে ১৮ বছর বয়সী একটি ছেলে মারা গেলে এই সাপের অস্তিত্বের কথা প্রথম জানতে পারা যায়। বাংলাদেশে সাপের কামড়ে যত মানুষ মারা যায় তার মধ্যে রাসেল ভাইপারের কামড়েই অধিকাংশ মানুষ মারা যায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, ‘সাপটি গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের রিসার্চ সেন্টারে হস্তান্তর করা হয়েছে।

যারা সাপটি না মেরে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি এধরনের বিষধর সাপ দেখতে পেলে বিশেষজ্ঞদের জানানোর পরামর্শ দিচ্ছি। সাধারণ মানুষদের সাপের কাছাকাছি না যাওয়ার অনুরোধ রইল।’

সাদুল্লাপুরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু

সাদুল্লাপুরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু
প্রতীকী

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার পাকুড়িয়া বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বকু মিয়া (৫০) নামে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বকু মিয়া কুটিপাড়া গ্রামের মৃত মন্তাজ আকন্দের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বকু মিয়া পাকুড়িয়া বিলের পানিতে সাঁতরিয়ে মাছের জাল পুঁতে রাখতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ডুবুরিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা পানিতে নেমে খোঁজাখুঁজির করে বকু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেন।

ভাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজানুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ খবর নিশ্চিত করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র